কাঙ্খিত রোদে কৃষকের চোখে-মুখে স্বস্তির আভা    

কাঙ্খিত রোদে কৃষকের চোখে-মুখে স্বস্তির আভা    

কাঙ্খিত রোদে কৃষকের চোখে-মুখে স্বস্তির আভা    

কুড়িগ্রাম ফুলবাড়ী প্রতিনিধি থেকে আলমগীর হোসেন (আসিফ) : কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে গত কয়দিন ধরে টানা বৃষ্টিতে চরম বিপাকে পড়েছিলেন ধান চাষিরা। বৈরী আবহাওয়ার কারণে ধান কাটা, মাড়াই ও শুকানোর কাজ থমকে ছিল। অবশেষে রোববার সকালে দেখা মিলছে সূর্য্যের। রাতেও হয়নি বৃষ্টি। সোমবার সকাল থেকেও দেখা মিলেছে ঝলমলে রোদের। আর ঝলমলে রোদের সাথে কৃষকের চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে স্বস্তির আভা। কাঙ্খিত রোদের দেখা মেলায় পথে প্রান্তরে, বাড়ির আঙ্গিনায় ধান নিয়েই কর্মব্যস্ততা কৃষকের ।

সোমবার সকাল থেকে উপজেলার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, ঝাঁকে ঝাঁকে কৃষি শ্রমিক ক্ষেতের ধান কাটছেন। কেউ কেউ কেটে আনা ধান মাড়াই করছেন। স্কুলের মাঠে, রাস্তায়, বাড়ির আঙ্গিনায় ও খোলা জায়গায় পুরোদমে চলছে ধান শুকানোর কাজ। স্বপ্নের ফসল ঘরে তুলতে সবাই এতো ব্যস্ত যে কথা বলারও সময় নেই। একদল ধানকাটা শ্রমিকের সাথে কথা বলতে চাইতেই তারা বললেন - ভাই খুব ব্যস্ত আছি এখন কথা বলার সময় নেই। 

ধান চাষি শাহজাহান আলী বলেন, গত কয়দিন ধান নিয়ে চরম ভোগান্তির মধ্যে ছিলাম। কিছু জমির ধান কেটে বাড়িতে এনে মাড়াই করে নিয়েছি। রোদ না থাকায় ধান শুকাতে পারছিলাম না। ধানে চারা গজাতে শুরু করেছিল। গতকাল থেকে রোদ উঠেছে। আমার পরিবারের লোকজন সবাই এখন ধান শুকানোর কাজে ব্যস্ত। তিনি আরো বলেন, এখনো কয়েক বিঘা জমির ধান কাটা বাকি রয়েছে আজ কালকের মধ্যেই তা কেটে বাড়িতে আনবেন।

উপজেলা কৃষি অফিসার নিলুফা ইয়াসমিন জানিয়েছেন, উপজেলায় চলতি বোরো মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও অধিক ১০ হাজার ২১৫ হেক্টর জমিতে ধান চাষাবাদ হয়েছে। এখন পর্যন্ত প্রায় ৭৫ ভাগ জমির ধান কাটা শেষ হয়েছে। আগামী দু একদিনের মধ্যে ধান কাটার কাজ পুরোপুরি শেষ হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন এই কৃষি কর্মকর্তা। 

পাঠকের মন্তব্য