সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রংপুরে; বিপর্যস্ত জনজীবন

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রংপুরে; বিপর্যস্ত জনজীবন

সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রংপুরে; বিপর্যস্ত জনজীবন

মাঘের কনকনে শীত আর হিমেল হাওয়ায় কাঁপছে বাংলাদেশের  রংপুর অঞ্চল। বয়ে যাচ্ছে মাঝারি শৈত্যপ্রবাহ। তাপমাত্রা আরও নেমে যাওয়ার শঙ্কা আছে। সব মিলিয়ে অনেকটাই বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে উত্তরের জনজীবন।

শুক্রবার (২৮ জানুয়ারি) সকালে রংপুরে ৮ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং কুড়িগ্রামে দেশের সর্বনিম্ন ৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে। আবহাওয়া অফিস বলেছে, রংপুরসহ উত্তরাঞ্চলে গত পাঁচ বছরের মধ্যে এটি সর্বনিম্ন তাপমাত্রা। শৈত্যপ্রবাহ আরও দুই-তিনদিন থাকতে পারে।

অন্যান্য বছর ডিসেম্বরের শুরু থেকে এ অঞ্চলে শীতের তীব্রতা বাড়লেও এ বছর শীত নেমেছে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ থেকে। নতুন বছরের প্রথম সপ্তাহ থেকে মৃদু শৈত্যপ্রবাহ শুরু হয়ে এখন তা অনেকটা মাঝারি অবস্থায় রয়েছে। বিশেষকরে গত দু’দিন ধরে হিমেল হাওয়া ও ঘন কুয়াশা এ অঞ্চলের মানুষকে কাহিল করে দিয়েছে। ছিন্নমূল মানুষরা খড়কুটো জ্বালিয়ে শীত নিবারণের চেষ্টা করছেন।

গত তিন  দিন ধরে সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত এবং বিকেল ৪টার পর থেকে রাতভর ঘন কুয়াশা ঝরছে এ অঞ্চলে। রাত যতই গভীর হয়, কুয়াশার মাত্রাও ততই বাড়তে থাকে। বৃষ্টির মতো কুয়াশা ঝরতে থাকায় রাস্তায় যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে মারাত্মকভাবে। বাড়ছে সড়ক দুর্ঘটনা, ঘটছে প্রাণহানিও।

এই শীতে খেটে খাওয়া মানুষরা আছেন চরম বিপদে। মাঘের এ কনকনে ঠাণ্ডায় খেটে খাওয়া নিম্ন মধ্যবিত্ত মানুষেরা বিপাকে পড়েছেন। বিশেষকরে বোরো মৌসুমে চারা রোপণের কাজ করা শ্রমজীবী, রিকশা ও ভ্যান চালকরা সময়মতো কাজে বের হতে পারছেন না।

এদিকে, সারা দেশের আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, পরবর্তী তিন দিনে সারা দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া মৃদু ও মাঝারি ধরনের শৈত্য প্রবাহ অব্যাহত এবং বিস্তার লাভ করতে পারে। রাতের তাপমাত্রা কমতে থাকবে এবং নদ-নদীর অববাহিকায় মাঝারি থেকে ঘন কুয়াশা এবং দেশের অন্যত্র হালকা থেকে মাঝারি ধরনের কুয়াশা পড়তে পারে। এছাড়া, আকাশ আংশিক মেঘলাসহ সারাদেশের আবহাওয়া শুষ্ক থাকতে পারে।

পাঠকের মন্তব্য