আলেমদের বিরুদ্ধে শ্বেতপত্র প্রদানকারীরা গণধিকৃত’

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ

ওয়াজের নামে বিদ্বেষমূলক বক্তব্য দিয়ে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি বিনষ্ট এবং জঙ্গী কর্মকাণ্ডে অর্থায়ন করার অভিযোগ এনে ১১৬ জন আলেম এবং ১ হাজার মাদরাসার তালিকা তৈরি করেছে ঘাতক দালাল নির্মূল কমিটির সমন্বয়ে গঠিত গণকমিশন। সেই তালিকা দুর্নীতি দমন কমিশনে জমা দিয়ে যথাযথ ব্যবস্থা নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে তারা।

গত বুধবার দুদকের কাছে এই প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর শুরু হয় আলোচনা-সমালোচনা। হেফাজতসহ সমমনা ইসলামি দলগুলোর পক্ষ থেকে এর তীব্র নিন্দা জানানো হয়েছে। এবার আলেমদের বিরুদ্ধে শ্বেতপত্র প্রদানকারীদের ‘গণধিকৃত’ আখ্যা দিয়ে এমন উদ্যোগের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছে জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদ।

শুক্রবার গণমাধ্যমে পাঠানো ওই বিবৃতিতে বলা হয়, তথাকথিত গণকমিশন কর্তৃক আলেম সমাজ ও মাদরাসার বিরুদ্ধে যে শ্বেতপত্র প্রস্তুত করা হয়েছে, সেটা একদিকে যেমন বানোয়াট তেমনি তাদের এখতিয়ারবহির্ভূত এবং সংবিধান ও স্বাধীনতাবিরোধী। এর মাধ্যমে তারা ধর্মপ্রাণ মুসলমানকে উসকে দেওয়ার চেষ্টা করছে।

জাতীয় ওলামা মাশায়েখ আইম্মা পরিষদের সভাপতি নূরুল হুদা ফয়েজী বলেন, তথাকথিত গণকমিশনের অন্যতম সদস্য বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক একজন বিতর্কিত ব্যক্তিত্ব। ২০১২ সালে তার বিরুদ্ধে সংবিধান লঙ্ঘনের অভিযোগে জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতভাবে একটি প্রস্তাব পাস হয়েছিল। আওয়ামী লীগ নেতা তোফায়েল আহমেদ তাকে স্যাডিস্ট বলে অভিহিত করেছিলেন।

গণকমিশনের সদস্য সচিব তুরিন আফরোজের ব্যাপারে নূরুল হুদা ফয়েজী বলেন, এই নারী নিজের মায়ের সম্পদ কুক্ষিগত করে তাকে ঘর থেকে বের করে দিয়েছেন। এছাড়া অবৈধ অর্থের লোভে বোরকা পরে গোপনে আসামির সঙ্গে বৈঠক করায় তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের প্রসিকিউশন পদ থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

পাঠকের মন্তব্য