Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২২ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ১০:০৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
এরশাদের বিরুদ্ধে করা মঞ্জুর হত্যা মামলার প্রতিবেদন দাখিল, আগামী ১৮ নভেম্বর নির্বাচন সামনে রেখে শিগগিরই সারাদেশে অবৈধ অস্ত্রের বিরুদ্ধে সাঁড়াশি অভিযান শুরু জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে ২৮ রানে জয় পেলো বাংলাদেশ  সাম্প্রতিক সৌদি আরব সফর : প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন, আগামীকাল গাজীপুরের বঙ্গবন্ধু হাইটেক সিটির জন্য চালু হচ্ছে ঢাকা-কালিয়াকৈর ট্রেন সার্ভিস শিগগিরই ছোট হচ্ছে মন্ত্রিসভা আপনার কথায় অস্ট্রেলিয়ায় থাকা আমার মেয়েও লজ্জিত : মঈনুলকে ফোনে মির্জা ফখরুল  আমরা আর দুর্নীতিতে বিশ্ব চ্যাম্পিয়ান হতে চাইনা, সমৃদ্ধ উন্নত বাংলাদেশ চাই : স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী  সিলেটে সমাবেশ করার অনুমতি পেয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট  ইমরুলের সেঞ্চুরিতে ৮ উইকেট হারিয়ে টাইগারদের সংগ্রহ ২৭১ রান

পলাতক ইদ্রিস আলী সরদারকে (৬৭) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ৫ ডিসেম্বর ২০১৬ ১১:৫১ এএম:
 পলাতক ইদ্রিস আলী সরদারকে (৬৭) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল

মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় শরীয়তপুরের পলাতক ইদ্রিস আলী সরদারকে (৬৭) মৃত্যুদণ্ড দিয়েছেন ট্রাইব্যুনাল।
আজ সোমবার দুপুরে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চেয়ারম্যান বিচারপতি আনোয়ারুল হকের নেতৃত্বে তিন সদস্যের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন প্রসিকিউটর রেজিয়া সুলতানা চমন।

এর আগে গত ২ নভেম্বর উভয়পক্ষের শুনানি শেষে মামলাটি রায়ের জন্য অপেক্ষামাণ রাখেন আদালত। এই মামলায় আটক আরেক আসামি মো. সুলা্ইমান মোল্লা (৮৪) সম্প্রতি ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যাওয়ায় তাকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। গত বছরের ২২ ডিসেম্বর শরীয়তপুরের মো. সুলা্ইমান মোল্লা ও ইদ্রিস আলী সরদার বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।

গত বছরের ২৯ অক্টোবর হত্যা, গণহত্যা, ধর্ষণ, নিযাতন, লুণ্ঠন, অগ্নিসংযোগসহ চার অভিযোগে তাদের বিরুদ্ধে তদন্তের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ করে তদন্ত সংস্থা।
আসামিরা শরীয়তপুর জেলার পালং থানার ৫ নম্বর ওয়ার্ডের কাশিপুর মুসলিম পাড়ার অধিবাসী।

তদন্ত সংস্থা সূত্রে জানা গেছে, সোলায়মান মোল্লা ১৯৬৩ সালের পর মুসলিম লীগের নেতা হিসেবে শরীয়তপুর জেলার পালং থানার সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। আর গাজী ইদ্রিস আলীও একই ধরনের মানবতাবিরোধী অপরাধ করেন। তিনি ১৯৬৯ সালে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ‘ইসলামী ছাত্র সংঘের’ নেতা ছিলেন।
১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযোদ্ধের সময় ইদ্রিস ইসলামী ছাত্র সংঘের সক্রিয়কর্মী ছিলেন। গত বছরের ১৫ জুন থেকে সোলায়মান মোল্লা আটক ছিলেন। আসামি ইদ্রিস আলী এখনও পলাতক।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top