গাছ কাটা নিয়ে দ্বন্দ্ব মেয়রের সাথে ইউপি চেয়ারম্যানের 

দরপত্রের গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ

দরপত্রের গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলে পৌরসভার নতুন ভবন নিমার্নের জন্য জন্য দরপত্রের গাছ কেটে নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে এক ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে। সোমবার (২৫ ডিসেম্বর) সকালে এ ঘটনা ঘটেছে ।

এ বিষয়ে রাণীশংকৈল পৌর মেয়র মোস্তাফিজুর রহমান জানান, পৌরসভার নতুন ভবনের জন্য পৌর শহরের মধ্যে থাকা বাশঁবাড়ি মৌজার ২৯০ দাগের হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের পুরনো কাযার্লয়টির জন্য জমি ক্রয় করেন পৌরসভা কতৃর্পক্ষ । ইতোমধ্যে পৌরভবন নির্মানের জন্য  থাকা নানান প্রজাতির গাছসহ বিক্রির জন্য  দরপত্রের আহবান করা হয়েছে। সেই দরপত্র অনুযায়ী আগামী ২৬ ডিসেম্বর দরপত্রের সিডিউল বিক্রির শেষ দিন।
মেয়র আরো বলেন, আজ হঠাৎ করেই জানতে পারি যে, উপজেলার হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের বর্তমান চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি তার লোকজন দিয়ে গাছ কাটতে শুরু করেছে। পরে বিষয়টি ইউএনও'কে অবগত করেছি। তিনি এ বিষয়ে ব্যবস্থা নিবেন।

জানা যায়, হোসেনগাঁও ইউনিয়ন পরিষদের ওই পুরোনো কার্যালয়টি বর্তমানে রাণীশংকৈল পৌরসভার অধীনে রয়েছে। এখানে রাণীশংকৈল পৌরসভার ভবন নির্মাণ করার জন্য ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের অনুমোদন নিয়েছেন রাণীশংকৈল পৌরসভা। ওই পরিষদের মধ্যে থাকা কাঠাঁল গাছসহ বিভিন্ন প্রজাতির গাছ কাটার জন্য সব প্রক্রিয়া শেষে দরপত্র আহবান করেন রাণীশংকৈল পৌরসভার মেয়র।

এবিষয়ে হোসেনগাঁও ইউপি চেয়ারম্যান মতিউর রহমান মতি জানান, আমাদের ইউনিয়ন পরিষদের নামে জমির সব কাগজ পত্র আপডেট রয়েছে। সাবেক চেয়ারম্যানের সাথে কি লেনদেন হয়েছে তার কোন তথ্য আমাদের ইউপি পরিষদে জানা নেই। দরপত্র আহবান করার আগে এ বিষয়টি নিয়ে মেয়র আমার সাথে আলোচনা  করতে পারতেন, তা তিনি করেননি। সে কারণে কিছুটা ঝামেলা রয়ে গেছে। যার ফলে আমাদের পরিষদের গাছ কাটা হচ্ছে।

রানীশংকৈল উপজেলা নিবার্হী কর্মকতা রকিবুল হাসান বলেন, গাছকাটা বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে এবং গাছ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জব্দ করা হয়েছে। গাছকাটার বিষয়টি নিয়ে মেয়র ও চেয়ারম্যানকে ডেকে কথা বলেছি। তারা নিজেরাই সমঝোতা করবেন বলে জানিয়েছেন। তবে  অনুমতি ছাড়াই গাছ কাটার বিষয়টি দুঃখজনক। এ বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। 

   


পাঠকের মন্তব্য