Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১৯ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:০৩ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ড. কামাল হোসেনের গাড়িবহরে হামলার ঘটনায় মামলা সারা দেশে ব্যাপক শ্রদ্ধা-ভালোবাসায় বিজয় দিবস উদযাপন বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টকে ভোট না দেয়ার আহ্বান খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে সংগ্রাম চলছে, চলবে : ফখরুল  ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে ভোটারদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন প্রধানমন্ত্রী বিজয় দিবসে একাত্তরের বীর শহীদদের প্রতি প্রেসিডেন্ট ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা গণমানুষের শেখ মুজিব, ইতিহাসের মহানায়ক বিজয় দিবসের বীর শ্রেষ্ঠরা বীরত্বের এক অবিস্মরণীয় দিন, মহান বিজয় দিবস আজ নির্বাচনে নিরাপত্তার ছক চুড়ান্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী

নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা বড় চ্যালেঞ্জ 


ব্যাংকিং নিউজ

আপডেট সময়: ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ১১:১৪ এএম:
নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা বড় চ্যালেঞ্জ 

রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোয় সুশাসনের বড় প্রয়োজন বলে মনে করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ফজলে কবির। তিনি বলেন, বর্তমানে ব্যাংক খাতে বিশেষ করে রাষ্ট্রমালিকানাধীন ব্যাংকগুলোয় যেটি সবচেয়ে বড় প্রয়োজন, তা হলো সুশাসন। সুশৃঙ্খলভাবে নিয়ম-নীতি অনুসরণ করে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালনা করা সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।

গতকাল শনিবার রাজধানীর আর্মি গলফ গার্ডেনে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের বার্ষিক ব্যবস্থাপক সম্মেলন ২০১৭-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, নিয়ম-নীতি অনুসরণ করেই ব্যাংকগুলোকে সবকিছু করতে হবে।

গভর্নর বলেন, আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকে সুশৃঙ্খলভাবে ব্যাংকিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়ে আসছে। যা অন্যান্য বিশেষায়িত ব্যাংকগুলো থেকে আলাদা। তবে এ ব্যাংকে বাণিজ্যিক উইন্ডো চালু হলে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সব ধরনের নিয়ম-নীতি যথাযথভাবে মেনে চলতে হবে। ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশনে এ ব্যাংক বড় ভূমিকা রাখছে বলে জানান তিনি।

ঋণ প্রদানের ক্ষেত্রে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংককে এসএমই’র দিকে নজর দিতে আহ্বান জানান গভর্নর। তিনি বলেন, যদিও এ ব্যাংকটি বড় ঋণ দেয় না; তাই উদ্যোক্তা তৈরিতে এসএমই ঋণ দেওয়ার আহ্বান জানান তিনি। এক্ষেত্রে ম্যানুফ্যাকচারিং খাতকে গুরুত্ব দিতে হবে।

কৃষি ও পল্লি উন্নয়নে বাংলাদেশ ব্যাংক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে বলে জানান ফজলে কবির। তিনি বলেন, কৃষি ও পল্লি খাতে বাংলাদেশ ব্যাংকের ১২০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন তহবিল রয়েছে। তবে এ খাতে আরও ১০০ কোটি টাকা পাইপলাইনে আছে। এ খাতে আরও ২০০ কোটি টাকা বৃদ্ধির পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। যা সিদ্ধান্তের পর্যায়ে আছে বলে জানান গভর্নর।

সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগের সিনিয়র সচিব মো. ইউনুসুর রহমান বলেন, বর্তমানে আনসার-ভিডিপির ৬১ লাখ সদস্য রয়েছেন। যার মধ্যে অর্ধেকই নারী। দেশের ১৬ কোটি মানুষের মধ্যে আড়াই কোটি লোক এ ব্যাংকের সঙ্গে সম্পৃক্ত। ব্যাংকটিতে সরকারের ৬৮ শতাংশ শেয়ার এবং আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের ৩২ শতাংশ শেয়ার রয়েছে। তবে ব্যাংকটিতে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের শেয়ার বাড়ানো উচিত।

আনসার-ভিডিপি সদস্যদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ব্যাংকটিতে সরকারের শেয়ার কমালে এটি আরও ভালো চলবে। জবাবদিহিতা বাড়বে। ম্যানেজমেন্ট শক্ত হবে। কেননা যেসব ব্যাংকে সরকারের শেয়ার বেশি, সেসব ব্যাংকের অধঃপতন হচ্ছে। তাই ধীরে ধীরে নিজেদের শেয়ার বাড়ানো উচিত।

সম্মেলনে সভাপতির বক্তব্যে বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর মহাপরিচালক এবং আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালনা পর্যদের চেয়ারম্যন মেজর জেনারেল শেখ পাশা হাবিব উদ্দিন বলেন, এ ব্যাংককে ডিজিটাল ব্যাংকিংয়ে রূপান্তরের কার্যক্রম হাতে নেওয়া হয়েছে। আমাদের আনসার ও ভিডিপি সদস্যরা সবাই যাতে সব ব্যাংকিং সুবিধা পেয়ে থাকেন, সে উদ্দেশ্যেই এ ব্যাংক প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। আনসার বাহিনীর সব আর্থিক কার্যক্রম এ ব্যাংকের মাধ্যমে হলে শিগগিরই ব্যাংকটি এগিয়ে যাবে। আগামীতে সব উপজেলায় এ ব্যাংকের শাখা খোলা হবে বলে জানান তিনি।

সম্মেলনে আরও বক্তব্য রাখেন অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক মইনুল ইসলাম, সংস্কৃতি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংকের পরিচালক সৈয়দ মো. মতলুবুর রহমান, বাংলাদেশ  আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনীর অতিরিক্ত মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মুহম্মদ নুরুল আলম প্রমুখ।

প্রসঙ্গত, আনসার ও ভিডিপি সদস্যদের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড পরিচালনার জন্য ঋণ সহযোগিতা দিয়ে জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে আনসার-ভিডিপি উন্নয়ন ব্যাংক আইন ১৯৯৫ (১৯৯৫ সালের ২১ নং আইন) অনুসারে ১৯৯৬ সালের ১৮ নভেম্বর এ ব্যাংকের কার্যক্রম শুরু হয়। বর্তমানে এ ব্যাংকের ২৩৯টি শাখা ও ১৮টি আঞ্চলিক কার্যালয় রয়েছে। ব্যাংকটির অনুমোদিত মূলধনের পরিমাণ এক হাজার কোটি টাকা, ইস্যু করা মূলধন ৪০০ কোটি টাকা এবং পরিশোধিত মূলধন ১০৯ কোটি ৮৫ লাখ টাকা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top