Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, শুক্রবার, ২২ জুন ২০১৮ , সময়- ৮:৫৮ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
মুসল্লিরা জায়নামাজ ও ছাতা ছাড়া অন্য কিছু নিতে পারবেন না : ডিএমপি কমিশনার দেশবাসীকে ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী রাজধানীতে বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে জামাতের সময়সূচী  ব্রাজিলের সাপোর্টার প্রধানমন্ত্রী, একই দলের সমর্থক জয় মুসলিম উম্মাহর ঐক্যে ফাটল সৃষ্টি করতেই ইসরাইলের সৃষ্টি নূর চৌধুরী'কে দেশে ফেরাতে কানাডার আদালতে মামলা করেছে সরকার নির্বাচনী কৌশলগত কারনেই জামায়াতের সঙ্গ ছাড়ছে বিএনপি বিশ্বকাপ উদ্বোধনী ম্যাচে ৫-০ ব্যবধানে জয় পেল স্বাগতিক রাশিয়া বাগেরহাট ৩ আসনের উপ-নির্বাচনে নির্বাচিত এমপি'র শপথগ্রহণ ঘরমুখো মানুষ, চরম দুর্ভোগের মুখে পড়েছেন ট্রেনের যাত্রীরা

পক্ষপাতহীন লেখা কিভাবে লিখব ? ইতিহাস কি উপন্যাস ?


নাসির উদ্দিন সিকদার

আপডেট সময়: ২৪ ফেব্রুয়ারী ২০১৮ ১২:০৮ এএম:
পক্ষপাতহীন লেখা কিভাবে লিখব ? ইতিহাস কি উপন্যাস ?


ফেসবুক স্টাটাস : পক্ষপাতহীন লেখা কিভাবে লিখব? ইতিহাস কি উপন্যাস?

আমাকে কেহ কেহ বলেন ভাই পক্ষপাতহীন লিখুন। সবাই পড়বে।

প্রিয় পাঠক ভাইবোনের আমার লেখার প্রধান উদ্দেশ্য হল আমাদের নতুন প্রজন্ম ও যে সমস্ত ছেলে মেয়েরা দীর্ঘ২১বতসর বাংলাদেশে ইতিহাস সম্পর্কে ইতিহাসের পরিবর্তে ভিন্যকিছু শিখে বিভ্রান্ত হয়েছে তাদের কাছে সঠিক ইতিহাস জানানো। বঙ্গবন্ধু সম্পর্কে সঠিক কথার পরিবর্তে বিভ্রান্তমূলক কিছু জানে। অর্থাৎ ছেলেমেয়েরা জানে জিয়াউর রহমান দেশ স্বাধিন করেছে।তারা বঙ্গবন্ধুর ২৩বতসরের সংগ্রামের ইতিহাস জানেনা। বঙ্গবন্ধুর ৬ দফা আন্দোলন সম্পর্কে কিছুই জানেনা তারা বঙ্গবন্ধুর ৭মার্চের মুক্তিযুদ্ধের দিক নির্দেসনামুলক ভাষনের কথা কিছুই জানেনা।আমি প্রচেস্টা চালিয়ে যাচ্ছি এইসব সত্যিকারের ইতিহাস ছেলেমেয়েদের জানানো।

এখানে নিরপেক্ষ লেখার কি আছে? আমাকে কি বলতে হবে ২৩বতসর বঙ্গবন্ধু সংগ্রম করেছে আবার ২৩বতসর জিয়াউর রহমানও সংগ্রাম করেছে? 

এই রকম ডাহা মিথ্যা কথা লিখে আমি নিরপেক্ষ লেখক হতে পারবনা।জিয়াউর রহমান কৌশলে ক্ষমতা দখল করে যুদ্ধাপরাধিদের মুক্তি দিয়েছে। রাজনিতি করার অধিকার দিয়েছে মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে।আমিকি লিখব না না জিয়াউর রহমান একা রাজাকারদের, যুদ্ধাপরাধীদের মন্ত্রী প্রধনমন্ত্রী বানান নাই।

বঙ্গবন্ধুও  কবর থেকে উঠে জিয়ার সাথে হাতে হাত মিলিয়ে রাজাকারদের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রী বানিয়েছে?তাহলে আমি নিরপেক্ষ লেখক হতে পারি। কিন্তু আমি এই রকম বানোয়াট কথা আমাদের ছেলেমেয়েদের বলতে যাব?ইতিহাসের কৃতিত্বকে ভাগ বাটোয়ারা করিয়া দেয়া যায়না।ইতিহাস হল ঘটে যাওয়া ঘটনা। সে ইতিহাসের কৃতিত্ব যদি একজনের হয় তাহলে একজনের কথাই লিখতে হবে।ইতিহাস উপন্যাস নয়।ইতিহাস হল যা ঘটেগেছে হুবহু সেটার বর্ননা দেয়া।

আমি কি তাহলে লেখালিখিই বাদ দিয়েদিব?আমি শুধু ইতিহাসের উপর লিখি তা নয়।আমি এছারাও অনেক কিছু লিখি তানিয়ে অবস্য পক্ষপাতের কথা কেহ বলেনা।
কিন্ত ইতিহাসতো ইতিহাস।তবে আমি যদি ইতিহাসেন নামে মিথ্যাচার করতাম তাহলে অনেকেই আমাকে অভিযুক্ত করিতে পারিতেন যে মিথ্যাচার করছি কেন।কিন্তু আজ পর্যন্ত কেহই বলিতে পারিবেন না যে আমি কোথাও মিথ্যাচার করেছি।আমি কেন মিথ্যাচার করে আমার ছেলেমেয়েকে বিভ্রান্ত করব ?

আমিতো মিথ্যাচারের বিরুদ্ধে সত্য কথা লিখে যাচ্ছি যাহাতে ছেলেমেয়েরা আমাদের ২৩বতসরের ইতিহাস জানতে পারে। ৬৯এর গনভ্যুত্থানের কথা জানতে পারে ৭০এর নির্বাচনে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ ৯৮%ভোট পেয়ে বঙ্গবন্ধু বিশ্বে একমাত্র বাংগালীর নেতা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছেন। বঙ্গবন্ধুকে বিশ্ববাসি বাংলার মুকুটহীন সম্রাট উপাধি দিয়েছেন।বংগবন্ধুর একক নেতৃত্বে বাংলাদেধ স্বাধীন হয়েছে। ২৫মার্চ পাকিস্তানি বাহিনি আমাদেত আক্রমন করিলে বংগবন্ধুর ৭মার্চের ভাষনের নির্দেশনানুযায়ী রাজারবাগ পুলিশ প্রতরোধ যুদ্ধ শুরু করে।

বঙ্গবন্ধু ২৫মার্চ রাত ১২টারবপর ২৬মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন।রাজারবাগ পুলিস সারারাত যুদ্ধচালিয়ে যায়। পরে কৌশলগত কারনে রাজারবাগ পুলিস পিছু হটে ও মুকিবাহিনিতে যোগদানকরেন ওগেরিলা যুদ্ধ শুরু করেন।

এদিকে ১৭ই এপ্রিল মুজিবনগর সরকার গঠন করাহয়।বংগবন্ধুকে প্রথম প্রেসিডেন্ট করিয়া মুজিবনগর সরকার গঠন করা হয়।তাজুদ্দিন আহমেদকে প্রথম প্রধানমন্ত্রী করাহয় সৈয়দ নজরুল ইসলামকে উপরাস্ট্রপতি নিয়োগ দেয়াহয়।

বঙ্গবন্ধু পাকিস্তানে বন্দি থাকার কারনে সৈয়দ নজরুল ইসলাম অস্থায়ী প্রসিডেন্ট হিসেবে মুজিবনগর সরকার পরিচালনা করেন। এই মুজিবনগর সরকারই মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনা করেন। মুক্তি যুদ্ধ পরিচালনার জন্য ১১টি সেক্টরে দেশে রনাঙ্গন তৈরি করাহয়।১১টি সেক্টরে ১১জন সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ দেয়া হয়। 

কর্নেল ওসমানিকে মুক্তিবাহিনীর প্রধান করা হয়। মেজর জলিল,কাদের সিদ্দিকী,শফিউল্লাহ মেজর রফিক, মেজর জিয়া এদের সেক্টর কমান্ডার নিয়োগ দেয়া হয়।মুজিবনগর সরকারের মুক্তিযুদ্ধ পরিচালনার মাধ্যমে ৯মাসের যুদ্ধে দেশস্বাধিন হয়।ওদিকে পাকিস্তানের আদালতে বঙ্গবন্ধুকে মৃত্য দন্ড দেয়াহয়।

বঙ্গবন্ধুর বিরুদ্ধে অভিযোগ হল তিনি ৭মার্চ বাংগালীদের মুক্তিযুদ্দের দিক নির্দেশনা দেন,২৩মার্চ তার নিজ বাসভবনে ৩২নম্বর ধানমন্ডিতে বাঙ্গলাদেশের পতাকা উত্তোলন করেন। তিনি ২৬মার্চের প্রথম প্রহরে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষনা করেন।এইসব অভিযোগ প্রমামিত হয়। তাই বঙ্গবন্ধুকে মৃত্যদন্ড দেয়া হয়।কিন্তু দেশ স্বাধিন হবার কারনে আর বিশ্ববাসির চাপে মৃত্যদন্ড কার্যকর করিল না।

১৯৭২সালের ৮জানুয়ারী বঙ্গবন্ধুকে মুক্তি দেয়াহয়। উল্লাসে সারে সাতকোটি জনতা উল্লাসে ফেটে পরে।মুক্তিবাহিনি আকাশের দিকে ফাকাগুলি করে উল্লাস প্রকাশ করে।১০জানুয়ারী বঙ্গবন্ধু দেশে প্রত্যাবর্তন করেন দেশের মানুষ উল্লাসে দিকবিদিক হারা হয়ে পরে। 

বঙ্গবন্ধুকে রেসকোর্স ময়দানে সংবর্ধনা দেয়াহয়।এটি ছিল বিশ্বের সর্ববৃহত সংবর্ধনা।এমন উল্লাস আর এতবড় সংবর্ধনা বিশ্বে কোনদিন কেহ দেখেনাই।

প্রিয় পাঠক ভাইবোনেরা আমার লেখা আপাতত শেষ।ভাইবোনেরা আমিযে ইতি্হাস তুলে ধরলাম তাহল সম্পুর্ন নির্ভুল ইতিহাস।
আপনারা ভাল থাকুন।সুস্থ থাকুন।আনন্দে থাকুন।

প্রতিবেশীকে ভালবাসুন।ক্ষুধার্থকে খাদ্য দিন।
মানবতার জয় হোক।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top