Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ১৮ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৬:৪৭ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নির্বাচনকালীন সম্ভাব্য নাশকতা মোকাবিলায় সর্বাত্মক প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার  একজন শিশুকে পিইসি পরীক্ষার জন্য যেভাবে পরিশ্রম করতে হয়, সত্যিই অমানবিক : সমাজকল্যাণমন্ত্রী নির্বাচনকে সামনে রেখে আদর্শগত নয়, কৌশলগত জোট করছে আওয়ামী লীগ : সাধারণ সম্পাদক থার্টিফার্স্ট উদযাপন নিষিদ্ধ : স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানের স্বার্থে পেশাদারিত্ব বজায় রাখবে সেনাবাহিনী  মহাজোটের সঙ্গে ঐক্যবদ্ধ হয়ে নির্বাচনে যাওয়ার শিগগিরই আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসছে  প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষা শুরু আজ  ভোট পর্যবেক্ষণের জন্য আবেদন শেষ তারিখ ২১ নভেম্বর  আ'লীগ যত রকম ১০ নম্বরি করার করুক, ভোট দেবো, ভোটে থাকব : ড. কামাল হোসেন মহাজোটের আসন বণ্টনের আলোচনা চেয়ে প্রধানমন্ত্রীর নিকট চিঠি  

জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি ট্রাম্পের


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ৭ ডিসেম্বর ২০১৭ ৯:১৫ এএম:
জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী স্বীকৃতি ট্রাম্পের

বুধবার মুসলমানদের পুণ্যভূমি জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘ, আরব ও মুসলমান দেশসহ অন্যান্য মার্কিন-মিত্রদের আপত্তি আমলেই নিলেন না ট্রাম্প।

গত প্রায় সাত দশক ধরে মার্কিন প্রশাসনের কাছে এটি ‘স্পর্শকাতর’ বিষয় হিসেবেই চিহ্নিত ছিল। বিতর্ক এড়াতেই যুক্তরাষ্ট্রের কোনো প্রেসিডেন্ট এ বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেননি। সমঝোতার ভিত্তিতে ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকটের সুরাহা করার যে মার্কিন-নীতি তাঁর স্পষ্ট ব্যত্যয় ট্রাম্পের এই ঘোষণা।

হোয়াইট হাউস থেকে দেওয়া এক বক্তব্যে ট্রাম্প এই স্বীকৃতির ব্যাপারে নিজের দৃঢ় সংকল্পের কথাই পুনর্ব্যক্ত করেছেন, ‘আমি ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে জেরুজালেমকে স্বীকৃতি দেওয়ার ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ ছিলাম। কাজটা ঠিকই হয়েছে।’

গত বছর প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের প্রচারণার সময় জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী ঘোষণার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে প্রবেশের ১০ মাসের মাথায় তিনি সেই প্রতিশ্রুতিই বাস্তবায়ন করলেন।

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সংকট নিয়ে অতীতের মার্কিন নীতিকেও নিজের বক্তব্যে কটাক্ষ করেছেন ট্রাম্প, ‘অতীতের অনেক প্রেসিডেন্টই বলেছিলেন যে তাঁরা এটি করতে চান (জেরুজালেমকে ইসরায়েলের রাজধানী হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া)। কিন্তু তাঁরা তা করেননি। তাঁরা করার সাহস পাননি নাকি নিজেদের মতের পরিবর্তন করেছিলেন, আমি বলতে পারব না। আমি মনে করি অনেক আগেই এটি করা উচিত ছিল।’

১৯৯৫ সালে ইসরায়েলের রাজধানী তেলআবিব থেকে সরিয়ে জেরুজালেমে নেওয়া হবে—এই মর্মে একটি আইন পাস হয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রে। কিন্তু এরপর থেকে প্রতি ছয় মাস পরপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট একটি আদেশে সই করেন। এর মাধ্যমে এই স্থানান্তর প্রক্রিয়া ছয় মাসের জন্য পিছিয়ে দেওয়া হয়।

এদিকে হামাস ট্রাম্পের এই ঘোষণায় তীব্র প্রতিক্রিয়া জানিয়েছে। তারা বলেছে এর মাধ্যমে মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের নীতিতে ‘নরকের দরজা’ খুলে গেল।

তারা আরব ও অন্যান্য মুসলিম দেশকে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক ছিন্ন করে যুক্তরাষ্ট্রের দূতকে নিজ নিজ দেশ থেকে বহিষ্কারের আহ্বান জানিয়েছে।

প্যালেস্টাইন লিবারেশন অর্গানাইজেশনের (পিএলও) মহাসচিব ট্রাম্পের এই ঘোষণার মধ্য দিয়ে ‘পৃথক দুই রাষ্ট্রের ভাবনা’র সর্বশেষ আশাটুকুও শেষ হয়ে গেছে।

তিনি মনে করেন, এই ঘোষণার মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ফিলিস্তিন-ইসরায়েল সমস্যার মধ্যস্থতাকারী হিসেবেও মর্যাদা হারিয়েছে।

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ট্রাম্পের এই ঘোষণাকে ‘ঐতিহাসিক’ বলেছেন। তিনি এই সিদ্ধান্তের প্রশংসা করে বলেন, ‘এটি সাহসী ও ন্যায়-সংগত সিদ্ধান্ত।’

নেতানিয়াহু অবশ্য আশ্বস্ত করেছেন মুসলমান, ইহুদি ও খ্রিষ্টান—এই তিন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর পুণ্যভূমি হিসেবে জেরুজালেমের যে অবস্থান, ট্রাম্পের এই ঘোষণায় এর কোনো পরিবর্তন হবে না।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top