Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৭ , সময়- ১২:২২ পূর্বাহ্ন
Total Visitor:
শিরোনাম
আগামীকাল ফ্রান্সে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন হলো শেখ হাসিনা সফটওয়্যার পার্কের, কর্মসংস্থান ২০ হাজার তরুণের ক্ষমতাকে চিরস্থায়ী করতেই গুম খুনের পথ বেছে নিয়েছে সরকার রংপুর সিটি নির্বাচনে জয়ের অনেকটাই আশাবাদী আ.লীগ  ওআইসির সম্মেলনে যোগ দিতে তুরস্ক যাচ্ছেন রাষ্ট্রপতি যে কেউ জোট গঠন করতে পারে তবে এটিকে প্রতিপক্ষ হিসেবে দেখছি না :  এরশাদ মানুষের ওপর চেপে বসেছে দ্রব্যমূল্য বৃদ্ধির বোঝা  লুটপাট, মানি লন্ডারিং, দুর্নীতি, ঘুষ, অত্যাচার, নির্যাতন ছিল বিএনপির কাজ : প্রধানমন্ত্রী ইবির 'সি' ও 'জি' ইউনিট নিয়ে পৃথক তদন্ত মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘরের সপ্তাহব্যাপী বিজয় উৎসবের অনুষ্ঠান শুরু

আইন পেশায় রয়েছে উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়ার হাতছানি


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ২০ নভেম্বর ২০১৭ ২:০৪ পিএম:
আইন পেশায় রয়েছে উজ্জ্বল ক্যারিয়ার গড়ার হাতছানি

নামের আগে বিচারপতি, অ্যাটর্নি জেনারেল, অধ্যাপক (আইন), ব্যারিস্টার, অ্যাডভোকেট পদবিগুলো দেখতে কার না ভালো লাগে? এ পদবিগুলো যতটা আকর্ষণীয় এগুলো অর্জন করা ততটা সাধনার ব্যাপার। কঠিন পথ পাড়ি দিয়ে বহু প্রতিযোগিতা করে আইন পেশায় ভালো করতে হয়। যারা এ পেশায় আসতে চান তারা এসব জেনে বুঝেই আসেন।

আইনে ডিগ্রি ও খরচ : বর্তমানে তরুণ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের পছন্দক্রমের শীর্ষে উঠে এসেছে আইন বিষয়ে পড়ালেখা। মেধাবীরাই আইনে পড়তে আসছে। এক্ষেত্রে একটি সুবিধা হচ্ছে- যে কোনো ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থী বা পেশাজীবীর আইন পড়ার সুযোগ আছে। সে বিজ্ঞানের ছাত্র হোক, মানবিক, বাণিজ্য কিংবা মাদ্রাসা ব্যাকগ্রাউন্ডের হোক না কেন। আইন পেশায় আসতে হলে প্রথমে এইচএসসির পর পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় বা প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে চার বছর মেয়াদি এলএলবি অনার্স করতে হবে। পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়তে নামমাত্র খরচ হবে। আর প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে তা গিয়ে দাঁড়াবে ৩ থেকে ৮ লাখ টাকায়।

সনদ পরীক্ষা: পড়াশোনা শেষে আইন পেশায় নিয়োজিত হওয়ার জন্য বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট সনদ পরীক্ষায় পাস করতে হয়।

কাজের ক্ষেত্র: বলাই বাহুল্য, আইন পেশায় এখন যোগ হয়েছে নতুন নতুন মাত্রা ও সম্ভাবনা। বিসিএস ও অন্য যে কোনো নন ক্যাডারের চাকরি, ব্যাংক, স্বায়ত্তশাসিত ও বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানে চাকরির ক্ষেত্রে আইনের ছাত্রদের অন্য ব্যাকগ্রাউন্ডের শিক্ষার্থীদের মতো সমান সুযোগ আছে। তবে বিশেষ কিছু পেশা আছে যেখানে শুধু আইনের ছাত্ররাই কাজ করতে পারবেন, অন্যরা নয়। আইনজীবী হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করার সুযোগ ছাড়াও রয়েছে বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি-স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, আন্তর্জাতিক সংস্থা, বিভিন্ন বেসরকারি মানবাধিকার সংস্থা, বিভিন্ন দেশের দূতাবাস, বহুজাতিক কোম্পানি ও এনজিওতে আছে আইন কর্মকর্তা বা প্যানেল আইনজীবী হিসেবে কাজ করার সুযোগ।

রয়েছে জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে আদালতে যোগ দেওয়ার সুযোগ। এছাড়াও সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে, আইন কলেজে আইন বিভাগের গ্রাজুয়েটদের শিক্ষকতার সুযোগ রয়েছে।

ইনকাম ট্যাক্স আইনজীবী : যারা আইন বিষয়ে পড়াশোনা করেছেন, কিন্তু অ্যাডভোকেট না, তারাও চাইলে আয়কর আইনজীবী হিসেবে প্র্যাকটিসের জন্য জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ও ট্যাক্স বারের সদস্য পদের জন্য আবেদন করতে পারবেন। বাণিজ্য বিভাগে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারীরাও আয়কর আইনজীবী হওয়ার জন্য এনবিআরে আবেদন করতে পারেন। একই সঙ্গে তাদের ট্যাক্স বারের সদস্য হতে হয়। অ্যাডভোকেট এনরোলমেন্ট পরীক্ষায় উত্তীর্ণের পর ট্যাক্স বারের সদস্য হতে হবে। আবেদন করতে হবে নির্ধারিত ফরমে। আয়কর আইনজীবীরা আয়কর, সম্পদ, আমদানি শুল্ক, আবগারি শুল্ক ইত্যাদি বিষয়ে মামলা পরিচালনা করেন। তাদের আয়কর অধ্যাদেশ, ইনকাম ট্যাক্স রিটার্ন, সম্পদ বিবরণী ইত্যাদি বিষয়ে ভালো জ্ঞান রাখতে হয়।

করপোরেট ল’ প্র্যাকটিস অ্যান্ড লিটিগেশন: যিনি করপোরেশন আইনে বিশেষ জ্ঞান রাখেন, তিনি করপোরেট আইনজীবী। করপোরেট খাতে আইনজীবীদের কাজের ক্ষেত্র দিন দিন বাড়ছে। করপোরেট আইনজীবী হতে হলে কন্ট্রাক্ট ল, কোম্পানি রেজিস্ট্রেশন, ট্রেড লাইসেন্স, ট্যাক্স ল, অ্যাকাউন্টিং, সিকিউরিটি ল, দেউলিয়া আইন, মেধাস্বত্ব আইন সম্পর্কে ভালো জ্ঞান থাকতে হবে। আইন বিষয়ে পড়েও বা অ্যাডভোকেট হয়েও কোর্টে প্র্যাকটিস করতে না চাইলে বিভিন্ন ল’ ফার্মে কাজের সুযোগ পেতে পারেন। ল’ ফার্মগুলোয় বিভিন্ন কোম্পানির ডকুমেন্টেশন প্রস্তুত, লিগ্যাল অ্যাডভাইস দেওয়া, ফাইল তৈরি, মামলার ড্রাফট তৈরির কাজ করতে পারেন।

আরও কাজের ক্ষেত্র : বাংলাদেশে তেমন প্রচলন না থাকলে সাইবার ক্রাইম, ইমিগ্রেশন, স্পোর্টস ও মিডিয়া আইনজীবী হলে দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও পেতে পারেন কাজের সুযোগ। তথ্যপ্রযুক্তির প্রসারের ফলে সাইবার বিষয়ে নানা ধরনের আইন প্রণয়ন করা হচ্ছে। আর মিডিয়া, মিডিয়াকর্মী বা সেলিব্রিটিদের বিভিন্ন আইনি জটিলতার ক্ষেত্রে অভিজ্ঞদের কদর বাংলাদেশেও তৈরি হচ্ছে।

আয়: আইনজীবীদের আয়ের বিষয়টি নির্ভর করে অভিজ্ঞতা, ব্যক্তিগত দক্ষতা, সামাজিক যোগাযোগ, মামলার ধরন ও মক্কেলের ওপর। ৫০ হাজার থেকে ৫ লাখ টাকা পর্যন্ত আয় করতে পারেন সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগ ও আপিল বিভাগের একজন আইনজীবী। বার-অ্যাট-ল’ ডিগ্রি থাকলে মক্কেলদের কাছে বাড়ে গ্রহণযোগ্যতা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top