Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ , সময়- ৪:৩৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
প্রশ্ন ফাঁস : সারাদেশে ৫২ মামলা, গ্রেপ্তার ১৫৩ জন  অনুশীলনে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান | প্রজন্মকন্ঠ নৌকা জনগণের মার্কা : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে  উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ঘোষণা  আসছে | প্রজন্মকন্ঠ সমাবেশের অনুমতি পায় নি বিএনপি | প্রজন্মকন্ঠ আবারো ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করবে সরকার  | প্রজন্মকন্ঠ বেগম জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি রোববার | প্রজন্মকন্ঠ দুর্নীতি সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ | প্রজন্মকন্ঠ সাকিব-অপুর বিচ্ছেদ চুড়ান্ত | প্রজন্মকন্ঠ স্বাস্থ্যসেবা আজ মানুষের দোরগোড়া : শেখ হাসিনা

প্রবেশপত্র না পাওয়ায় অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি


অনলাইন ডেস্ক

আপডেট সময়: ১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ৬:৪৩ পিএম:
প্রবেশপত্র না পাওয়ায় অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি

প্রবেশপত্র না পাওয়ায় অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেনি

গফরগাঁওয়ে প্রবেশপত্র না পাওয়ায় অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষা দিতে পারেনি। এ ঘটনায় প্রধান শিক্ষক পলাতক রয়েছে। নিয়ম অনুয়ারী পরীক্ষার এক সপ্তাহ আগে প্রবেশপত্র ও রেজিস্টেশনকার্ড পরীক্ষার্থীরা পাওয়ার কথা থাকলেও গফরগাঁও উপজেলার রৌহা উচ্চ বিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক পরীক্ষার্থী প্রবেশপত্র পায়নি।

 প্রবেশপত্র না পাওয়ায় গতকাল বৃহস্পতিবার এস.এস.সি পরীক্ষা দিতে না পেরে পরীক্ষার্থীদের কান্নায় আশপাশের পরিবেশ ভারী হয়ে উঠে। এক পর্যায়ে বিক্ষুদ্ধ হয়ে পরীক্ষার্থীরা গফরগাঁও সরকারি কলেজের সামনের সড়ক অবরোধ করে রাখে। পরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাদেরকে বিচারের আশশাস দিলে তারা অবরোধ তুলে নেয়।

পরে দুপুর ১২টার দিকে পরীক্ষার্থীরা রৌহা উচ্চ বিদ্যালয় ভাংচুর করার চেষ্টা চালালে ওই প্রধান শিক্ষকের ভাড়াটে মাস্তানরা পরীক্ষার্থীদের মারধর করে। তবে প্রধান শিক্ষক মারুফ আহমেদ গত বুধবার রাত থেকে পলাতক রয়েছে।

ফলে পরীক্ষার আগের দিন বুধবার রাতভর ওইসব পরীক্ষার্থীরা প্রবেশপত্র পাওয়ার আশায় গফরগাঁও থানা ও বিদ্যালয়ে দৌড়ঝাপ করে। আবার অনেক শিক্ষার্থী দুঃচিন্তা নিয়ে বিদ্যালয়ের আঙ্গিনায় রাত কাটিয়েছেন। প্রবেশপত্র না পাওয়ায় দুঃচিন্তায় নির্ঘূম রাত কাটিয়েছেন অনেক অভিভাবকরাও। 

জানা যায়, গফরগাঁওয়ের রৌহা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মারুফ আহমেদ তার বিদ্যালয় থেকে উথুরী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৬ জনসহ বিভিন্ন বিদ্যালয়ের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী চলতি এসএসসি পরীক্ষার্থীর ফরম ফিলাপ করায় । ফরম ফিলাপ বাবদ প্রতি শিক্ষার্থীর কাছ থেকে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে নেয়া হয় । কিন্তু উথুরী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ১৬জন পরীক্ষার্থীসহ কোন পরীক্ষার্থীর প্রবেশপত্র আসেনি। 

উথুরী গ্রামের মিম, জান্নাত, শামছুন্নাহার, স্বর্ণা, ধামাইল গ্রামের সজিব, হাজেরা ও ঝুমুর জানায়, উথুরী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়াসমিন সুলতানা পপির মাধ্যমে রৌহা উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষার ফরম পূরণ করি। কিন্তু আমরা কেউ পরীক্ষার প্রবেশপত্র পাইনি। কোন শিক্ষককেও খোঁজে পাচ্ছিনা। সকলেরই মুঠোফোন বন্ধ রয়েছে। আমর পরীক্ষার্থীরা ইউএনওর কাছে গেলে তিনি খোঁজ নিয়ে দেখবেন বলে জানান। 

উথুরী নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ইয়াসমিন সুলতানা পপির মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি। রৌহা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মারুফ আহমেদের ফোনটিও বন্ধ পাওয়া যায়।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বেলায়েত হোসেন বলেন, প্রতি বছরই ওই প্রধান শিক্ষক এই অপকর্মটা করে থাকেন। ওই প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা নেয়া হবে। 
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ডাঃ শামীম রহমান বলেন, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে এ বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে। পাশাপাশি থানায় মামলা দায়ের করতে পরীক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকদের পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

প্রসঙ্গত ২০১৬ সালে পরীক্ষার আগের দিনরাতে প্রধান শিক্ষক মারুফ আহমেদ তার বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের হাতে লেখা বিহীন প্রবেশপত্র ধরিয়ে দেন। পরে এসব খালি প্রবেশপত্র নিয়ে পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র পূরন করে প্রিন্ট করার জন্য রাতভর বিভিন্ন কম্পিউটারের দোকানে ঘুরে প্রবেশপত্র পূরন করেন। ২০১৭ সালে পরীক্ষার দুই ঘন্টা আগে প্রবেশপত্র হাতে পায় একই বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীরা। গত কয়েক বছর যাবত ওই প্রধান শিক্ষক এহেন অপকর্ম করে আসলেও তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top