খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব; আজ শুভ বড়দিন 

খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব; আজ শুভ বড়দিন 

খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় উৎসব; আজ শুভ বড়দিন 

আজ শুভ বড়দিন। খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব। আজকের এই দিনে খ্রিস্ট ধর্মের প্রবর্তক যিশু খ্রিস্ট জন্মগ্রহণ করেন।

করোনার কারণে সংক্ষিপ্ত আকারে হলেও অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশের খ্রিস্ট ধর্মানুসারীরাও যথাযথ ধর্মীয় আচার, আনন্দ-উৎসব ও প্রার্থনার মধ্য দিয়ে স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দিনটি উদযাপন করবেন।

খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীরা বিশ্বাস করেন, সৃষ্টিকর্তার মহিমা প্রচার এবং মানবজাতিকে সত্য ও ন্যায়ের পথে পরিচালিত করতে প্রভু যিশুর এই ধরায় আগমন ঘটেছিলো। পৃথিবীর বুকে কল্যাণ ছড়িয়ে দিতেই বেথেলহেমে খ্রিস্টের জন্ম হয় এই দিনে।

আজ সরকারি ছুটির দিন। দিনটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খ্রিস্ট ধর্মাবলম্বীদের শুভেচ্ছা জানিয়ে পৃথক বাণী দিয়েছেন। বড়দিন উপলক্ষে গির্জায় বিশেষ প্রার্থনা অনুষ্ঠিত হবে। দিনটি উপলক্ষে অনেক খ্রিস্টান পরিবারে কেক তৈরি হবে, থাকবে বিশেষ খাবারের আয়োজন। দেশের অনেক অঞ্চলে কীর্তনের পাশাপাশি ধর্মীয় গানের আসরও বসবে।

এদিকে করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে অন্য বছরের মতো সারাদেশের ন্যয় সিলেটে এবার বড়দিনে থাকছে না উৎসব। ধর্মীয় আচার ও প্রার্থনার মাধ্যমে পালিত হবে বড়দিন। সিলেটে বড়দিন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে উদযাপনে সহায়তার জন্য প্রস্তুতি নিয়েছে সিলেট মহানগর পুলিশ।

লক্ষ্মীপুরে বিপুল উৎসাহ আর উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে যীশু খ্রিস্টের জন্মতিথি শুভ বড়দিন। বৃহস্পতিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাত ১০টার দিকে জেলা শহরের বাগবাড়ীস্থ সেন্ট জোসেফ চার্চ গির্জায় বিশেষ প্রার্থনার মধ্য দিয়ে দিবসটির শুভ সূচনা করা হয়। শুক্রবার রাত ১২.০১ মিনিটে কেক কাটা, প্রার্থনা ও উপহার বিনিময় করা হয়। এছাড়া সারাদিন খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বীরা একে অন্যের বাড়িতে শুভেচ্ছা বিনিময় করে যীশু খ্রিষ্টের জন্মদিন পালন করবেন।

পাঠকের মন্তব্য