নীলফামারী-চওড়া সড়কে ট্রাকের চাপায় নিহত ১ 

নীলফামারী-চওড়া সড়কে ট্রাকের চাপায় নিহত ১ 

নীলফামারী-চওড়া সড়কে ট্রাকের চাপায় নিহত ১ 

বাবা হাফিজ উদ্দিনের মৃত্যু হয়েছে চল্লিশ দিন আগে। শনিবার বাড়িতে আয়োজন করা হয় বাবার চল্লিশা অনুষ্ঠান। ওই অনুষ্ঠানের বাজার করতে গিয়ে সড়কে ট্রাক চাপায় প্রাণ হারালেন ছেলে আতিকুর রহমান (৩০)।

শনিবার দুপুর আড়াইটার দিকে নীলফামারী-চওড়া সড়কে খেতারডাঙ্গা নামক স্থানে ঘটনাটি ঘটে। নিহত আতিকুরের বাড়ী নীলফামারী সদরের চওড়াবড়গাছা ইউনিয়নের কাঞ্চনপাড়া ভাঙ্গামাল্লি গ্রামে। তিনি দিনাজপুরের খানসামা উপজেলার পাকেরহাট ইসলামী ব্যাংকে জুনিয়র কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন বলে জানান সদর থানার পরিদর্শক মো. আব্দুর রউপ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বারত দিয়ে নীলফামারী সদর থানার উপ-পরিদর্শক মো. ওয়াহেদ আলী জানান, মাথায় হেলমেড বিহীন দ্রুতগতিতে মোটসাইকেলে চালাচ্ছিলেন আতিকুর রহমান। এসময় হালিবাসা থেকে চওরাবাজার গ্রামী একটি ট্রাক (দিনাজপুর-ট-০২-০০৯৩) তার মোটর সাইকেলের সামনা সামনি আসায় মোটসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ট্রাকের পিছনের চাকায় পড়ে পিষ্ট হয়ে মারা আতিকুর রহমান।

নিহতের বড়ভাই ছদরুল ইসলাম ভুট্টু জানান, ‘৪০ দিন আগে আমাদের বাবা হাফিজুর রহমানের মারা যান। শনিবার বিকালে বাড়িতে আয়োজন করা হয় বাবার মিলাদ ও দোয়ার অনুষ্ঠান। ওই অনুষ্ঠানের বাজার কেনার জন্য দুপুর আড়াইটার দিকে বাড়ি থেকে মোটরসাইকেল নিয়ে বের হয় ছোট ভাই আতিকুর রহমান। এর কিছুক্ষণ পর বাড়িতে খবর ট্রাকের নিচে পড়ে আতিকুর মারা গেছে। সে ইসলামী ব্যাংক দিনাজপুরের খানসামা উপজেলা শাখায় জুনিয়র কর্মকর্তা হিসাবে কর্মরত ছিলেন।’

নীলফামারী সদর থানার পরিদর্শক মো. আব্দুর রউপ ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,‘চিকিৎসকের প্রত্যয়নের ভিত্তিতে মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। ট্রাকসহ চালক আব্দুর রশিদসহ (৫৫) আটক করে থানায় নেয়া হয়েছে। ওই চালককের বাড়ি দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায়। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষে এখনো কোন লিখিত অভিযোগ পাওয়া যায়নি।’

পাঠকের মন্তব্য