Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ২০ জুলাই ২০১৮ , সময়- ৬:৪৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
নির্বাচনে জনগণের ইচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে, আবারও আ'লীগ জোয়ারে ভাসবে : ওবায়দুল কাদের শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তরের পরিদর্শন প্রতিবেদন বস্তুনিষ্ঠ ও সঠিক নয় : বাংলাদেশ ব্যাংক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে আওয়ামী লীগের গণসংবর্ধনা আগামীকাল বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে নয়াপল্টনে নেতাকর্মীদের জমায়েত প্রধানমন্ত্রীর গণসংবর্ধনা শনিবার, যানবাহন চলাচলে ডিএমপি’র নির্দেশনা রাজশাহী, সিলেট ও বরিশাল সিটি নির্বাচন নিয়ে সরব বিদেশিরা  বাংলাদেশ ব্যাংকের ভল্টের নিরাপত্তা : ব্যাপক তোলপাড় সারাদেশ  শর্তসাপেক্ষে শান্তিপূর্ণ সমাবেশ কর্মসূচী করার অনুমতি পেল বিএনপি অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলমকে আবারো হত্যার হুমকি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে গণভবনে জার্মানীর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাত

মোবাইল কোর্ট নিয়ে লিভ টু আপিল শুনানি ১৬ জানুয়ারি


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ৯ জানুয়ারী ২০১৮ ১২:১৭ পিএম:
মোবাইল কোর্ট নিয়ে লিভ টু আপিল শুনানি ১৬ জানুয়ারি

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসংক্রান্ত আইনের ১৪টি ধারা ও উপধারা অবৈধ এবং অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল শুনানির আগামী ১৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম দেশের বাইরে থাকায় সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানির দিন পেছানো হয়।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম।

এর আগে গত বছরের ১১ জুন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত ২০০৯ সালের আইনের ১৪টি ধারা ও উপধারা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই আইনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ঘোষণাও করা হয়। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এর আগে ২ জানুয়ারি আপিল নিষ্পত্তি শুনানিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে যেভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়, তার কড়া সমালোচনা করেন আপিল বিভাগ।

আদালত ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলামকে উদ্দেশ করে বলেন, এখন তো মানুষের ইন্টিগ্রিটি (নৈতিকতা) নষ্ট হয়ে গেছে। আপনি মোবাইল কোর্টের সামনে পড়েছেন কোনো দিন? মোবাইল কোর্ট নিয়ে মানুষের মনে আতঙ্ক আছে। ঘটনাস্থলেই আপনি সাজা দিয়ে দিচ্ছেন অথচ তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিচ্ছেন না।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ভবন নির্মাণ আইনের কয়েকটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে আবাসন কম্পানি এসথেটিক প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খানকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২০ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট, ২০০৯) কয়েকটি ধারা ও উপ-ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১১ অক্টোবর রিট আবেদন করেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top