Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ১:০২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
রাজধানীর নয়াপল্টনের ঘটনায় ৩ মামলা, গ্রেফতার ৬৫ বিএনপির নির্বাচনে আসার পিছনে ভিন্ন উদ্দেশ্য রয়েছে : মেনন  ডিসেম্বরের পরে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অসম্ভব নির্বাচন বানচাল করার জন্য বিনা উস্কানিতে এই নাশকতা : ওবায়দুল কাদের কী ঘটেছে রাজধানী ঢাকার নয়াপল্টনে ? দেশকে এগিয়ে নিতে বিশ্বাসঘাতকদের প্রয়োজন নেই : শেখ হাসিনা রাজধানীর নয়াপল্টনে পুলিশ-বিএনপির নেতাকর্মীদের সংঘর্ষ হেভিওয়েট প্রার্থীরা কে লড়বেন কার বিপক্ষে ভোটের মাঠে  নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে হয়রানি ও গায়েবি মামলার বিষয়ে আলোচনা হয়েছে : মির্জা ফখরুল সপ্তাহব্যাপী জাতীয় আয়কর মেলার দ্বিতীয় দিন শেষ হলো

পেট কাটার পর ডাক্তার নিশ্চিত হলেন রোগীর সমস্যা নেই!


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১৯ নভেম্বর ২০১৭ ১০:১৪ এএম:
পেট কাটার পর ডাক্তার নিশ্চিত হলেন রোগীর সমস্যা নেই!

ঢাকার কেরানীগঞ্জের সাজেদা হাসপাতালে প্রেগনেন্সি টেস্ট করাতে গিয়েছিলেন গৃহবধূ ফাতেমা আক্তার পপি। ইউরিন টেস্টের পর গাইনির ডাক্তার কাবেরী সালাম জানান, ‘রোগী  প্রেগনেন্ট’। এসময় তাকে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষা করতে পরামর্শ দেওয়া হয়। পরদিন রিপোর্ট নিয়ে ডাক্তারের কাছে গেলে জানানো হয়, রোগী প্রেগনেন্ট কিন্তু বাচ্চা জরায়ুতে নেই। সেটা টিউবের ভেতর রয়েছে। এসময় তিনি রোগী ও স্বজনদের ভয় দেখান দ্রুত অপারেশন করে টিউব কেটে ফেলতে হবে। অন্যথায় টিউব ফেটে রোগীর প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। অপারেশনের জন্য ১৮ হাজার টাকা কাউন্টারে জমা দিতে বলেন এবং ৩/৪ ব্যাগ রক্ত যোগাড় করে রাখতে বলেন।

আকস্মিক এমন খবরে রোগী ও স্বজনরা হতভম্ব হয়ে যান এবং রোগীর জীবন বাঁচাতে অপারেশনের সিদ্ধান্ত নেন। কিন্তু অপারেশন শেষে ডাক্তার জানান, রোগীর বাচ্চা জরায়ুতেই আছে, এমনকি তার টিউবও ভালো আছে। ডাক্তারের এমন কথায় রোগীর স্বজনদের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দেয়। সব কিছু ভালো থাকলে পেট কেটে অপারেশন করা হলে কেন? এমন প্রশ্ন ভুক্তভোগী পরিবারের।

ওই গৃহবধূর স্বামী কেরানীগঞ্জ প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক যুগান্তরের কেরানীগঞ্জ প্রতিনিধি আবু জাফর জানান, গত ১৪ নভেম্বর বিকালে তার স্ত্রীর অপারেশন করেন সাজেদা হাসপাতালের ডা. কাবেরী সালাম। তিনি জানিয়েছিলেন রোগীর অবস্থা খারাপ। দ্রুত অপারেশন করাতে হবে। অপারেশন শেষে তিনি পুনরায় জানান, রোগীর যে সমস্যা মনে করা হয়েছিল আসলে তার ওই রকম কোন সমস্যা ছিল না। এসময় ডাক্তারের কাছে জানতে চাওয়া হয়, সব কিছু ঠিক থাকলে রোগীকে অপারেশনের কথা বলে পেট কাটলেন কেন? এ বিষয়ে ওই ডাক্তার কোন সদুত্তর দিতে পারেননি।

আবু জাফর আরও অভিযোগ করেন, ভুল চিকিত্সা দেওয়ার পরও বিলের নামে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তার কাছ থেকে মোটা অংকের বিল হাতিয়ে নিয়েছে। গতকাল শনিবার তার স্ত্রীকে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। কাটা পেট নিয়ে রোগী বাড়ি ফিরেছেন। সুস্থ হতে মাসখানেক সময় লাগবে। এ ঘটনায় আবু জাফর কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় ডা. কাবেরী সালাম ও হাসপাতালের বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

এ বিষয়ে ডা. কাবেরী সালাম জানান, প্যাথলজিক্যাল রিপোর্টের কারণে তিনি অপারেশনের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। কিন্তু পেট কাটার পর দেখেন রোগীর এরকম সমস্যা নেই।

কেরানীগঞ্জ মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শাকের মোহাম্মদ যোবায়ের জানান, এ বিষয়ে লিখিত একটি অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।

 

সূত্রঃ ইত্তেফাক


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top