অভ্যন্তরীণ কোন্দলে আ'লীগ; বাড়ছে সাংগঠনিক দুর্বলতা 

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ

অভ্যন্তরীণ কোন্দলে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক দুর্বলতা প্রকট হয়ে উঠছে। ক্ষমতা কেন্দ্রিক রাজনীতি ও প্রত্যাশার আধিক্যই এর মুল কারণ। আর এর সুযোগ নিচ্ছে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী। প্রজন্মকণ্ঠের অনুসন্ধানে এমনটাই মতামত জানিয়েছেন তৃণমূল নেতাকর্মীরা। 

রবিবার, হেফাজতের হরতালের সময় তাণ্ডব চালালে তা নিয়ে জনমনে সৃষ্টি হয় আতঙ্ক। ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় হেফাজতের এমন তাণ্ডবের বিরুদ্ধে কোনপ্রকার প্রতিরোধ গড়ে তুলতে পারেনি স্থানীয় আওয়ামী লীগ। যা দলের সাংগঠনিক দুর্বলতাকে সামনে নিয়ে আসে। 

বিষয়টি নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে তৃণমূল নেতাকর্মীরা। তৃনমূলের নেতাকর্মীরা বলছেন, যখনই তাঁরা দেখে স্বাধীনতা স্বপক্ষের শক্তির বিভাজন তখনই তাঁরা এই সুযোগটা নেয়। আমাদের দলের ভিতরে যতই দ্বন্দ, কোলাহল স্বার্থের রাজনীতি থাকুক না কেন এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে এগুলো পাশে রেখে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে। ঐক্যবদ্ধ আওয়ামী লীগের সেই সামর্থ্য আছে। 

দলীয় কোন্দল নিরসনে সাংগঠনিক অনেক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। তবে, তা এতদিন ব্যর্থ হয়েছে বলে মনে করে না সাংগঠনিক সম্পাদকেরা। 

আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বি এম মোজাম্মেল হক বলেন, কিছু সাংসদ মনে করেন দল তাঁদের অনুগত থাকলে মনোনয়ন পেতে তাঁদের সুবিধা হয়। অনেক পুরাতন এবং দুঃসময়ের নেতা আছেন তাঁদের একটা অহংকারবোধ, প্রতিযোগিতা এবং প্রতিদ্বন্দ্বীতা আছে যখনই সেটা প্রতিহিংসায় রুপ নেয় তখনই এসব ঘটনা ঘটে। 

এদিকে দলীয় কোন্দল নিরসনে ইতিমধ্যেই সাংগঠনিক সম্পাদকের পদ রদবদল করা হয়েছে। এখন থেকে রংপুর বিভাগে সাংগঠনিক সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন শফিক, সিলেট বিভাগীয় দায়িত্বে আহমদ হোসেন, খুলনা বিভাগীয় দায়িত্বে বি.এম মোজাম্মেল হক, চট্টগ্রাম বিভাগীয় দায়িত্বে আবু সাঈদ আল মাহমুদ স্বপন, রাজশাহী বিভাগীয় দায়িত্বে এস.এম কামাল হোসেন, ঢাকা বিভাগীয় দায়িত্বে মির্জা আজম, বরিশাল বিভাগীয় দায়িত্বে অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন এবং ময়মনসিংহ বিভাগীয় দায়িত্বে শফিকুল আলম চৌধুরী। 

উগ্র সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে মোকাবেলা করতে দলকে ঐক্যবদ্ধ রাখার কোন বিকল্প নেই বলেই মনে করেন কেন্দ্রীয় এ নেতা। 

পাঠকের মন্তব্য