তড়িঘড়ি সংবাদ সম্মেলনের ইতি টানলেন বেরোবি'র শিক্ষকরা

তড়িঘড়ি সংবাদ সম্মেলনের ইতি টানলেন বেরোবি'র শিক্ষকরা

তড়িঘড়ি সংবাদ সম্মেলনের ইতি টানলেন বেরোবি'র শিক্ষকরা

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমউল্লাহর অনিয়ম দুর্নীতির শ্বেতপত্র প্রকাশে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সদুত্তর দিতে না পেরে তড়িঘড়ি করে সংবাদ সম্মেলনে শেষ করলেন শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্চারীদের একাংশের সংগঠন অধিকার সুরক্ষা পরিষদের নেতারা।শনিবার (১৩ মার্চ) বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ায় আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ শেষে প্রশ্নোত্তর পর্বে শিক্ষার্থীদের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয় না থাকা,শ্বেতপত্রের অধিকাংশ পৃষ্টা পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদের কাটিং থাকা নিয়ে সাংবাদিকদের তোপের মুখে পড়েন সুরক্ষা পরিষদের নেতারা।এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের সদুত্তর না দিয়েই সংবাদ সম্মেলন শেষ হয়।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকার সুরক্ষা পরিষদের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মতিউর রহমান লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

লিখিত বক্তব্যে ভিসির বিরুদ্ধে বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগের কথা উঠে আসলেও শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা,প্রতিষ্ঠার এক যুগেও নিজ ক্যাম্পাসে চাকরি বঞ্চিত,অনলাইন ক্লাস চালু না থাকা,শিক্ষার্থীদের নূন্যতম সুযোগ সুবিধা না থাকাসহ শিক্ষার্থীদের দুর্দশার কথা তারা কেন বলছেন না প্রশ্ন করা হলে তার সদুত্তর দিতে পারেননি।এছাড়াও ৩য় ও ৪র্থ শ্রেণীর কর্মচারীরা বিভিন্ন দাবীতে দীর্ঘদিন ধরে আন্দোলন করে আসলেও লিখিত বক্তব্যে উপেক্ষিত থেকেছেন তারা।

প্রতিষ্ঠাকাল থেকে আন্দোলন আর বেরোবি যেনো একে অন্যের পরিপূরক হয়ে উঠেছে।শুরুর দিকে উপাচার্যের জয়গান ও শেষ সময়ে বিরোধিতা যেনো প্রথা হয়ে উঠেছে বেরোবিতে।

সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ড. মতিউর রহমান।এ সময় তিনি  বলেন, বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক হিসেবে আমরা লজ্জিত। আমরা আপনাদের সামনে গবেষণাপত্র বা গবেষণার ফল প্রকাশ না করে উপাচার্যের অনিয়ম-দুর্নীতি ও স্বেচ্ছাচারিতা প্রকাশ করছি। শ্বেতপত্র প্রকাশ করার কারণ হচ্ছে জনগণের টাকায় পরিচালিত এই বিশ্ববিদ্যালয় যেন সঠিকভাবে চলে এবং একজন উপাচার্য যেন স্বেচ্ছাচারি ও দুর্নীতিপরায়ণ না হয়ে প্রকৃত অভিভাবক হয়ে দেশ-দেশান্তরে শিক্ষার দ্যুতি ছড়িয়ে দেন। আমরা জানি অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধে গণমাধ্যম সহায়ক ভূমিকা পালন করে। অনিয়ম-অসঙ্গতি-দুর্নীতি তুলে ধরে সরকারকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণে সহায়তা করতে পারে গণমাধ্যম।

পাঠকের মন্তব্য