কুঁড়ে ঘর থেকে প্রতাপ সারাঙ্গি দিল্লিতে কেন্দ্রীয় মন্ত্রিত্ব ! 

প্রতাপ সারাঙ্গি

প্রতাপ সারাঙ্গি

মোদীর নেতৃত্বে মন্ত্রিসভা দ্বিতীয়বার শপথ নিতেই সোশ্যাল মিডিয়া কিন্তু একজনকে নিয়েই কথা বলছে। তিনি হলেন ওড়িশার প্রতাপ সারাঙ্গি। মোদী ২.০ মন্ত্রিসভার ৫৮ জনের মধ্যে ৫৬ তম নাম তিনি। রাষ্ট্রপতিভবনে ৩০ মের সন্ধ্যেয়ে যখন তিনি শপথ বাক্য পাঠ করছেন তখন তাঁর সাথে স্বপ্ন দেখেছে এদেশের বহু ছাপোষা মানুষ,স্বপ্ন দেখেছে যুব সমাজ, অনুপ্রেরণা পেয়েছে গোটা দেশ। একনজরে দেখে নেওয়া যাক প্রতাপ সারাঙ্গির জীবন যুদ্ধের সফর।

শুরুর কাহিনি : খুব সহজ সরল তথা সোজা সাপ্টা কথাবার্তা বলতে ভালোবাসেন সারাঙ্গি। এমনভাবেই তাঁকে চেনে গোটা বালাসোরের মানুষ। একটা ছোট্ট ঝোলা আর সাইকেল নিয়েই এলাকায় বিভিন্ন কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকেন সারাঙ্গি। আর এভাবেই তিনি এলাকায় সমাজসেবী বলে পরিচিত ছিলেন। সম্বল বলতে ছিল একটা ছোট কুঁড়ে ঘর।

এই ঘটনা ২০০৯ সালের ওড়িশা বিধানসবা নির্বাচনের । সেই সময়ে বিজেপির টিকিটে তাঁর ওড়িশা থেকে দাঁড়ানোর কথা ছিল। তবে তিনি দাঁড়াতে পারেননি। কারণ শুনলে চমকে উঠলেও, এটাই সত্যি, যে তিনি বাসে প্রার্থীপদের টিকিট হারিয়ে ফেলেছিলেন। শেষমেশ পরিস্থিতি সামলাতে নির্দল হিসাবে ভোট যুদ্ধে লড়েন প্রতাপ সারাঙ্গি।

সোশ্যাল মিডিয়ায় তাঁকে নিয়ে এই মুহূর্তে ব্যাপক হইচই। অনেকেই তাঁকে নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করে দিয়েছেন। মোদীর মতো, তিনিও বেলুর মঠে রামকৃষ্ণ মিশন থেকে সন্ন্যাস গ্রহণের জন্য গিয়েছিলেন। তবে তাঁর বাড়িতে বৃদ্ধা মা রয়েছেন শুনেই স্বামী আত্মস্থানন্দ , তাঁকে সন্ন্যাসে দীক্ষিত না করেই পাঠিয়ে দেন বাড়ি। নির্দেশ দেন তিনি যেন মায়ের দেখাশোনা করেন। তারপর থেকে সংসারের দিকে না এগোলেও, প্রতাপ সারাঙ্গি নিজের মতো করে এলাকাকেই সংসার বানিয়ে নিয়েছিলেন। আর আজ থেকে তিনি মোদী মন্ত্রিসভার সংসারের নয়া মন্ত্রী ।

পাঠকের মন্তব্য