মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য

রাজধানীর গুলশানের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে থেকে কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় একের পর এক চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে। 

জানা গেছে, ফেসবুকে কিছু ছবি আপলোড করাকে কেন্দ্র করে মুনিয়ার সঙ্গে মামলার একমাত্র আসামী বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের মনোমালিন্য শুরু হয়। এছাড়াও গুলাশানের ওই বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে মাসে ১ লাখ ১১ হাজার টাকায় ভাড়া নিয়ে থাকতেন মুনিয়া। সেখানে বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীরের নিয়মিত যাতাযাত ছিলো। 

এর আগে সোমবার সন্ধ্যায় রাজধানীর গুলশানের একটি ফ্ল্যাট থেকে গলায় ওড়না প্যাঁচানো অবস্থায় মুনিয়ার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই ঘটনায় ‘আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেয়া’র অভিযোগে সায়েম সোবহান আনভীরের বিরুদ্ধে গুলশান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছেন ওই তরুণীর বোন নুসরাত জাহান। 

মামলার সুত্রে জানা যায়, কলেজছাত্রী মোসারাত জাহান মুনিয়ার সঙ্গে সায়েম সোবহান আনভীরের সম্পর্ক দুই বছরের। সায়েম সোবহান আনভীর এক বছর ধরে মুনিয়াকে বনানীর একটি ফ্ল্যাটে রাখেন। গত মার্চে গুলশানের ওই ফ্ল্যাটে উঠেন মেয়েটি। গত ২৩ এপ্রিল ইফতার পার্টি হয় ওই বাসায়। সেই পার্টির ছবি ফেসবুকে আপলোড করা নিয়ে মুনিয়ার সঙ্গে সায়েম সোবহান আনভীরের মনমালিন্য সৃষ্টি হয়। তারপর ওই তরুণী তাঁর বোনকে ফোন করে জানান, তিনি ঝামেলায় পড়েছেন। 

এদিকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ১মিনিট ৩০ সেকেন্ডের একটি ফোনরেকর্ড ব্যাপক ভাইরাল। বিভিন্ন গণমাধ্যমে দাবি করা হচ্ছে, ভাইরাল ফোন রেকর্ডটিতে যে দুইজনের কণ্ঠস্বর শোনা যাচ্ছিলো তারা হলেন- মোসারাত জাহান মুনিয়া ও বসুন্ধরা গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) সায়েম সোবহান আনভীর।

ভাইরাল ফোনরেকর্ডে পুরুষ কণ্ঠের ব্যক্তিকে বলতে শোনা যায়, আমার টাকাটা দিয়া দিস, তুইই আমার টাকা নিছস। তরুণী বলেন, আল্লাহরে ভয় পান না আপনি ? আপনাকে কে বলছে আমি ৫০ লাখ টাকা নিছি, আমি কোনো টাকা নেই নাই। উত্তরে পুরুষ ব্যক্তিটি অন্যপাশ থেকে ওই তরুণীকে বারংবার অকথ্য ভাষায় গালাগালি করেন এবং বাড়িতে পুলিশ নিয়ে আসাসহ তরুণীর চৌদ্দগোষ্ঠিকে দেখে নেয়ার ভয় দেখান।

পাঠকের মন্তব্য