সমস্যায় জর্জরিত কুবি ছাত্রী হল, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

সমস্যায় জর্জরিত কুবি ছাত্রী হল, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

সমস্যায় জর্জরিত কুবি ছাত্রী হল, শিক্ষার্থীদের মানববন্ধন 

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) নওয়াব ফয়জুন্নেছা চৌধুরাণী হলের শিক্ষার্থীরা পাঁচ দফা দাবি আদায়ের জন্য মানববন্ধন করেছেন। 

বুধবার (১৮ মে) সকালে বঙ্গবন্ধু ভাস্কর্যের সামনে অবস্থান নিয়ে এ মানববন্ধন করে। 

মানববন্ধনে নতুন আবাসিক হলে ছাত্রী উঠানো, বিশ্ববিদ্যালয়ে খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, ক্যান্টিন ব্যবস্থা চালু, খাদ্যে ভর্তুকি প্রদান, ৭ দিনের মধ্যে পানির সমস্যা সমাধানের দাবি তুলে ধরা হয়। মানববন্ধন শেষে উপাচার্য বরাবর স্বারকলিপি প্রদান করলে উপাচার্য তাদের স্বারকলিপি গ্রহণ করেননি। 

মানববন্ধনে অংশ নেওয়া নওয়াব ফয়জুন্নেসা চৌধুরাণী হলের আবাসিক শিক্ষার্থী রাবিনা ইসলাম ঐশী বলেন, 'আমরা হলে উঠেছি অনেকদিন হয়েছে,  এখনো আমাদেরকে হলের সিট শেয়ার করে থাকা লাগে। শেখ হাসিনা হলের কাজ শেষ হলেও এখনো হস্তান্তর করা হয় নি। তাই আমরা অনেক ভোগান্তিতে আছি। আমাদের সুপেয় পানির অভাবে অনেকে অসুস্থ হয়ে যাচ্ছে। তাছাড়া খাবারে ভর্তুকি নেই। আমাদেকে বাইরে খেতে হয়, দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় বাইরে খাবারের দাম অনেক বেশি বেড়ে যায় যা আমাদের জন্য কষ্টদায়ক। আমরা চাই আমাদের দাবিগুলো যেন দ্রুত বাস্তবায়ন করা হয়।' 

এ বিষয়ে ফয়জুন্নেসা হলে শাখা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অপর্ণা নাথ জানান, আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রীদের থাকার জন্য নানা দূর্ভোগ পোহাতে হয়। বাইরে মেসে থাকা অনিরাপদ ও ব্যায়সাপেক্ষ। নির্মানাধীন ছাত্রী হলটি যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে যাতে ছাত্রীদের দূর্ভোগ লাঘব করা হয় সেজন্যই এই মানববন্ধনের আয়োজন করা হয়েছে। 

মানববন্ধনে ছাত্রীদের দাবীদাওয়া বিষয়ে কি ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছেন জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আব্দুল মঈন বলেন, নির্মাধীন শেখ হাসিনা হলটির কাজ ৮ বছর ধরে চলছে। আমি নিয়মিত তদারকি করছি ও আমার দ্বায়িত্ব গ্রহনের পর দ্রুত অগ্রগতি হচ্ছে। এরপরও আমি সংশ্লিষ্ট সবাইকে ডেকে দ্রুত কাজ শেষ করার তাগিদ দিয়েছি। 

তিনি আরও বলেন, কোনও শিক্ষার্থীই সমস্যায় পড়ুক তা আমরা চাই না। তাদের দাবি গুলো আমি শুনেছি এবং সংশ্লিষ্টদের দ্রুত শেষ করার নির্দেশনা দিয়েছি।

পাঠকের মন্তব্য