Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২০ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ১১:৪৪ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বঙ্গভবনে শপথ নিলেন নবগঠিত মন্ত্রিপরিষদের ৪৭ সদস্য টানা তৃতীয় মেয়াদে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, শপথপাঠ করালেন রাষ্ট্রপতি  পারফরমেন্স করতে না পারলে মন্ত্রিত্ব থাকবে না  শতভাগ আওয়ামী লীগের মন্ত্রিসভা, অধিকাংশ নতুন মুখ  প্রেমিকার জন্য রাজসিংহাসন ছাড়লেন সুলতান মুহাম্মদ পুরোবিশ্বে সফল দেশ হিসেবে পরিচিত বাংলাদেশ উত্তরায় সড়ক অবরোধ করে পোশাক শ্রমিকদের বিক্ষোভ বিতর্ক নেই, তবুও মন্ত্রিসভায় ঠাঁই মেলেনি যাদের  মন্ত্রিসভা নিয়ে মুখ খুললেন তোফায়েল আহমেদ বড় চমক অর্থনীতি ও ব্যবসা-বাণিজ্য সম্পর্কিত পাঁচ মন্ত্রণালয়ে

চির বিদায় রাজীব হোসেন


প্রজন্মকণ্ঠ বিশেষ প্রতিবেদক

আপডেট সময়: ১৭ এপ্রিল ২০১৮ ১১:০৩ এএম:
চির বিদায় রাজীব হোসেন

সড়ক দুর্ঘটনায় ডান হাত হারানো রাজীব হোসেন মারা গেছেন। সোমবার দিবাগত রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে তিনি মারা যান। রাজীবের স্বজন ও ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ উপপরিদর্শক (এসআই) বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। অবশ্য এ বিষয়ে এখনো চিকিৎসকেরা কোনো তথ্য জানাননি।

নিহত রাজীবের মামা জাহিদুল ইসলাম বলেন, রাত ১২টা ৪০ মিনিটে তাঁদের অনুমতি নিয়ে চিকিৎসকেরা রাজীবের লাইফ সাপোর্ট খুলে নেন। জাহিদুল কাঁদছিলেন আর বলছিলেন, ‘সবাই মিলে অনেক চেষ্টা করেও বাঁচানো গেল না রাজীবকে।’

বাচ্চু মিয়া জানান, ‘মারা গেছেন রাজীব হোসেন। রাত ১২টা ৪০ মিনিটের দিকে মারা যান তিনি। রাজীবের স্বজনেরা কান্নাকাটি করছেন।’

৪ এপ্রিল বিআরটিসির একটি দোতলা বাসের পেছনের ফটকে দাঁড়িয়ে গন্তব্যে যাচ্ছিলেন রাজধানীর মহাখালীর সরকারি তিতুমীর কলেজের স্নাতকের (বাণিজ্য) দ্বিতীয় বর্ষের ছাত্র রাজীব হোসেন (২১)। হাতটি বেরিয়ে ছিল সামান্য বাইরে। হঠাৎই পেছন থেকে একটি বাস বিআরটিসির বাসটিকে পেরিয়ে যাওয়ার বা ওভারটেক করার জন্য বাঁ দিকে গা ঘেঁষে পড়ে। দুই বাসের প্রবল চাপে রাজীবের হাত শরীর থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যায়। দু-তিনজন পথচারী দ্রুত তাঁকে পান্থপথের শমরিতা হাসপাতালে নিয়ে যান। কিন্তু চিকিৎসকেরা চেষ্টা করেও বিচ্ছিন্ন সে হাতটি রাজীবের শরীরে আর জুড়ে দিতে পারেননি।

ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসাধীন রাজীব ধীরে ধীরে সুস্থ হয়ে উঠছিলেন। এর মধ্যেই হঠাৎ গত ৯ এপ্রিল থেকে তাঁর অবস্থার মারাত্মক অবনতি হয়।

রাজীব দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ার সময় তাঁর মা আকলিমা বেগম মারা যান। বাবা অপসোনিন ফার্মার ট্যাবলেট সেকশনে কাজ করতেন। প্রাচুর্য না থাকলেও সচ্ছল পরিবারের সন্তান ছিলেন। রাজীব বড়, পরে আরও দুটি ভাই। মায়ের মৃত্যুর পর বাবা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন। নিখোঁজ ছিলেন অনেক দিন। পরে তাঁর মৃতদেহ উদ্ধার হয়।

 রাজীব তখন তাঁর নানির বাড়িতে আশ্রয় নেন। নানি মারা গেলে খালা জাহানারা বেগম রাজীবের দায়িত্ব নেন। উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষার পর রাজীব গৃহশিক্ষকতা শুরু করেন, কম্পিউটারের কাজ শেখেন। যাত্রাবাড়ীর একটি মেসে থাকতেন।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top