Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ২৩ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ , সময়- ২:৪৮ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
অনুশীলনে ফিরেছেন সাকিব আল হাসান | প্রজন্মকন্ঠ নৌকা জনগণের মার্কা : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশকে  উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে ঘোষণা  আসছে | প্রজন্মকন্ঠ সমাবেশের অনুমতি পায় নি বিএনপি | প্রজন্মকন্ঠ আবারো ১০ টাকা কেজি দরে চাল বিক্রি করবে সরকার  | প্রজন্মকন্ঠ বেগম জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি রোববার | প্রজন্মকন্ঠ দুর্নীতি সূচকে এগিয়েছে বাংলাদেশ | প্রজন্মকন্ঠ সাকিব-অপুর বিচ্ছেদ চুড়ান্ত | প্রজন্মকন্ঠ স্বাস্থ্যসেবা আজ মানুষের দোরগোড়া : শেখ হাসিনা দাড় কাউয়া মুক্ত আওয়ামী লীগ চাই, বিলবোর্ডের ছবি ভাইরাল

প্রশ্ন ফাঁস-সোশ্যাল মিডিয়া নয়! খুজতে হবে অসাধুচক্র


ওয়াহিদুজ্জামান

আপডেট সময়: ১১ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ৪:৩৭ পিএম:
প্রশ্ন ফাঁস-সোশ্যাল মিডিয়া নয়! খুজতে হবে অসাধুচক্র

বাংলাদেশ এখন পিছিয়ে পড়া দেশের তালিকায় নেই। বাংলাদেশকে আধুনিকতার প্রভুত উন্নয়নে সহযাত্রী বলা চলা। বলা চলে একুশ শতকের প্রযুক্তির অগ্রসরতার সাথে আমরা খাপ খাইয়ে চলতে পারছি কি না বলা শক্ত। তবে আমাদের তারুণ্যের শক্তি সামনে চলার পথকে উৎসাহ প্রদান করে চলেছে। বর্তমান সরকারের ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মানে আমরা আলোকিত অভিযাত্রী। এটা আমাদের মতো দেশের জন্য সান্ত্বনা নয়। এটা আজকের বাংলাদেশের অর্জন।

অর্জিত তথ্য প্রযুক্তির চলমান অগ্রসরতায় পৃথিবীর আর সব দেশের সাথে আমরা প্রতিযোগিতার মাপকাঠিতে হিসাব না করে, একটা সুষম অবস্থানে প্রিয় বাংলাদেশ।

সম্প্রতি দেশে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা চলাকালীন প্রশ্ন ফাঁসের দুর্ঘটনা আমাদের জাতীয় জীবনের এক ব্যাধি হিসাবে বিবেচিত। অভিভাবক ও শিক্ষার্থীদের জন্য প্রশ্ন ফাঁস রীতিমত একটা কাল হয়ে দেখা দিয়েছে। মেধাবী শিক্ষার্থী যাচাই বাছাইয়ে এক অন্যতম প্রতিবিন্ধক হলো প্রশ্নফাস। বলার অপেক্ষা রাখে না এসব অবস্থার ভিতর দিয়ে পাস করা শিক্ষার্থীদের মাঝ থেকে আলাদা করার সুযোগ থাকবে না মেধার শ্রেনী বিন্যাস। তাতে করে যোগ্যদের অবস্থান নিয়ে দাড়াবে দীর্ঘ এক প্রশ্নবিদ্ধ পরিবেশ।

সরকার ও সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী মন্ত্রনালয়ের ঐকান্তিকায় কোন ঘাটতি না থাকলেও প্রশ্নফাস বন্ধ করা যাচ্ছে না। এর জন্য এই হীন কর্মসম্পাদন কারিরা সোশাল মিডিয়া বা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমকে এই নীতিবিরুদ্ধ কাজের ক্ষেত্র বা অবলম্বন হিসাবে দেখছে। এসবেরই প্রেক্ষিতে সরকার পরীক্ষাকালীন সময়ে ইন্টারনেটের গতি এক ঘন্টা কমিয়ে রাখার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে। তাহলে প্রশ্নফাসকারীরা এই দুস্ককর্ম কাজে নিরুৎসাহিত হবেন বলে ভাবা হচ্ছে। এ বিষয়ে একটা জিনিস ভাবা প্রয়োজন, যারা এসব দুস্ককর্ম করে, তারা কি ইন্টারনেটের গতি কমিয়ে ফেললেই, যাবতীয় অসাধু কর্মহতে বিরত থাকবেন?

অফিস আদালত, কর্মক্ষত্র, বাসা বাড়ী সর্বত্র ইন্টারনেট মৌলিক জীবনের যেখানে একটা অনুসংজ্ঞ হিসাবে পরিগনিত। সেখানে এ জাতীয় সিদ্ধান্তের যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা অসাভাবিক বিষয় নয়।

প্রশ্ন ফাঁসের বিষয়ে, একটা প্রসংগ বলতেই হয়, এই অসাধু চক্র ছোট কোন পরিসরের তো নয়। যদি তাই হতো, তবে বারবার এ জাতীয় সামাজিক দুর্ঘটনা শিক্ষাক্ষেত্রে ঘটতে পারতো না। এ কাজে জড়িত অপরাধীদের চক্রটা নিশ্চয় অশিক্ষিত শ্রেণী নয়। কিংবা এদের ক্ষমতার হাতও সংকীর্ণ নয়। কোচিং বানিজ্য, প্রশ্নফাসের মতো শিক্ষাক্ষেত্রের ব্যাধি গুলো সুশিক্ষা, সুশিক্ষিত সমাজ নির্মান কে স্তিমিত করছে। যোগ্যদের ঠাই যোগ্য জায়গায় হচ্ছে না যেমন। তেমন অযোগ্যরা যোগ্যতম আসন পূরন করছে। তাতে রাষ্ট্রের মূল মেরুদণ্ড শিক্ষিত জনগোষ্ঠী কতটা পরিশুদ্ধ দেশসেবা, কিংবা পেশায় যোগ্যতার পরিচয় দিতে সামর্থ হবে, সেটাই প্রশ্নবিদ্ধ বিষয় হিসাবে জাতির সামনে দন্ডায়মান।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top