রংপুরে একটি বিদ্যালয়ে ২০ বছর পর চলছে গর্ভানিং বডি নির্বাচন

১নং পালিচড়া সরকাররি প্রাথমিক বিদ্যালয়

১নং পালিচড়া সরকাররি প্রাথমিক বিদ্যালয়

এ এস নুসরাত জাহান খুশি;  রংপুর : রংপুর সদর উপজেলার সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়নের নয়াপুকুর কলেজ বাজার এর প্রাণ কেন্দ্রে অবস্থিত ১নং পালিচড়া সরকাররি প্রাথমিক বিদ্যালয়। বিদ্যালয়টি ১৯১২ সালে স্থাপিত হয়। এই স্কুলটিকে ২০০২ সালে অভিভাবক সদস্যদের মাঝে জাম কালো ভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছিল। আর তার পর থেকে আর এই স্কুলে কোন নির্বাচন হয়নি। 

সেলেকশনে কমিটি গঠন কওে আসছিল বলে জানান যায়।তবে এবার সেই সেলেকশন এর অবশন ঘটেছে দির্ঘ্য ২০ বছর পর। ১নং পালিচড়া সরকাররি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর অভিভাবক এবার সেলেকশনে নয় রিতিমত ব্যালটে আর প্রতিক নিয়েই করছে নির্বাচন বলে জানান যায়। স্কুলটিতে মোট শিক্ষার্থীর সংখ্যা শিশু শ্রেণীসহ ২০১ জন। 

উক্ত ১নং পালিচড়া সরকাররি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর অভিভাবক নির্বাচনে মনোণয়ন জামা করেন ৪ জন পুরুষ আর ৩ জন মহিলা। মনোনয়ন যাচাই বাচাইয়ে কেউ বাদ জায়নি। মনোনায়ন যাচাই বাচাই শেষে প্রার্থীদেও মাঝে তাদের পছন্দ এর প্রতিক বরাদ্দ শেষ। ভোট গ্রহণ ২৭ সেপ্টেম্বর। উক্ত নিবাচনে ৭ জন প্রার্থী ভোটারদের ভোটে নির্বাচিত হবে বলে জানা যায়। উক্ত নির্বাচনে রবিউল ইসলাম ফুটবল, শরিফুল ইসলাম জবা ফুল.ইবনে খালিদ বুলবুল আনারস, আব্দুল লতিব টিউবওয়েল, খুশি বেগম মাছ, লিজা ছাতা এবং মন্জুয়ারা মোরগ প্রতিক নিয়ে নির্বাচন করছেন বলে জানা যায়।
 
১ নং পালিচড়া সরকাররি প্রাথমিক বিদ্যালয় এর ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোছাঃ আরজুমান আরা বেগম বলেন, আমাদের স্কুলের অভিভাবক সদস্য নির্বাচন চলছে। এখানে পুরুষ আর মহিলা সহ ৭ জন প্রার্থী। এদেও মধ্যে ২ জন পুরুষ আর ২ জন মহিলা সরাসরি ভোট গ্রহণের মধ্য দিয়ে নির্বাচিত হয়ে উঠে আসবে।আমাদেও এখানে ৩৬৬ জন ভোটার রয়েছেন এর মধ্যে পুরুষ ভোটার সংখ্যা ১৮১ জন আর মহিলা ভোটার সংখ্যা ১৮৫ জন। একজন ভোটার ৪ টি করে ভোটা প্রদান করতে পারবে। ২ জন পুরুষ আর ২ জন মহিলাকে মোট ৪ টি ভোট প্রদান করতে পারবে।  তিনি আরো বলেন, দাতা সদস্য সেলিম আক্তার রাঙ্গা, বিদ্যুসহি সদস্য শাক্ওায়াত হোসেন (পুরুষ) এবং ইসমোতারা (মহিলা) সহ শিক্ষক প্রতিনিধি শিরিন আক্তার এবং ক্ষমতা বলে ৪নং সদ্যপুস্করিনী ইউনিয়ন এর ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য মোঃ জাকির হোসন নির্বাচিত হয়ে আছেন। ২৭ শে সেপ্টেম্বর  নির্বাচন শেষে যে চার জন নির্বাচিত হবেন তাদের নিয়ে আমি পূর্ণ কমিটি গঠন করব।

ভোটারা জানান. অনেক দিন পর স্কুলে নির্বাচন হচ্ছে। অনেক দিনি থেকে মিটিং ডেকে এবঙ সেখানে সিলেকশন কওে কমিটি গঠন হত। কিন্তু এবার আর সিলেকশন নয় আমারা ব্যালটে ভোট দিব খুবি ভাল লাগছে। আমাদের কাছে এই নির্বাচনটি জাতীয় নির্বাচন এবং উপজেলা, ইউনিয়নের চেয়ে আনন্দ পাচ্ছি। আমারা কাকে ভোট দিব সেটা মনে আছে ২৭ তারিখ ভোট কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিব বলো দাবী করেন ভোটারা। 

প্রার্থীরা বলেন আমরা নির্বাচন করছি। যেহেতু দির্ঘ্য দিন এর নিয়ম পরির্বতন করতে পেরেছি। আমারা বিজয়ী হলে স্কুলে সব কিছু নিয়ম মাফিক হবে। কোন ধরণের দুর্নীতি হতে দিব না আমরা। আমারা সাবাই বন্ধু শুলফ ভাবেই নির্বাচন এর সকল প্রচার প্রচারনা চালাচ্ছি বলে দাবী করেন তারা।

রংপুর সদর উপজেলা জেলার অতিরিক্ত সহকারী শিক্ষা অফিসার এবং নির্বাচনের রিটাইনিং অফিসার মাহাবুবা এর সাথে মুটো ফোনে যোগাযোগ করার জন্য বার বার চেষ্ঠা করে হলে যোগযোগ করা সম্ভব হয়নি।

তবে প্রার্থীর যত বলুক বন্ধু শুলফ আচারণ কওে তারা নির্বাচনি প্রচার প্রচারণা চালাচ্ছে তা মানতে নারাজ এলাকাবাসী সুশিল মহলেন জনগণ সহ অভিভাবক মহল। এলাকাবাসী সুশিল মহলেন জনগণ সহ অভিভাবক মহল এর দাবী নির্বাচনের দিন যদি প্রশাসন মোতায়ন করা না হয় তা হলে এখানে বড় ধরনে একটা নাশোকতা সৃষ্টি হতে পারে। তাই এলাকাবাসী সুশিল মহলেন জনগণ সহ অভিভাবক মহল জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার সহ সংশ্লিষ্টদের নির্বাচনের দিনে পুলিশ প্রশাসন মোতায়ন সহ পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য আদেন করেছেন।

পাঠকের মন্তব্য