Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শনিবার, ২১ এপ্রিল ২০১৮ , সময়- ১:৩২ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
গাজীপুর সিটি : মেয়র প্রার্থীদের হলফনামায় নির্বাচনী হিসাব ও আয়-ব্যয় কার কত ?   সাকিব, মুস্তাফিজুরদের সঙ্গে বছরে ৫০ লাখের চুক্তি করল ক্রিকেট বোর্ড রোহিঙ্গা সংকটে বাংলাদেশের প্রতি কমনওয়েলথের সংহতি প্রকাশ রানী এলিজাবেথের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা বিনিময় পরিবহন খাতের বিশৃঙ্খলা : আমি মন্ত্রী, আমি কি দায় এড়াতে পারব ? শান্তিরক্ষা মিশনে আত্মোৎসর্গকারী ৫ বাংলাদেশিকে স্মরণ করলো জাতিসংঘ খুলনা-গাজীপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থীকে ১৪ দলের সমর্থন টাইম ম্যাগাজিনে বিশ্বের ১০০ প্রভাবশালীর তালিকায় শেখ হাসিনা খুলনায় ৮শ’ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎ কেন্দ্র হবে শেখ হাসিনা ও মোদি বৈঠক : দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়ে আলোচনা

মোবাইল কোর্ট নিয়ে লিভ টু আপিল শুনানি ১৬ জানুয়ারি


অনলাইন ডেষ্ক

আপডেট সময়: ৯ জানুয়ারী ২০১৮ ১২:১৭ পিএম:
মোবাইল কোর্ট নিয়ে লিভ টু আপিল শুনানি ১৬ জানুয়ারি

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসংক্রান্ত আইনের ১৪টি ধারা ও উপধারা অবৈধ এবং অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল শুনানির আগামী ১৬ জানুয়ারি মঙ্গলবার দিন ধার্য করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকালে ভারপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি মো. আবদুল ওয়াহ্‌হাব মিঞার নেতৃত্বাধীন পাঁচ বিচারপতির বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

এর আগে ভ্রাম্যমাণ আদালতের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলাম দেশের বাইরে থাকায় সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে শুনানির দিন পেছানো হয়।

মঙ্গলবার রাষ্ট্রপক্ষে উপস্থিত ছিলেন অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম ও ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোতাহার হোসেন সাজু। রিটের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার হাসান এম এস আজিম।

এর আগে গত বছরের ১১ জুন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা সংক্রান্ত ২০০৯ সালের আইনের ১৪টি ধারা ও উপধারা অবৈধ ও অসাংবিধানিক ঘোষণা করে হাইকোর্ট। একইসঙ্গে এই আইনে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা অবৈধ ঘোষণাও করা হয়। পরে এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ।

এর আগে ২ জানুয়ারি আপিল নিষ্পত্তি শুনানিতে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দিয়ে যেভাবে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়, তার কড়া সমালোচনা করেন আপিল বিভাগ।

আদালত ব্যারিস্টার এম আমীর উল ইসলামকে উদ্দেশ করে বলেন, এখন তো মানুষের ইন্টিগ্রিটি (নৈতিকতা) নষ্ট হয়ে গেছে। আপনি মোবাইল কোর্টের সামনে পড়েছেন কোনো দিন? মোবাইল কোর্ট নিয়ে মানুষের মনে আতঙ্ক আছে। ঘটনাস্থলেই আপনি সাজা দিয়ে দিচ্ছেন অথচ তাকে আত্মপক্ষ সমর্থনের সুযোগ দিচ্ছেন না।

প্রসঙ্গত, ২০১১ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর ভবন নির্মাণ আইনের কয়েকটি ধারা লঙ্ঘনের অভিযোগে আবাসন কম্পানি এসথেটিক প্রপার্টিজ ডেভেলপমেন্টের চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান খানকে ৩০ দিনের বিনাশ্রম কারাদণ্ডাদেশ দেন ভ্রাম্যমাণ আদালত। ২০ সেপ্টেম্বর তিনি জামিনে মুক্তি পান। এরপর তিনি ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনের (মোবাইল কোর্ট অ্যাক্ট, ২০০৯) কয়েকটি ধারা ও উপ-ধারার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে ১১ অক্টোবর রিট আবেদন করেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top