বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে দেশ অনেক আগেই সোনার বাংলা হতো

প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ

প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ

১৫ আগস্ট স্বাধীনতার মহান স্থপতি জাতির পিতা  বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এঁর ৪৭তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস-২০২২ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন উপলক্ষ্যে পৌর আওয়ামীলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে

খুলনা জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা আলহাজ্ব শেখ হারুনুর রশিদ বলেছেন, বঙ্গবন্ধু বেঁচে থাকলে এদেশ অনেক আগেই স্বপ্নের সোনার বাংলায় পরিণত হতো। ঘাতকেরা দেশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী ছিল না। তারা এদেশের উন্নয়নও চাইনি। 

এদেশ যাতে মাথা উঁচু করে দাঁড়াতে না পারে এবং আওয়ামীলীগের নাম মুছে দিতে আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে ৭৫'র ১৫ আগস্টে স্বাধীনতা বিরোধীরা স্বপরিবারে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল। ঘাতকরা সেদিন রাসেলেরর মত শিশু ও নারীদেরকেও ক্ষমা করেনি। এ হত্যাকান্ডের বিচার রহিত করতে খুনি মোস্তাকেরা সেদিন ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ জারি করেছিল। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার মধ্য দিয়ে সেদিন দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে থামিয়ে দিলেও বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এদেশের জনগণকে সাথে নিয়ে বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার সম্পন্ন করেন।  বঙ্গবন্ধুর সেই স্বপ্নের সোনার বাংলা বাস্তবায়ন করছেন।  

সরকারের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা আমরা ইতোমধ্যে উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা লাভ করেছি। তিনি বলেন, পদ্মা সেতু করার সময়ও ষড়যন্ত্র হয়েছিল। কিন্তু সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিয়ে স্বপ্নের পদ্মা সেতুর বাস্তবায়ন করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সারাবিশ্ববাসীকে দেখিয়ে দিয়েছেন দেশ প্রেম ও ইচ্ছে শক্তি থাকলে দেশের কোন উন্নয়ন বাঁধাগ্রস্থ করা যায় না। দেশের চলমান এ উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে হলে আওয়ামীলীগ সহ দেশবাসীকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে বর্তমান সরকারের ধারাবাহিকতা বজায় রাখার কথা বলেন। তিনি দলীয় নেতাকর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন, স্বাধীনতা বিরোধীদের এখনো ষড়যন্ত্র অব্যাহত রেখেছে। 

এ জন্য আমাদের সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে আওয়ামীলীগ এবং সকল সহযোগী সংগঠনকে শক্তিশালী করতে হবে। শেখ হাসিনা যাকে নৌকা দিবেন সবাইকে তার পক্ষে কাজ করতে হবে। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পাহারা দেন বলেই এদেশের মানুষ শান্তিতে ঘুমাতে পারে।

তিনি মঙ্গলবার দুপুরে পাইকগাছা পৌরসভা আওয়ামী লীগ আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ৪৭তম শাহাদত বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবসের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও পৌর আহবায়ক শেখ কামরুল হাসান টিপু'র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও সাবেক এমপি এ্যাডঃ সোহরাব আলী সানা, বর্তমান এমপি আক্তারুজ্জামান বাবু। 

বিশেষ অতিথি ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি বিএএম সালাম, যুগ্ম-সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান শরফুদ্দীন বিশ্বাস বাচ্চু, শেখ কামরুজ্জামান জামাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার প্রেম কুমার মন্ডল, উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আনোয়ার ইকবাল মন্টু, শেখ আনিছুর রহমান মুক্ত। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, পৌরমেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর।

পৌরসদস্য সচিব হেমেশ চন্দ্র মন্ডলের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, জেলা যুবলীগ নেতা জামিল খান, সরদার জাকির হোসেন, জলিল তালুকদার, পাপিয়া সরোয়ার শিউলী, জয়ন্তী রানী সরদার, বিধান চন্দ্র রায়, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান
রশিদুজ্জামান, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি পারভেজ হাওলাদার, সাধারণ সম্পাদক ইমরান হোসেন, ভাইস চেয়ারম্যান শিয়াবুদ্দীন ফিরোজ বুলু, আওয়ামী লীগনেতা আনন্দ মোহন বিশ্বাস, নির্মল ঢালী, বিজন বিহারী সরকার, শেখ আব্দুর রশিদ, রুহুল আমিন বিশ্বাস, ইউপি চেয়ারম্যান মান্নান গাজী, শামছুর রহমান, ময়নুল ইসলাম, আরশাদ আলী বিশ্বাস, জেলা ছাত্রলীগনেতা তানভীর রহমান আকাশ, কাউন্সিলর কবিতা রানী দাশ, তৈয়বুর রহমান, যুবলীগনেতা জগদীশ চন্দ্র রায়, ছাত্রলীগের পার্থপ্রতীম চক্রবর্তী, ফাইমিন সরদার ও আবির আকাশ। দোয়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন মাওঃ রইসুল ইসলাম।

পাঠকের মন্তব্য