খানখানাপুরে ভর্তির অনিশ্চয়তায় ২৫ জন শিক্ষার্থী  

৩৪নং চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যাল

৩৪নং চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যাল

চলতি বছরে সদ্য ছাপা হওয়া পাঠ্যপুস্তকের গন্ধ নিয়ে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু করে আসছে শিক্ষার্থীরা। তবে জানুয়ারির ২৪ তারিখ হয়ে গেলোও খানখানাপুরে ২৫ জন শিক্ষার্থীদের হাতে মিলছে না নতুন বই। রাজবাড়ীর জেলার খানখানাপুর ইউনিয়নে ৩৪নং চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২৫ জন ছাত্রী উচ্চ বিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পারছে না।

বিদ্যালয়ের সূত্রে জানা যায়, ২০১৩ সালে খানখানাপুর ৩৪ নং চর চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় অষ্টম শ্রেণি পর্যন্ত উন্নত হয়েছে। প্রতিবছরে এই বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা অষ্টম শ্রেণীর শেষ করে। খানখানাপুর সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউট ও তমিজউদ্দিন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীরা ভর্তি হয়।

২০২৩ সালের অষ্টম শ্রেণি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের নবম শ্রেণীতে ভর্তির জন্য  অনলাইনে আবেদন করেননি বিদ্যালয়ের কর্তৃপক্ষ। সে কারণে ২৫ জন বালিকা ভর্তি হতে পারছে না তমিজউদ্দিন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে। তবে অনলাইনে ভর্তির আবেদন না করেও ২৭ জন ছাত্র খানখানাপুর সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউটে ভর্তি নিয়েছে ওই স্কুলের কর্তৃপক্ষ। এখন প্রশ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে বালকরা ভর্তির আবেদন ছাড়া ভর্তি হয়েছে তবে বালিকারা কেনো ভর্তি হতে পারছে না।

এ বিষয় তমিজউদ্দিন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ শফিউল্লার সাথে কথা হলে তিনি জানান , আমাদের বিদ্যালয়ের চারটি শাখায় ২৫৪ জন আমাদের শিক্ষার্থী ভর্তি রয়েছে। আমাদের বিদ্যালয়ের নতুন শিক্ষার্থী ভর্তি হওয়ার ছিট নেই। তাছাড়া চর চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা তাদের ছাত্রীদের ভর্তি হওয়ার জন্য অনলাইনে আবেদনও করেননি। তবে আমি আমার জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করছি দেখি কি করা যায়। 

এ বিষয় চর চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের, ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মোহাম্মদ আক্কাস আলী মোল্লা জানান, অনলাইন গতবছর গুলোতেও আমরা আবেদন করিনি। আমাদের বিদ্যালয়ের অষ্টম শ্রেণী থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা সুরাজ মোহিনী ইন্সটিটিউট ও তমিজুদ্দিন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয় ভর্তি হয়। সেই ধারাবাহিকতায় আমাদের ২৭ জন ছাত্র সুরাজ মোহিনী ইনস্টিটিউশনে ভর্তি হয়েছে। তবে ২৫ জন ছাত্রীকে তমিজুদ্দিন উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি নিচ্ছে না বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

চর চাঁদপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্রী রিক্তা,শিলা খাতুন, তায়েবা, মুক্তা খাতুন মিনা জানান, আমরা নবম শ্রেণীতে ভর্তি হওয়ার সুযোগ চাই আমরা কি লেখাপড়া করব না।

এ বিষয়, রাজবাড়ী সদর মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মধুসূদন সাহা জানান, একটা বিদ্যালয়ে সরকারি রোল অনুযায়ী নির্দিষ্ট সিট থাকলে এর বাইরে ভর্তি হওয়ার সুযোগ নেই।  তবে এ বিষয়, জেলা শিক্ষা অফিসার কে একাধিকবার ফোন দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেনি।

   


পাঠকের মন্তব্য