মিয়ানমারে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা চায় চীন

মিয়ানমারে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা চায় চীন

মিয়ানমারে রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা চায় চীন

বেশ কয়েক ঘণ্টা পর মুখ খুললো চীন। মিয়ানমারের অন্যতম মিত্ররাষ্ট্র হচ্ছে চীন। সামরিক অভূ্যথানের পর দেশটির প্রতিক্রিয়ার অপেক্ষায় ছিল গোটা বিশ্ব। চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র জানিয়েছে, সংবিধান এবং আইন মেনে সব পক্ষ সঠিকভাবে তাদের বিভেদ কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে।

আজ সোমবার ভোরে অভিযান চালিয়ে রাষ্ট্রীয় উপদেষ্টা অং সান সু চি এবং ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষস্থানীয় নেতাদের আটক করে মিয়ানমারের ক্ষমতা দখল করেছে দেশটির সেনাবাহিনী।

রাজধানী নেপিডো ও প্রধান শহর ইয়াঙ্গুনের রাস্তায় রাস্তায় টহল দিতে শুরু করে সামরিক বাহিনীর সদস্যরা। এমন অবস্থায় চীন বলছে, তারা এ সংক্রান্ত তথ্য সংগ্রহ করছে এবং পরিস্থিতির দিকেও নজর রাখছে। মিয়ানমারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক অংশীদার চীন। দেশটির খনি, অবকাঠানো এবং গ্যাস পাইপলাইনসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ রয়েছে চীনের।

সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ওয়াং ওয়েনবিন বলেন, মিয়ানমারে কী ঘটেছে, তা আমরা লক্ষ করেছি এবং এখন আমরা পরবর্তী পরিস্থিতি নিয়েও জানছি। চীন মিয়ানমারের প্রতিবেশী বন্ধু। আমরা আশা করি, সংবিধান এবং আইন মেনে সব পক্ষ সঠিকভাবে তাদের বিভেদ কাটিয়ে উঠতে পারবে এবং রাজনৈতিক ও সামাজিক স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনবে।

গত নভেম্বরে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সু চির ন্যাশনাল লিগ ফর ডেমোক্র্যাসি (এনএলডি) সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করে। তবে, এ ফলাফল নিয়ে মিয়ানমারের বেসামরিক সরকার এবং প্রভাবশালী সামরিক বাহিনীর মধ্যে কয়েকদিন ধরে দ্বন্দ্ব ও উত্তেজনা চলতে থাকায় এ সামরিক অভ্যুত্থান ঘটেছে বলে জানায় বিবিসি।

পাঠকের মন্তব্য