Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ২৩ জুলাই ২০১৮ , সময়- ১১:১৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বিভ্রান্ত করতে বিএনপি নেতাকর্মী ও শয়তানের মধ্যে তফাৎ নাই : যুবলীগ চেয়ারম্যান এত বেশী কেন, বাংলাদেশে মোবাইল ইন্টারনেটের দাম ? মামলার তারিখ এলেই খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন : শেখ হাসিনা মামলার তারিখ এলেই খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন : শেখ হাসিনা মামলার তারিখ এলেই খালেদা জিয়া অসুস্থ হয়ে পড়েন : শেখ হাসিনা তালিকাচ্যুতির পাইপ লাইনে আরও ২৫ কোম্পানি বেগম খালেদা জিয়ার জামিন না মঞ্জুর, ২৬ জুলাইয়ের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ কুষ্টিয়ার ঘটনায় যারাই জড়িত থাকুক, খুঁজে বের করা হবে : ওবায়দুল কাদের লাল ফিতা, সাদা ফিতার দৌরাত্ম্য বন্ধ সরকারি কর্মকর্তাদের প্রতি আহ্বান : প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী তাজউদ্দীন আহমদ

থলের বিড়াল : একে একে সব বের হয়ে পড়বে 


গোলাম সারোয়ার 

আপডেট সময়: ৫ এপ্রিল ২০১৮ ৭:১৩ পিএম:
থলের বিড়াল : একে একে সব বের হয়ে পড়বে 

উপ-সম্পাদকীয় : পৃথিবীর সব সৃষ্টিরই কিছু সুবিধা আছে। তেমনি পাগল সৃষ্টিরও কিছু সুবিধা আছে। পাগলের সুবিধা হলো পাগল সত্য বলে দেয়। তেমনই এক পাগল যিনি বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট, একটি বোমা পাটালেন । তিনি বলেছেন, সৌদি আরবের চাওয়া অনুযায়ী যদি মার্কিন সেনাদের সিরিয়ায় থাকতে হয়, তাহলে তার সকল খরচ সৌদি আরবকেই বহন করতে হবে। এই না হলে ডোনাল্ড ট্রাম্প !

আমরা মনে করি এটি অত্যন্ত একটি ন্যায্য কথা। এই ন্যায্য কথার ভিতরের কথা হলো মধ্যপ্রাচ্যে এই যে মুসলিমদের রক্তের বন্যা বইছে, এই হাবিয়া দোজখ সৃষ্টির প্রধান পৃষ্ঠ্পোষক হলো এই সৌদি আরব-এই সত্যটি এবার প্রকাশ্যে বের হয়ে গেলো। বিশ্ব আগেও এটি জানতো তবে এবার দালিলিক প্রমাণ পেল।

এই উপমহাদেশে সৌদি আরবের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা জায়েজ নেই । কিন্তু মহানবী বিদায় হজের ভাষণে বলে গিয়েছিলেন, 'অন্ধকার যুগের সব কৌলীন্য বিলুপ্ত করা হলো। তোমাদের মাঝে যারা সর্বাধিক মুত্তাকি, খোদাভীরু তারাই আল্লাহর কাছে সর্বাধিক মর্যাদাবান। তাকওয়া ছাড়া কোনো অনারবের ওপর কোনো আরবের শ্রেষ্ঠত্ব নেই।'

তাহলে আমাদের এই দেশে সৌদি আরবের সবপাপ হজম করতে বলে কেন ! কারণ আছে। কারণ হলো এই উপমহাদেশেও তাদের দালাল আছে। ঐসব দালালদের অর্থ বিত্ত, ব্যাংকের পুঁজি বিভিন্ন জিনিস দিয়ে এই চিরতা গিলিয়েছে যে, সৌদিদের বিরুদ্ধে সমালোচনা করা যাবেনা।

আমরা জানি, রাসুলের দেশ হলো হেজাজ। আর তিনি হিযরত করে মক্কা থেকে চলে যান ইয়াসরিবে যার বর্তমান নাম মদিনা। তখন সৌদি আরব বলে কিছু ছিলো্ইনা।

১৯০২ সালের পর নজদের এক যুদ্ধবাজ আবদুল আজিজ ইবনে সৌদ সৌদিআরব প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজেকে সৌদিআরবের জাতির পিতা হিসেবে ঘোষণা দেন। এই লোকের বংশধররা এখন দেশটি শাসন করছে। আজিজ সৌদ সৌদি আরবের শাসনে আসার পর থেকে মুসলিম বিশ্বের কষ্টের শুরু। ১৯১৭ সালে বেলফোর ঘোষণার মাধ্যমে যে ইসরাইলের জন্ম হয় ফিলিস্তিনে তাতেও এদের ষড়যন্ত্র আছে যার প্রমাণ এখন সৌদি যুবরাজ দিচ্ছে প্রতিদিন।

আমরা দেখলাম এই সপ্তাহেই আফগানিস্তানের কুন্দুজ প্রদেশে স্থানীয় মাদরাসায় সামরিক বাহিনীর ভয়াবহ বোমা হামলায় এ পর্যন্ত ১৫০ জন হাফেজ নিহত হলেন। এই আফগানিস্তান আর ইরাককে হাবিয়া দোজখ বানাতে মার্কিনিরা কার কার ভূমি, অর্থ আর শক্তি ব্যবহার করেছে মনে আছেতো ! সেও এই সৌদি আরব। এবং সাথে পাকিস্তান।

আটলান্টিক পাড়ী দিয়ে ক্লান্ত মার্কিন সৈন্যরা বিশ্রাম করে সৌদি হেরেমে। তারপর মুসলিমদের হজের টাকা থেকে অর্জিত রাজস্বের কোষাগারের টাকা খরচ করে তাদের ভোজন করানো হয় ইচ্ছেমতো। তারপর মুসলিমদের অর্থে পানাহার করে তৃপ্ত হয়ে তারা মুসলিমদের জবাই করতে নামে।

আজকের ইরাক, আফগানিস্তান, সিরিয়ার, ইয়েমেনসহ সমগ্র মুসলিম দুনিয়া হাবিয়া দোজখ হয়েছে মুসলিমদেরই অর্থ। এই কাজে প্রধান কালেক্টর হলো সৌদি আরব।

এগুলো অনন্তকাল চলতে পারেনা । মুসলিমদের সত্যের মুখোমুখি দাঁড়াতে হবে। সত্য আর জ্ঞান ছাড়া মুসলিম বিশ্বের আর মুক্তি নেই। জ্ঞান আর সত্য দেখলে মুসলিম যুবকদের যারা মুরতাদ আর নাস্তিক ট্যাগদেয় তারাই সৌদি আরবের দালাল । এদের চিহ্নিত করে রাখুন । ইসালাম ধর্মের আসমানী কিতাবের প্রথম শব্দ হলো 'পড়'। আর সৌদি দালালরা পড়া দেখলেই বলে এথিইস্ট !

ইসলামী জিহাদীদের আহবান করবো বর্তমান বিশ্বের অধর্মের আঁতুরঘর সৌদি আরব মুখি করে তোমরা তোমাদের প্রতিরোধের কাফেলাগুলো চালিয়ে দাও। মুক্তি মিলবে । লাত, উজ্জা আর মানাতের সাম্রাজ্য আবারো ধ্বসে দাও। এখানে, এই ভারতীয় উপমহাদেশে অধর্ম নেই। এখানে এই বাংলায় জিহাদের কোন ময়দান নেই ।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top