সেঞ্চুরির পরও ইনিংস ব্যবধানে হারল বাংলাদেশ

হ্যামিল্টনে প্রথম টেস্টে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদের ১৪৬ রান ও সৌম্য সরকারের ১৪৯ রানের ইনিংসের পরও ইনিংস ব্যবধানে হার এড়াতে পারল না বাংলাদেশ। ট্রেন্ট বোল্টের ৫ উইকেট শিকারে ইনিংস ও ৫২ রানে হারিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

মাহমুদউল্লাহ ও সৌম্য ক্রিজে থেকে তৃতীয় দিন শেষ করেছিলো বাংলাদেশ। তবে তখন বাংলাদেশের স্কোরবোর্ডে উইকেট ৪টি চলে গিয়েছিল। শঙ্কা ছিল ইনিংস ব্যবধানের হার তো নিশ্চয়ই সেই সাথে বড় ব্যবধানে নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে হারতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। তবে চতুর্থ দিনে সেই শঙ্কা উড়িয়ে দিয়েছেন মাহমুদউল্লাহ ও সৌম্য মিলে। এক তামিম বাদে টপ অর্ডাররা যেটা করতে ব্যর্থ হয়েছেন সেটি করে দেখিয়েছেন এই দুই মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান।

সৌম্যর পাশে মিডল অর্ডার ব্যাটসম্যান ট্যাগ না মানালেও দলের কম্বিনিশনের কারণে পাঁচে ব্যাট করতে হয় এই ওপেনারকে। আর সেখানেই দেখা টেস্ট ক্যারিয়ারের প্রথম সেঞ্চুরি সেটিও আবার নিউজিল্যান্ডের মাটিতে। এই দুই ব্যাটসম্যান মিলে ইনিংস হারের ব্যবধান এড়াতে চেয়েছিলেন। সৌম্য তুলে নেন দ্রুততম সেঞ্চুরি। বোল্ট, ওয়াগনারদের দেখেশুনেই খেলেন এই দুই ব্যাটসম্যান।

এই দুই ব্যাটসম্যান মিলে গড়েন ২৪৫ রানের জুটি। এই দুইজনের জুটি ভাঙেন ট্রেন্ট বোল্ট। ১৭১ বলে ১৪৯ রান সৌম্যকে বোল্ড করেন বোল্ট। সৌম্যর বিদায়ের পরেই সেঞ্চুরির দেখা পান ভারপ্রাপ্ত অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ। তবে সৌম্যর বিদায়ের পর মাহমুদউল্লাহকে যোগ্য সঙ্গ দিয়ে পারেননি লিটন দাস ও মেহেদী হাসান মিরাজের কেউই। লিটন আউট হন মাত্র ১ রান করে। মেহেদী মিরাজও বিদায় নেন ১ রান করে। তখন দলের ইনিংস ব্যবধানে পরাজয় অনেকটাই নিশ্চিত হয়ে গিয়েছিল।

তবুও এক পাশ থেকে লড়ে যান দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ। আবু জায়েদের সঙ্গে ৩৩ রানের জুটি গড়েন মাহমুদউল্লাহ। দলীয় ৪১৩ রান আবু জায়েদ বিদায় নিলে খালেদ আহমেদের সঙ্গে ১৬ রানের জুটি গড়ে থামেন মাহমুদউল্লাহ। ২২৯ বলে ১৪৬ রান সাউদির বলে আউট হন তিনি। ফলে ৪২৯ রানেই ইনিংস শেষ বাংলাদেশের। নিউজিল্যান্ডের হয়ে পাঁচ উইকেট শিকার করেছেন বোল্ট।

পাঠকের মন্তব্য