নতুন নামে জামায়াতের নিবন্ধনে ইসির শর্ত ও আইনের ব্যখ্যা

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর

শর্ত পূরণ করে ভিন্ন নামে জামায়াত ইসির নিবন্ধন পেতে পারে বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। তিনি বলেন, জামায়াতের কেউ যদি যুদ্ধাপরাধী না হয় এবং তাদের গঠনতন্ত্র যদি সংবিধানের সঙ্গে সাংঘর্ষিক না হয়, তাহলে শর্ত পূরণ করে ভিন্ন নামে তাদের নিবন্ধন পেতে বাধা নেই।

বুধবার দুপুরে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন। অথচ এই নির্বাচন কমিশনা মো.আলমগীর চলতি বছরের ২৯ আগস্ট নির্বাচন কমিশনের এক অনুষ্ঠানে বলেছিলেন ভিন্ন নামেও নিবন্ধন পাবেনা জামায়াত।

এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানতে কথা বলেছিলাম সাবেক নির্বাচন কমিশনার অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এম সাখাওয়াত হোসেনের সঙ্গে। তিনি গণমাধ্যমকে জানান, জামায়াত কোন নিষিদ্ধ রাজনৈতিক দল নয় যে তার কোন সদস্যরা নতুন করে নিন্ধন নিতে পারবেনা। কারন নিষিদ্ধ আর নিবন্ধন বাতিল এক কথা নয়। তবে নির্বাচন কমিশনের শর্তপূরন করে যেকোন নামে আবেদন করলে নির্বাচন কমিশন চাইলে তাদের নিবন্ধন দিতে পারে।
 
এদিকে,সুশীল সমাজের প্রতিনিধিত্বকারী সুশাসনের জন্য নাগরিক সুজনের সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদার বলেছেন, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ আরপিও’র বিধান অনুসারে দলটির নিবন্ধন বাতিল করেছে নির্বাচন কমিশন। সুতারং যে সব কারনে নিবন্ধন বাতিল হয়েছিল সেসব সমস্যা কাটিয়ে শর্ত পূরন করে আবেদন করলে যে কেউই নির্বাচন কমিশনের নিবন্ধন পেতে পারে। যা নির্ভর করে কমিশনের সিদ্ধান্তের ওপর। 

এ বিষয়ে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইবুন্যালের সাবেক প্রসিকিউটর ব্যারিস্টার তুরিন আফরোজ গণমাধ্যমকে বলেন, যেহেতু দল হিসেবে জামায়াতইসলামকে নিষিদ্ধ করা হয়নি। 

আইনের সেই ফাঁক গলে তাদের লোক জন চাইলে নতুন দলের জন্য নিবন্ধের আবেদন করতে পারে। এবং হয়ত দেখা যাবে শর্ত পূরন করতে পারলে নতুন কোন নামে তারা আবার জনগনের সামনে নতুন কোন রাজনৈতিক দল নিয়ে দাড়াতে পারবেন।

পাঠকের মন্তব্য