তুমুল গুলির লড়াই, খতম মাদক পচারকারী-সহ ৫ দুষ্কৃতী

তুমুল গুলির লড়াই, খতম মাদক পচারকারী-সহ ৫ দুষ্কৃতী

তুমুল গুলির লড়াই, খতম মাদক পচারকারী-সহ ৫ দুষ্কৃতী

দেশে জোরকদমে চলছে মাদক বিরোধী অভিযান। শুক্রবার সকালে রাজধানী ঢাকার তুরাগ থানার দিয়াবাড়ী এলাকায় নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে গুলির লড়াইয়ে নিকেশ হয়েছে দুই মাদক পাচারকারী। এর আগে অন্য একটি ঘটনায় কক্সবাজার জেলার টেকনাফে সংঘর্ষে নিহত হয়েছে দুই মাদক কারবারি এবং চট্টগ্রামে এক দুষ্কৃতী নিহত হয়েছে।

পুলিশ সূত্রে খবর, ঢাকায় সংঘর্ষস্থল থেকে ২ টি বিদেশি পিস্তল, গুলি ও বিপুল পরিমাণ ইয়াবা ও একটি মোটরসাইকেল উদ্ধার করা হয়েছে। র‌্যাব আধিকারীক জানান, নিহতরা বড় মাপের মাদক কারবারি। তারা রাজধানীর বিভিন্ন জায়গায় মাদক সরবরাহ করত। ৫০ জন ডিলার রয়েছে একেকজন পাচারকারীর তত্ত্বাবধানে। এদের নামেও মামলা রয়েছে। গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আজ সকালে কয়েকটি মোটরসাইকেল থামানোর সংকেত দিলে তারা র‌্যাবকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে। এসময় আত্মরক্ষায় র‌্যাব সদস্যরাও পালটা গুলি চালায়। এতে গুলিবিদ্ধ হয়ে ওই ২ জন নিহত হয়। বাকিরা পালিয়ে যায়।

এদিকে, কক্সবাজার জেলার টেকনাফে বৃহস্পতিবার গভীর রাতে গুলিযুদ্ধে দুই মাদক কারবারি এবং চট্টগ্রামে এক ধর্ষক নিহত হয়েছে। নিহত মাদক কারবারি হল- উখিয়া উপজেলার রাজাপাল ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য বখতিয়ার আহমেদ (৫৫) ও উখিয়ার কুতুপালং রোহিঙ্গা শরণার্থী শিবিরের মহম্মদ তাহের (২৭)। চট্টগ্রামে ‘রসু খাঁ’ খ্যাত সিরিয়াল ধর্ষক বেলাল হোসেন দফাদার (৩৯) বায়েজিদ বোস্তামী থানার শান্তিনগরে পুলিশের সঙ্গে গুলিযুদ্ধে নিহত হয়েছে। ধর্ষণের ৯টি অভিযোগ-সহ বিভিন্ন থানায় তার বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে। কক্সবাজারে ২ মাদক কারবারির বিরুদ্ধেও একাধিক মামলা রয়েছে। গুলিযুদ্ধের ঘটনাস্থল থেকে ১০ লাখ টাকা, ২০ হাজার পিস ইয়াবা বড়ি, পাঁচটি এলজি, তাজা গুলি উদ্ধার করা হয়েছে। 

এ ঘটনায় পুলিশের চারজন সদস্য সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মাজহারুল ইসলাম, কনস্টেবল শহিদুল ইসলাম, মোহাম্মদ হাবিব ও আবু হানিফ জখম হন। পাশাপাশি, রাজধানী ঢাকার মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে নিষিদ্ধ ঘোষিত জঙ্গি সংগঠন জেএমবি’র ৪ সক্রিয় সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে ‌র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের একটি বিশেষ দল।

পাঠকের মন্তব্য