Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২০ আগস্ট ২০১৮ , সময়- ২:৩৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অটলবিহারী বাজপেয়ীর অবস্থা সঙ্কটজনক আলোর গতিতে বাংলার আকাশ ছাড়িয়ে বহির্বিশ্বে বঙ্গবন্ধুর নাম গভীর শোক আর শ্রদ্ধায় জাতি স্মরণ করলো বঙ্গবন্ধুকে বাংলাদেশ সরকার গণগ্রেপ্তার চালাচ্ছে - এইচআরডব্লিউ : বিশ্লেষক প্রতিক্রিয়া বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত ছিল দেশি-বিদেশি আন্তর্জাতিক চক্র : সেলিম জাতীয় নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র চলছে : কামরুল নির্বাচনে বিশ্বাস করি, ভোটের লড়াই করে ক্ষমতায় যেতে চাই : মোহাম্মদ নাসিম কাবুলে আত্মঘাতী বোমা হামলার ঘটনায় ৪৮ জন নিহত এখন পর্যন্ত ৪০ বাংলাদেশি হজযাত্রীর মৃত্যু  বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম সারওয়ারকে শেষ বিদায় জানালেন বানারীপাড়াবাসী

ইবিতে এবার সেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হল ছাড়া করল ছাত্রলীগ


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১৯ ডিসেম্বর ২০১৭ ৬:১৭ পিএম:
ইবিতে এবার সেই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হল ছাড়া করল ছাত্রলীগ

এবার মুক্তিযোদ্ধার সন্তানকে হল ছাড়া করল ছাত্রলীগ। ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র ওই মুক্তিযোদ্ধার সন্তানের নাম সোহেল রানা। 

মঙ্গলবার বেলা ২ টার দিকে লালন শাহ হলের ২৩০ নং রুমে তাকে মারধর করার পর বের করে দেয় এবং তার জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলে দেয় ছাত্রলীগ কর্মীরা। তারা ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি গ্রুপের কর্মী। ভুক্তভোগী সোহেল বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং ঝিনাইদহ জেলার কোট চাঁদপুর উপজেলার সাব্দালপুর গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা মিজানুর রহমানের ছেলে। 

সোহেল রানা জানান, সোমবার রাত সাড়ে ১০ টার দিকে সালাউদ্দিন আহমেদ সজলের নেতৃত্বে ব্যবস্থাপনা বিভাগের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিহাব, আইসিই বিভাগের ১০-১১ শিক্ষাবর্ষের মিঠু কবির, একই বিভাগের রুবেল হোসেন, লোক প্রশাসন বিভাগের ১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের মুস্তাফিজুর রহমান শিপনসহ ৭-৮ জন আমাকে ব্যাপক মারধর করে। রাতের মধ্যে হল থেকেও বের হয়ে যাওয়ার হুমকি দেয় তারা। আমি বিষয়টি প্রক্টর স্যার ও সাংবাদিকদের জানালে তারা হল থেকে আমাকে বের করে দেয় এবং আমার জিনিসপত্র ছুড়ে ফেলে দেয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মারধরকারী মিঠু কবির এবং রুবেল হোসেন সাংবাদিক লাঞ্চনার ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাময়িকভাবে বহিষ্কার হয়। একই অপরাধে মিঠু কবিরকে ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হয়। 

এবিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি শাহিনুর রহমান শাহিন, ‘তাকে মারধর করা হয়নি। তার কাছে কোন ডকুমেন্ট থাকলে সে বলুক। তবে সে আমাকে নিয়ে খারাপ মন্তব্য করায় ক্ষুদ্ধ কর্মীরা তাকে হল থেকে চলে যেতে বলেছে।’ 

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক মাহবুবর রহমান বলেন, ‘আমার কাছে কোন অভিযোগ আসেনি। বিষয়টি শুনে আমি স্বপ্রণোদিত হয়ে খোঁজখবর নিচ্ছি এবং কি করণীয় সে বিষয়ে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি।’


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top