Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ২১ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:০৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নির্বাচনি জোটের শরিক জাতীয় পাটি পবিত্র ঈদ-ই-মিলাদুন্নবী (সা.) আজ  প্রধানমন্ত্রীর হাতে ৩৮টি আসনের তালিকা তুলে দিয়েছেন বদরুদ্দোজা চৌধুরী হেলমেট পরে হামলার নির্দেশ দিয়েছিল বিএনপি নেতারা সেই তৃতীয় শক্তির নেতারা আজ কে কোথায় ?  বিদ্যুৎ খাতে দক্ষিণ কোরীয় বিনিয়োগ চাইলেন প্রধানমন্ত্রী বিদেশি টিভি চ্যানেলে দেশিপণ্যের বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধের নির্দেশ অধিকাংশ ইসলামী দলগুলি ভোটের মাঠে আওয়ামী লীগের সঙ্গে | প্রজন্মকণ্ঠ গত পাঁচ বছরে যেসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করেছে আ'লীগ সরকার | প্রজন্মকণ্ঠ #মি টু ঝড় এখন বাংলাদেশে 

গাজীপুর সিটির জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতায় শক্তিশালী মেয়রপ্রার্থী এড. জাহাঙ্গীর আলম


জাতীয় ডেষ্ক

আপডেট সময়: ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭ ৩:২৯ এএম:
গাজীপুর সিটির জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতায় শক্তিশালী মেয়রপ্রার্থী এড. জাহাঙ্গীর আলম

নিজস্ব প্রতিবেদক : একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে সাত সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনকে টেস্ট কেস হিসেবে দেখছে সরকার। গত নির্বাচনে পরাজয় থেকে শিক্ষা নিয়ে আগামী নির্বাচনে ৭ সিটির মধ্যে বেশির ভাগ সিটিতেই জয় চায় আওয়ামী লীগ। 

দায়িত্বশীল সূত্রে এ আভাস পাওয়া গেছে, এ জন্য চলছে আগাম প্রার্থী যাচাই-বাছাইয়ের কাজ। জয় এনে দিতে পারবেন এমন মেয়র প্রার্থীদের তালিকা চূড়ান্ত করেছেন দলের নীতিনির্ধারকরা। ইতোমধ্যে মেয়র প্রার্থীদের নিজ নিজ এলাকায় জনসংযোগ শুরুর নির্দেশও দেয়া হয়েছে। 

গাজীপুরে দুই শক্তিশালী প্রার্থীর মধ্যে চলছে মনোনয়ন লড়াই। মনোনয়ন পেতে আগাম প্রচারণায় ব্যস্ত রয়েছেন দুবার পৌর চেয়ারম্যান ও গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সভাপতি মেয়র আজমত উল্লাহ খান। তিনি মিউনিসিপ্যাল এসোশিয়েশন অব বাংলাদেশ (ম্যাব) এর কেন্দ্রীয় সভাপতি ছিলেন। 

অন্যদিকে আরেক শক্তিশালী প্রার্থী হচ্ছেন সদর উপজেলার সাবেক ভাইস চেয়ারম্যান এবং আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এডভোকেট জাহাঙ্গীর আলম। জাহাঙ্গীর আলম এর আগেও দুই দুবার মনোনয়ন চেয়েছেন; পাননি। এবার মনোনয়ন পেতে লবিং করছেন দুজনেই।

সর্বশেষ গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনে দলের নেতা এ্যাড. আজমত উল্লাহ খানকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দিয়েছিল। একই সঙ্গে ব্যাপক জনসমর্থন নিয়ে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছিলেন তরুণ নেতা এ্যাড. জাহাঙ্গীর আলম। অনেক নাটকীয়তার জন্ম দিয়ে পরে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ালেও জাহাঙ্গীরের ছায়া নির্বাচনজুড়ে তাড়া করেছে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে। 

গত নির্বাচনে  বিদ্রোহী প্রার্থী জাহাঙ্গীর আলম শেষ পর্যন্ত নির্বাচন থেকে সরে গেলেও এর একটা নেতিবাচক প্রভাব ফলাফলে পড়েছিল বলে নেতাকর্মীদের ধারণা। কেননা তৃণমূলে বেশ জনপ্রিয় জাহাঙ্গীরের মনোনয়ন না পাওয়া কিংবা তার নির্বাচন থেকে সরে যাওয়াটা মন থেকে মেনে নিতে পারেনি তার সমর্থক-অনুসারীরা। যদিও জাহাঙ্গীর তখন বলেছিলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে তিনি নির্বাচন থকে সরে দাঁড়ান।

গাজীপুরে বরাবরই আওয়ামী লীগের শক্ত রাজনৈতিক অবস্থান রয়েছে।  তবে গত নির্বাচনে বিএনপি-সমর্থিত প্রার্থী অধ্যাপক এম এ মান্নান আওয়ামী লীগের প্রার্থী আজমত উল্লাহ খানকে পরাজিত করে মেয়র নির্বাচিত হন। বিজয়ী বিএনপির অধ্যাপক আব্দুল মান্নান কারাগারে কারাগারেই মেয়াদকাল কাটিয়েছেন। 

পরিকল্পিত নগর হিসেবে গাজীপুরকে দেখার আগ্রহ ছিল নগরবাসীর। নির্বাচনের চার বছর পূরণ হলেও নগরের ৫৭টি ওয়ার্ডে ৩০ লাখ লোকের প্রত্যাশা পূরণের জায়গা একেবারেই ফাঁকা। এবার নির্বাচনে এটাকে কাজে লাগাতে চান আওয়ামী লীগের সম্ভাব্য প্রার্থীরা। 

এরমধ্যে গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন এ্যাড. জাহাঙ্গীর আলাম। মেয়র নির্বাচনের জন্য দীর্ঘদিন ধরে দলের ভিতরে বাইরে ব্যাপক কর্মকাণ্ড, জনসংযোগ ও সাংগঠনিক তৎপরতায় নিজেকে শক্তিশালী প্রার্থী হিসাবে দলের বাইরেও সকল মহলের কাছে গ্রহণযোগ্য করে তুলেছেন। 

জনমত রিপোর্টের ওপর ভিত্তি করে আওয়ামী লীগ হাই কমান্ড আগামী মেয়র নির্বাচনে তার মনোনয়ন নিশ্চিত করে সবুজ সংকেত দিয়েছেন। 

এরি মধ্যে এ্যাড. জাহাঙ্গীর আলম গাজীপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকার পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় পড়ুয়া ২৫ হাজার ছাত্রছাত্রীকে তার ফাউন্ডেশন থেকে প্রায় ৫ কোটি টাকার বৃত্তি প্রদান করেছেন। কারো কারো পুরো শিক্ষাব্যয় বহন করেছেন। সবাইকে সর্বনিম্ন ২০ হাজার থেকে লক্ষাধিক টাকা বৃত্তি প্রদান করেছেন। দলের বাইরে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষের সঙ্গে বৈঠক, বনভোজন, ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক পৃষ্ঠপোষকতা, ওয়াজ মাহফিল, তাবলীগ-জামায়াতের পক্ষে সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। 

রাজনৈতিক আলোচনায় ক্ষমতাসীন দলের সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন গাজীপুর মহানগর আওয়ামী লীগের  সভাপতি আজমত উল্লা খান ও সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম। এ ছাড়া  মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ও সিটির প্যানেল মেয়র আসাদুর রহমান কিরন ও মহানগর যুবলীগ আহ্বায়ক মো. কামরুল আহসান সরকার রাসেল মনোনয়ন চাইবেন।

ভোটার ও এলাকাবাসীকে শুভেচ্ছা জানিয়ে গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় টাঙ্গানো হয়েছে সম্ভাব্য প্রার্থীদের বিলবোর্ড, ব্যানার। কর্মী-সমর্থকরা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে নিজ নিজ প্রার্থীর পক্ষে সরব। আর দলীয় মনোনয়ন পেতে আওয়ামী লীগ ও বিএনপির আগ্রহী প্রার্থীরা দৌড়ঝাঁপ শুরু করেছেন।

তবে দলীয় সূত্রমতে, গাজীপুরে আজমত উল্লা খান ও জাহাঙ্গীর আলম দুজনই আওয়ামী লীগের সম্ভাবনাময় মেয়র প্রার্থী। তাদের মধ্য থেকে একজনকে দলীয় মনোনয়ন দেয়া হবে। তবে কে পাবেন তা এখনো নিশ্চিত নয়। সবকিছু নির্ভর করছে দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ওপর।

প্রসঙ্গত, নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা বলেছেন, চলতি বছরের ডিসেম্বর থেকে আগামী বছরের শুরুতেই ৭ সিটিতে নির্বাচনের প্রস্তুতি নিচ্ছে ইসি। ইসির নির্বাচনী রোডম্যাপে পর্যায়ক্রমে প্রথমে রংপুর, এর পর চার সিটি- বরিশাল, খুলনা, রাজশাহী ও সিলেট এবং শেষে গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনে নির্বাচন করার পরিকল্পনা রয়েছে ইসির।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top