লবনাক্ততার কারনে শত শত একর জমির উৎপাদন হ্রাস

লবনাক্ততার কারনে শত শত একর জমির উৎপাদন হ্রাস

লবনাক্ততার কারনে শত শত একর জমির উৎপাদন হ্রাস

মোরেলগঞ্জ (বাগেরহাট) প্রতিনিধি : বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে জমিতে খালের পানি ঢুকে লবনাক্ততার কারনে দুটি ইউনিয়নের  শত শত একর জমির ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন হ্রাস পেয়েছে।  ফলে আর্থিকভাবে চরম ক্ষতির সম্মুখীন হয়ে চাষবাদে নিরুসাহিত হচ্ছে এলাকার কৃষকরা।  পাশাপশি ভাঙ্গনে ফসলি জমি ও ঘরবাড়ি বিলীন হচ্ছে এলাকার মানুষের।

সরেজমিনে জানা গেছে, প্রমত্তা পানগুছি নদীর সংযোগ বহরবুনিয়ার ইউনিয়নের ১নং ওয়ার্ডের সূর্যমুখী খাল ও আনন্দ খালের ত্রি-মোহনা থেকে লবনাক্ত পানি ফসলি জমিতে ঢুকে পড়ে। এ লবনাক্ততার কারনে  শত শত একর জমির ধানসহ অন্যান্য ফসল উৎপাদন ব্যাপকহারে হ্রাস পেয়েছে। পাশাপাশি জোয়ারের তোড়ে খালের ত্রি-মোহনার আশ-পাশের বাড়ি ঘর ও ফসলি জমিও ভেঙ্গে যাচ্ছে। ৪ বছর ধরে  লবনাক্ততার কারনে উৎপাদন হ্রাস ও ভাঙ্গনে কমপক্ষে ১০টি পরিবার হারিয়েছে বসত বাড়ি। 

 বহরবুনিয়ার ইউনিয়নের সংশ্লীষ্ট ওয়ার্ড মেম্বার বাহাদুর খান জানান, খালের ভাঙ্গনের ফলে জমিতে পানি ঢুকে লবনাক্ততা বৃদ্ধির করনে ফসলের উৎপাদন অনেক কমে গেছে। ইতোপূর্বে যে জমিতে ২০ মন ধান উৎপাদিত হতো। লবনাক্ততার কারেন সে জমিতে এখন ৫-৮ মন ধান উৎপাদিত হচ্ছে। অনেক জমিতে ধানই হচ্ছেনা। যার কারনে কৃষকরা হতাশ হয়ে পড়েছে। অপরদিকে  ত্রি-মোহনার খালের ভাঙ্গনে দুই পাড়ের কমপক্ষে ১০ টি বাড়ি বিলীন হয়েছে । হাজী মকবুল হাওলাদার, হাসেম হাওলাদার, তবীর শিকদার বলেন, ভাঙ্গনে কারনে তাদের বাড়ি-ঘরসহ বহু ফসলি জমি বিলীন হয়েছে। 

উপজেলা কৃষি অফিসার সিফাত আল মারুফ জানান, ত্রি মোহনার আনন্দ খাল ভেঙ্গে বহরবুনিয়ার ৩শ’একর ও বারইখালী ইউনিয়নের ১ শ’ একর ফসলি জমির ক্ষতি হচ্ছে। ইউপি চেয়ারম্যান রিপন হোসেন তালুকদার জানান, লবনাক্ততা ঠেকাতে এলাকাবাসীর সহায়তার খালে বাঁধ দিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনের চেষ্টা চলছে। তবে এ খালে স্থায়ী ভাবে কালভার্ট কাম স্লুইজ গেট নির্মাণ করা একান্ত জরুরি। 

পাঠকের মন্তব্য