আ'লীগের ইশতিহার জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন 

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ

যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ

আজ ২৭ ডিসেম্বর, ২০২৩খ্রিঃ, বিকাল ৩টায়, কাপ্তান বাজার মোড়ে, ঢাকা-৬ আসনে  বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ মনোনীত নৌকা প্রতীকের প্রার্থী আলহাজ্ব মোহাম্মদ সাঈদ খোকন ও বিকাল ৫টায় মতিঝিল টিএ্যান্ডটি কলোনী মাঠে ঢাকা-৮ আসনে আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম এর পক্ষে নির্বাচনী প্রচারণায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন-বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ। সভাপতিত্ব করেন-ঢাকা মহানগর যুবলীগ দক্ষিণের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মাইন উদ্দিন রানা ও সঞ্চালনা করেন-ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক এইচ এম রেজাউল করিম রেজা।

বাংলাদেশ আওয়ামী যুবলীগের চেয়ারম্যান শেখ ফজলে শামস্ পরশ বলেন-আজকে আওয়ামী লীগের ঘোষিত নির্বাচনী ইশতিহারে অত্যন্ত বাস্তবমুখী একটি পরিপক্ক ইশতেহার। এখানে কোন ভাওতাবাজির স্থান নেই। এক কথা বললাম কিন্তু করতে পারলাম না শুধু জনগণকে ঠুনকো আশা দিলাম এই রকম ইশতেহার বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা দেয় নাই বা কখনো দেয় না। ইশতেহারে যা ঘোষণা করা হয়েছে তার প্রত্যেকটিই আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে অর্জন করা সম্ভব। গতবারের মতো ইশতেহারের প্রতিটি আশ্বাস আওয়ামী লীগ সরকার এবারও পূরণ করবে। জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন এই ইশতেহারের মাধ্যমে ঘটেছে। এটি একটি জনহিতকর ইশতেহার।

তিনি নেতা-কর্মীদের উদ্দেশ্যে বলেন-আমাদের দরকার একটা অংশগ্রহণমূলক এবং গ্রহণযোগ্য নির্বাচন। এই দুইটি একে অপরের পরিপূরক। কোন বিশেষ দল নির্বাচনে আসল কি না আসল আমাদের বিবেচনার বিষয় না। কিন্তু আমাদের নির্ধারণ এবং নিশ্চিত করতে হবে অংশগ্রহণমূলক এবং প্রতিযোগিতামূলক নির্বাচনের লক্ষ্যে আমরা কি কি করতে পারি এবং পারি না। সকলের নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অধিকার আছে, আমরা কাউকে বাধা দিব না। অংশগ্রহণমূলক নির্বাচনের জন্য আপনাদের সহনশীল করতে হবে এবং সকলকে ভোট কেন্দ্রে আসার জন্য উদ্বুদ্ধ করতে হবে। আমি বিশ্বাস করি আগামী ৭ জানুয়ারি তারিখে ঝাঁকে ঝাঁকে মানুষ ভোট কেন্দ্রে যাবে। সবার নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার অধিকার থাকলেও বিএনপির ব্যাপারে আমাদের কোন ছাড় নাই। ঐ যুদ্ধাপরাধীদের দোসরদের বাংলাদেশে নির্বাচন করার কোন অধিকার নাই। যারা বাংলাদেশের অস্তিত্বকে বিশ্বাস করে না তাদের কি দরকার বাংলাদেশে নির্বাচন করার? তারা পাকিস্তানে গিয়ে নির্বাচন করুক। বিএনপির মতো দেশবিরোধী সন্ত্রাসী সংগঠনকে আমরা পাকিস্তানে বিতাড়িত করবো।

তিনি বলেন-আওয়ামী লীগ কোন অবৈধ ক্ষমতা দলকারী দল না। আওয়ামী লীগ এ দেশের মাটি ও মানুষের সংগঠন। মানুষের অধিকার আদায়ের সংগ্রাম করে করেই এই সংগঠন গড়ে উঠেছে। আওয়ামী লীগকে এভাবে অগ্নিসন্ত্রাসের মাধ্যমে কোন দিনই উৎখাত করা সম্ভব না। আজকের বাংলাদেশ বদলে যাওয়া বাংলাদেশ: শিক্ষা-দীক্ষা, জ্ঞানে এবং প্রযুক্তিতে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। সেই এগিয়ে যাওয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যেতে ঢাকা-১৬ আসনের জনগণ ৭ই জানুয়ারি নির্বাচনে আলহাজ্ব ইলিয়াছ উদ্দিন মোল্লাকে ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করবে বলে বিশ্বাস করি।

এসময় উপস্থিত ছিলেন, বাংলাদেশ আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি গাজী মেজবাউল হক সাচ্চু, ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মহি উদ্দিন আহমেদ মহি, যুবলীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য মোঃ রফিকুল ইসলাম, মোহাম্মদ মোয়াজ্জেম হোসেন, তাজউদ্দিন আহমেদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক বিশ্বাস মুতিউর রহমান বাদশা, সাংগঠনিক সম্পাদক ডা. হেলাল উদ্দিন, আবু মনির মোঃ শহিদুল হক চৌধুরী রাসেল, মশিউর রহমান চপল, দপ্তর সম্পাদক মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান মাসুদ, তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক মোঃ শামছুল আলম অনিক, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক হারিছ মিয়া শেখ সাগর, শিল্প ও বাণিজ্য সম্পাদক মোহাম্মদ আবদুল হাই, উপ-দপ্তর সম্পাদক মোঃ দেলোয়ার হোসেন শাহজাদা, উপ-ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক মোঃ আলতাফ হোসেন, উপ-তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি সম্পাদক এন আই আহমেদ সৈকতসহ কেন্দ্রীয় মহানগর ও বিভিন্ন ওয়ার্ড যুবলীগের নেতৃবৃন্দ।

   


পাঠকের মন্তব্য