রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উদযাপিত

আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল

আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল

আজ ১৭ মে, ২০২২ইং, মঙ্গলবার, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ-এর নির্দেশে সকাল ১০টায়, বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের আলোচনা সভায় যুবলীগের সক্রিয় অংশগ্রহণ, বিকাল ৪টায় শ্রী শ্রী সিদ্ধেশ্বরী কালি মন্দিরে প্রার্থনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রার্থনা সভায় উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক অ্যাড. মৃনাল কান্তি দাস এমপি এবং বাদ মাগরিব, ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়।

দোয়া ও মিলাদ মাহফিলে যুবলীগ সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মোঃ মাইনুল হোসেন খান নিখিল বলেন-১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে সপরিবারে হত্যার পর বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনাকে দেশে আসতে দিচ্ছিল না খুনি জিয়াউর রহমান। খুনি জিয়াউর রহমান জামাত এবং মুক্তিযুদ্ধবিরোধী শক্তিকে সাথে নিয়ে নানা কৌশলে শেখ হাসিনার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু খুনি জিয়া জানতো না, বঙ্গবন্ধুর রক্ত যার ধমনীতে প্রবাহমান বাংলার কোন শক্তি তাকে আটকাতে পারবে না। তার প্রমান দিয়েছিলেন আমাদের প্রিয়নেত্রী রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনা ১৯৮১ সালের ১৭ মে। দেশে ফিরে বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা বিনির্মাণের জন্য নিপীড়িত-শোষিত মানুষের অধিকার আদায়ের জন্য দিন-রাত পরিশ্রম করছেন। বিএনপি-জামাত আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতে, রাষ্ট্রনায়ক শেখ হাসিনাকে হত্যা করতে তাঁর উপর ২১ বার হামলা চালিয়েছে। ২০০৪ সালের ২১ আগস্ট এই ২৩, বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কুলাঙ্গার তারেক জিয়ার নির্দেশে গ্রেনেড হামলা চালানো হয়।

তিনি যুবলীগের নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন-আপনারা লক্ষ্য করছেন বিএনপির অনুসারী ডা. জাফরউল্লাহ সাহেব বলেছেন-যদি বিএনপি ক্ষমতায় থাকতো তাহলে বাংলাদেশ অনেক আগেই শ্রীলঙ্কায় পরিণত হতো। সত্য কথা বলার জন্য তাকে ধন্যবাদ জানাই। আগামী নির্বাচনকে সামনে রেখে বিএনপি-জামাত নানামুখী ষড়যন্ত্র করছে। যুবলীগ চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশের নেতৃত্বে আমরা যুবলীগের নেতা-কর্মীরা বিএনপি-জামাতের যে কোন ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে রাজপথে প্রতিহত করবো, ২০২৩ সালের নির্বাচনে নৌকার জয় নিশ্চিত করবো।

এসময় উপস্থিত ছিলেন-যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য অ্যাড. মামুনুর রশীদ, মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোঃ হাবিবুর রহমান পবন, তাজউদ্দিন আহমেদ, মোঃ জসিম মাতুব্বর, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, সুব্রত পাল, সাংগঠনিক সম্পাদক কাজী মোঃ মাজহারুল ইসলাম, মোঃ সাইফুর রহমান সোহাগ, মোঃ জহির উদ্দিন খসরু, মোঃ সোহেল পারভেজ, মশিউর রহমান চপল, প্রচার সম্পাদক জয়দেব নন্দী, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক মোঃ জহিরুল ইসলাম মিল্টন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ সাদ্দাম হোসেন পাভেল, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম অনিক, তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মীর মোঃ মহি উদ্দিন, পরিবেশ সম্পাদক মোঃ হারিস মিয়া শেখ সাগর, ধর্ম সম্পাদক মাওলানা খলিলুর রহমান সরদার, মহিলা সম্পাদক অ্যাড. মুক্তা আক্তার, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-গ্রন্থনা ও প্রকাশনা সম্পাদক অ্যাড. নবীরুজ্জামান বাবু, উপ-শিক্ষা প্রশিক্ষণ ও পাঠাগার সম্পাদক কাজী খালিদ আল মাহমুদ টুকু, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুুক্তি সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকত, উপ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক ফজলে রাব্বী স্মরণ, উপ-তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ মিসির আলি, উপ-ক্রীড়া সম্পাদক মোঃ আবদুর রহমান, উপ-কৃষি ও সমাবয় বিষয়ক সম্পাদক মোল্লা রওশন জামির রানা, উপ-মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক সম্পাদক মোঃ গোলাম কিবরিয়া শামীম, উপ-ধর্ম সম্পাদক হরে কৃষ্ণ বৈদ্য, সহ-সম্পাদক আবির মাহমুদ ইমরান, মোঃ আতাউর রহমান উজ্জল, মোঃ রাজু আহমেদ, গোলাম ফেরদৌস ইব্রাহিম, মোঃ মাইদুল ইসলাম, মোঃ আবদুর রহমান জীবন, নাজমুল হুদা ওয়ারেছী চঞ্চল, মোঃ বাবলুর রহমান বাবলু, হিমেলুর রহমান হিমেল, মোঃ রাশেদুল হাসান সাফিন, মোঃ মনিরুজ্জামান পিন্টু, মোঃ মনিরুল ইসলাম আকাশ, কার্যনির্বাহী সদস্য অ্যাড. মোঃ নাজমুল হুদা নাহিদ, সরদার মোঃ আলী মিন্টু, প্রফেসর ড. মোঃ আরশেদ আলী আশিক, শাম্মি খান, অ্যাড. কাজী বশির আহমেদ, মোঃ মেহেরুল হাসান সোহেল, রাজু আহমেদ ভিপি মিরান, অ্যাড. মোঃ শওকত হায়াত, মানিক লাল ঘোষ, মোঃ মোবাশ্বার হোসেন স্বরাজ, এ বি এম আরিফ হোসেন, সৈয়দ আলাউল ইসলাম সৈকত, মোঃ আসাদুজ্জামান সুমনসহ কেন্দ্রীয় মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

পাঠকের মন্তব্য