নোবেলের বিরুদ্ধে এবার গান চুরির অভিযোগ 

নোবেলের বিরুদ্ধে এবার গান চুরির অভিযোগ 

নোবেলের বিরুদ্ধে এবার গান চুরির অভিযোগ 

নোবেলের বিরুদ্ধে উঠেছে গান চুরির অভিযোগ। গেল বুধবার রাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ ও ইউটিউবে ‘দেশ’ শিরোনামের একটি গান প্রকাশ করেন নোবেল। যেখানে গানটির কথা ও সুর নিজের বলে দাবি করেন তিনি। এরপরই নোবেলের এই গানটির বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ তোলে ব্যান্ডদল ‘অ্যাবাউট ডার্ক’। এই বিষয়ে নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে ‘আমি নাকি গানচোর’ শিরোনামে এক দীর্ঘ স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি।

নোবেল লিখেছেন, ‘প্রথমত, এই বিষয় নিয়ে বিতর্কে যাওয়ার কোনও ইচ্ছে আমার নেই। শুধুমাত্র আমার ভক্তদের সামনে প্রকৃত ঘটনা তুলে ধরা আমার দায়িত্ব মনে করি। সেই দায়িত্ববোধ থেকেই আমি আজ কিছু কথা বলব। যেহেতু আন্ডারগ্রাউন্ড মিউজিক সেন্স আজকের এই নোবেলকে তৈরি করেছে, অনেক অনুপ্রেরণা দিয়েছে। ছোট্ট দুটি ব্যান্ডের সঙ্গে নিয়মিত চর্চা করে করে এবং কিছু সংখ্যক শো করেই আমার আত্মবিশ্বাস এবং কণ্ঠ তৈরি হয়েছে, যা আজ কোটি মানুষের হৃদয় ছুঁয়েছে। তাই, পুরো কমিউনিটিটা আমাকে অপছন্দ করলেও তাদের প্রতি আমার একটি বিরাট শ্রদ্ধাবোধ রয়ে গেছে। আমি মনে করি তাদের অনেকেরই পোটেনশিয়াল আছে আমার অবস্থানে, এমনকি আরও উঁচু পর্যায়ে পৌঁছানোর। সেই দায়বদ্ধতা থেকেই বলতে পারেন আজকের আমার এই কলম ধরা।’

এরপর তিনি গানটি নিজের বলে দাবি করেন। বলেন, গানটির আংশিক সুর ছুট্টি ভাইয়েরই করা ছিল। কিন্তু গানটির প্রাণদাতা আমি নোবেল! গানটির যে ভার্সন আমি আমার পেজে পোস্ট করেছিলাম তার সম্পূর্ণ লিরিক্স আমার লেখা, অনেকাংশে সুর আমারই করা, কম্পোজিশনে রয়েছে আমার ছোঁয়া, আমি ব্যান্ডে থাকাকালীনই গানটি প্রথম রেকর্ড হয় এবং সবচেয়ে বড় কথা এই গানের বেড়ে ওঠার পেছনে রয়েছে আমার রক্ত-ঘাম ঝরানো পরিশ্রম। এই গানের প্রতি কি আমার অধিকার নেই?’

প্রসঙ্গত, ফেসবুকে ব্যান্ডদলটির গিটারিস্ট ও গানটির লেখক নাসির উল্লাহ’র অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পরদিনই ফেসবুক পেজ ও ইউটিউব থেকে গানটি সরিয়ে ফেলেন নোবেল। নোবেলের বিরুদ্ধে গান চুরির অভিযোগ প্রসঙ্গে ‘অ্যাবাউট ডার্ক’ ব্যান্ডদলের গিটারিস্ট ও প্রতিষ্ঠাতা সদস্য এরফান আহমেদ পূর্ণ বলেন, ‘অ্যাবাউট ডার্ক ব্যান্ড প্রতিষ্ঠার সময় ২০১৬ সালে নোবেল আমাদের ব্যান্ডে যোগ দেন। ব্যান্ডের বিভিন্ন যন্ত্রপাতি আত্মস্যাতের অভিযোগে তাঁকে ব্যান্ড থেকে কিছুদিন পরই বের করে দেওয়া হয়। সম্প্রতি নোবেল যে গানটি নিজের বলে প্রকাশ করেছে গানটি ২০০৫ সালে নাসির উল্লাহ ভাইয়ের লেখা।’

পাঠকের মন্তব্য