এ কেমন লকডাউন, জনমনে প্রশ্ন

এ কেমন লকডাউন, জনমনে প্রশ্ন

এ কেমন লকডাউন, জনমনে প্রশ্ন

মোঃ শরীফ হোসেন; লক্ষীপুর প্রতিনিধি : ঈদ আর শপিং, এ দুটো একই সূত্রে গাঁথা। তবে পরিস্থিতি ভিন্ন হওয়ায় সরকার করেছে লকডাউন আর বিধি হয়েছে বাম। একদিকে করোনার মহামারি অন্যদিকে ঈদের আমেজ। পরিস্থিতি কি আসলেই সময়ের সাথে পরিবর্তনশীল ?

করোনার ঝুঁকি যতই থাকুক পরিবারের সদস্যদের আবদার, ঐতিহ্য আর সামর্থ্যের সবটুকু উজাড় করে সবার মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টা কে না করে ? প্রয়োজন যতটা, তারচেয়ে বেশি উদযাপনকে কেন্দ্র করে মানুষজন ভীড় করছে শপিংমলগুলোতে। যে যার সাধ্য অনুযায়ী করছে শপিং। এদিকে করোনার সংক্রমণকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে কেনাকাটায় মশগুল যেমন, তেমনি রাস্তাঘাটেও হচ্ছে প্রচুর জ্যাম।

রায়পুর শহরও এর ব্যতিক্রম। আজ সকাল হতেই সরেজমিনে দেখা গেছে, উপজেলার মেইন রোডসহ সকল অলিগলিই ছোটবড় ট্রাক, সিএনজি, মাইক্রোবাস, প্রাইভেট কার, অটোরিকশার দখলে। সাধারন পথচারীর চলাফেরা কষ্টকর।
 
আসন্ন ঈদ উল ফিতর কে কেন্দ্র করে শহর ফেরত মানুষের চাপ, সাথে ঈদের শপিং আর অতিরিক্ত যানবাহনের চাপে অতিষ্ঠ শহরবাসী। একদিকে সরকারের নির্দেশিত লকডাউন অন্যদিকে শপিংমল খোলা, একি এক দেশে দুই নীতি নয়? এ দু নীতি অবস্থান নিয়ে সাধারন জনগন হতে সচেতন মহল সবার একই প্রশ্ন, এ কেমন লকডাউন ? 

এ প্রশ্নের উত্তর সময় বলে দিবে।তবে এমন অসচেতন চলাফেরায় আতংক বিরাজ করছে সুধী মহলে।এই ঈদের আনন্দ খুঁজতে গিয়ে না আবার করোনাকে আপন করা হয়, পরিনত হয় ইতালি কিংবা ব্রাজিল, ভারতের মত মৃত্যুপুরী!

তাই সরকারের এ ব্যাপারে আরেকটু কঠোর অবস্থানের পাশাপাশি সাধারন জনগনের উচিত সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে এবং মাস্ক পরে নিরাপদ থাকার চেষ্টা করা। একটু সচেতনতাই হয়তো আগামী দিনে একটি সুন্দর উপভোগ্য দিন উপহার দিতে পারবে।

পাঠকের মন্তব্য