অস্ত্র মামলায় সাহেদ করিমের বিচার শুরু

অস্ত্র মামলায় সাহেদ করিমের বিচার শুরু

অস্ত্র মামলায় সাহেদ করিমের বিচার শুরু

মহামারী করোনা ভাইরাস পরীক্ষায় অনিয়ম ও জালিয়াতির সূত্র ধরে গ্রেপ্তার হওয়া রিজেন্ট হাসপাতালের চেয়ারম্যান মো. সাহেদ ওরফে সাহেদ করিমের বিরুদ্ধে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনের ২টি মামলায় সাতক্ষীরা আদালতে অভিযোগ গঠন করা হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার (২৮ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় সাতক্ষীরা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের জ্যেষ্ঠ বিচারক শেখ মফিজুর রহমান অভিযোগ গঠন শেষে ২৩ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্য গ্রহণের দিন নির্ধারণ করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আজ আদালতে হাজির করা হলে জ্যেষ্ঠ বিচারক শেখ মফিজুর রহমানের কাছে কথা বলার অনুমতি চান সাহেদ। অনুমতি দেওয়ার পর তিনি নিজেকে নির্দোষ দাবি করে বলেন, তাকে ঢাকা থেকে ধরে এনে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে সাতক্ষীরায় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত ২টি মামলায় অভিযোগ গঠনের পর ২৩ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যের দিন ধার্য করা হয়। পরে তাকে আবারও সাতক্ষীরা কারাগারে নেওয়া হয়। এ ২টি মামলার সাহেদ একমাত্র আসামি। অভিযোগ গঠনের মধ্য দিয়ে এই ২ মামলার বিচার শুরু হলো।

সাতক্ষীরা আদালতের পুলিশ পরিদর্শক অমল কুমার রায় জানান, গত বছরের ১৫ জুলাই ভোরে সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার শাখরা কোমরপুর এলাকা দিয়ে ভারতে পালানোর চেষ্টা করেন। বোরকা পরিহিত সাহেদকে কোমরপুর বেইলি সেতুর নিচ থেকে র‌্যাব-৬-এর সদস্যরা গোপন সংবাদে তাকে গ্রেপ্তার করেন। এ সময় তার কাছে থাকা ১টি অবৈধ পিস্তল, ৩ রাউন্ড গুলি, ২ হাজার ৩৩০ ভারতীয় রুপি, ৩টি ব্যাংকের এটিএম কার্ড ও মুঠোফোন জব্দ করা হয়।

ওই দিন সকালে সাতক্ষীরা থেকে হেলিকপ্টারযোগে তাকে ঢাকায় নিয়ে যাওয়া হয়। এ ঘটনায় র‌্যাবের ডিএডি নজরুল ইসলাম বাদী হয়ে অস্ত্র ও বিশেষ ক্ষমতা আইনে দেবহাটা থানায় সাহেদ করিম ও জনৈক বাচ্চু মাঝিকে আসামি করে একটি মামলা করেন। তদন্ত কর্মকর্তা দেবহাটা থানার পরিদর্শক উজ্জল কুমার মৈত্রের হাত ঘুরে র‌্যাবে কর্মরত উপ-পরিদর্শক (এসআই) রেজাউল করিম তদন্ত কর্মকর্তার দায়িত্ব পান। ওই বছরের ২৪ আগস্ট বাচ্চু মাঝির হদিস না পেয়ে শুধু সাহেদ করিমকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করা হয়।

পাঠকের মন্তব্য