সামরিক মহড়ার দ্বিতীয় দিনে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা

সামরিক মহড়ার দ্বিতীয় দিনে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা

সামরিক মহড়ার দ্বিতীয় দিনে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা

ইসলামি প্রজাতন্ত্র ইরানের নৌবাহিনী বিশাল আকারের সামরিক মহড়ার দ্বিতীয় দিনে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষা চালিয়েছে। পারস্য উপসাগরে অবস্থানরত কয়েকটি যুদ্ধজাহাজ থেকে এসব ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র ছোঁড়া হয়। পাশাপাশি ইরানের সমুদ্র উপকূল থেকেও ছোঁড়া হয় ক্ষেপণাস্ত্র।

এসব ক্ষেপণাস্ত্র ভারত মহাসাগরের উত্তরাঞ্চলে ও মহড়া এলাকায় অবস্থিত নকল লক্ষ্যবস্তুতে সফলভাবে আঘাত হানতে সক্ষম হয়।   

ওমান সাগরের জলরাশির বিশাল এলাকায় গতকাল (বুধবার) দুইদিনব্যাপী এ মহড়া শুরু হয় এবং আজ শেষ দিনে এসব ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষা করা হলো। এবারের মহড়ার নাম দেয়া হয়েছে একতেদার-ই-দারিয়া বা নৌ শক্তি-৯৯।

মহড়ার মুখপাত্র রিয়ার অ্যাডমিরাল হামজাহ আলী কাভিয়ানি বলেন, ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্রের ক্ষেত্রে ইরানের উঁচু পর্যায়ের সক্ষমতা রয়েছে। ইরানি নৌবাহিনীর হাতে বিভিন্ন পাল্লার বিপুল পরিমাণে এসব ক্ষেপণাস্ত্র থাকায় নৌযুদ্ধের ক্ষেত্রে ইরানি নৌবাহিনী কার্যকর শক্তিতে পরিণত হয়েছে।

ইরানের এ সামরিক কর্মকর্তা বলেন, এবারের মহড়ায় ব্যবহৃত কিছু অস্ত্র ও সিস্টেমের কথা গোপন রাখা হয়েছে, এখনো তা প্রকাশ করা হয় নি। অ্যাডমিরাল কাভিয়ানি বলেন, শত্রুদের জানা উচিত যে, তারা যদি ইরানের পানিসীমা লঙ্ঘন করে তাহলে ইরানি সেনারা উপকূল ও সমুদ্র থেকে ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে তাদেরকে জবাব দেবে।

পাঠকের মন্তব্য