Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২৪ জুন ২০১৮ , সময়- ৪:৩৫ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু নিতে পারবেন না : ডিএমপি কমিশনার দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে জামাতের সময়সূচী  ব্রাজিলের সাপোর্টার প্রধানমন্ত্রী, একই দলের সমর্থক জয় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করতেই ইসরাইলের সৃষ্টি নূর চৌধুরী'কে দেশে ফেরাতে কানাডার আদালতে মামলা করেছে সরকার নির্বাচনী কৌশলগত কারনেই জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ছে বিএনপি বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে ৫-০ ব্যবধানে জয় পেল স্বাগতিক রাশিয়া বাগেরহাট ৩ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত এমপি'র শপথগ্রহণ ঘরমুখো মানুষ, চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন ট্রেনের যাত্রীরা

‘চীনের ভেজাল ওষুধ বাংলাদেশে আমদানি’


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ৩০ ডিসেম্বর ২০১৭ ১২:৫৩ পিএম:
‘চীনের ভেজাল ওষুধ বাংলাদেশে আমদানি’

বৈদ্যুতিক সরঞ্জামের নামে চীন থেকে আমদানি করা হচ্ছে ভেজাল ওষুধ। বিভিন্ন সময়ে দেশে ভেজাল ওষুধ তৈরির সন্ধান পাওয়া গেলেও এবারই প্রথম বিদেশে তৈরি ভেজাল ওষুধ দেশে আমদানির তথ্য পেয়েছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। পুরান ঢাকার তাঁতীবাজার এলাকা থেকে ভেজাল ওষুধ আমদানি চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে সিআইডি। তারা হচ্ছে, রুহুল আমিন ওরফে দুলাল চৌধুরী, নিখিল রাজ বংশী ও সাঈদ। এ বিষয়ে গতকাল নিজেদের সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করেছে সিআইডি। গ্রেপ্তারকৃতদের তথ্যের ভিত্তিতে তাঁতীবাজারের একটি গোডাউন থেকে ২১ হাজার পাতা ওষুধ এবং ৩ লাখ ৬৪ হাজার টাকা উদ্ধার করা হয়।

শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর সিআইডি কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান পুলিশের অর্গানাইজড ক্রাইমের বিশেষ পুলিশ সুপার (এসএস) মোল্যা নজরুল ইসলাম।

তাদের বিরুদ্ধে কোতোয়ালি থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হয়েছে। সিআইডি বলছে, এসব নকল ওষুধ মানুষের জীবননাশের কারণ। সংবাদ সম্মেলনে সিআইডি’র বিশেষ পুলিশ সুপার মোল্যা নজরুল ইসলাম জানান, বৃহস্পতিবার জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতরা প্রায় সময়ই চীনে যাতায়াত করতো। সেখানে গিয়ে চাহিদা অনুযায়ী ভেজাল ওষুধ তৈরির অর্ডার দিতো। ক্যালসিয়াম ক্লোরাইডসহ নিম্নমানের উপাদান দিয়ে নামী-দামি জীবন রক্ষাকারী ওষুধ তৈরি করা হতো। এরপর ইলেক্ট্রনিক্স সামগ্রি আমদানির আড়ালে কাস্টমসের কিছু অসাধু কর্মকর্তার সহায়তায় এসব ওষুধ কন্টেইনারে আমদানি করতো এ চক্র।

সিআইডি তাদের কাছে এমটিএক্স, ক্লোমাইড ও রিভোকন নামের তিন ধরনের ভেজাল ওষুধ পেয়েছে। এছাড়া তারা ক্যান্সার প্রতিষেধকসহ জীবনরক্ষাকারী মূল্যবান ওষুধ চীনে তৈরি করে দেশের বাজারে ছড়িয়ে দিতেন। এসব ওষুধ প্রতি পাতা তৈরি এবং আমদানিতে ব্যয় হতো ১২ টাকা। যা দেশে প্রতি পাতা বাজার মূল্য ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। তারা এজেন্টদের কাছে ৮০-৯০ টাকায় বিক্রি করতো। চক্রটি চায়না থেকে ভেজাল ওষুধ এনে একটি গোডাউনে রাখতো। তারপর এজেন্টদের মাধ্যমে দেশের বাজারে ছড়িয়ে দিত। জীবন রক্ষাকারী এসব দামি ওষুধে ভেজালের ফলে মানুষ শেষ পর্যায়ে এসেও প্রতারিত হচ্ছে। সিআইডি কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা মূলত জুয়াড়ি। বিভিন্ন ক্যাসিনোতে গিয়ে জুয়া খেলতে গিয়ে তাদের পরিচয়। এরপর পরস্পরের যোগসাজশে চীনে ভেজাল ওষুধ তৈরি করে আমদানির পরিকল্পনা করে। তারা স্বীকার করেছে, বেশি লাভের আশায় এসব নকল ওষুধ চীন থেকে তৈরি করে তারা দেশে আমদানি করছিল। আমরা এর সঙ্গে জড়িত আরো কয়েকজনের নাম পেয়েছি। গ্রেপ্তারকৃতদের আরো জিজ্ঞাসাবাদ করলে ওষুধগুলো কোন কোন এলাকায় কিভাবে বিক্রি হয় এবং তাদের বিষয়ে বিস্তারিত জানা যাবে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top