Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বৃহস্পতিবার, ১৫ নভেম্বর ২০১৮ , সময়- ৫:০৯ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
বোনের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর ভালোবাসা বিএনপিকে রাজনৈতিক দল বলা যায় না, তারা একটি সন্ত্রাসী সংগঠন : সজীব ওয়াজেদ  নির্বাচনী সহিংসতা ঠেকাতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে পুলিশ | প্রজন্মকণ্ঠ বেগম খালেদা জিয়ার চিকিৎসার বিষয়ে আদেশ আগামী রোববার ১০ বছরে মানুষের আয় বেড়েছে প্রায় তিন গুণ : অর্থমন্ত্রী জাতির পিতাকে স্বীকৃতি দিতে বিএনপিকে চাপ ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষস্থানীয় দুই নেতার  যেসকল আসনগুলিতে প্রার্থীর পরিবর্তন আনছেন আ'লীগ  মনোনয়ন চূড়ান্ত করতে আ'লীগের সংসদীয় বোর্ডের সভা আজ  ২১৮ রানের বড় জয় পেয়েছে বাংলাদেশ ক্যালিফোর্নিয়ায় দাবানলে মৃতের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ৫৯, নিখোঁজ ১৩০

খুলনা সিটি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, নানামুখী বিশ্লেষণ


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৭ মে ২০১৮ ২:০৩ এএম:
খুলনা সিটি নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগ, নানামুখী বিশ্লেষণ

নির্বাচন পর্যবেক্ষকদের জোট ‘ইলেকশন ওয়ার্কিং গ্রুপ' (ইডব্লিউজি) জানিয়েছে, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ৩২ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম দেখা গেছে। তবে এসব বিচ্ছিন্ন ঘটনা ভোটের ফলাফলে প্রভাব ফেলেনি। তাদের হিসাবে খুলনার নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৬৪.৮০ শতাংশ।

বুধবার দুপুরে জাতীয় প্রেস ক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ইডব্লিউজি খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচন পর্যবেক্ষণের প্রাথমিক প্রতিবেদন তুলে ধরে। 

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, খুলনা সিটির ২৮৯টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ইডব্লিউজি ১৪৫টি কেন্দ্র পর্যবেক্ষণ করে। এর মধ্যে ৩২ শতাংশ ভোটকেন্দ্রে নির্বাচনী অনিয়ম দেখা গেছে। অবৈধভাবে ব্যালটে সিল মারার ঘটনা ঘটেছে ২৮টি কেন্দ্রে, ভোট দিতে বাধা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে ১৮টি, ভোটকেন্দ্রের ভেতরে সহিংসতার ঘটনা ঘটেছে চারটি, কেন্দ্রের বাইরে সহিংসতার ঘটনা ১২টি, বিশেষ প্রার্থীর পক্ষে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর অবস্থান নেয়ার ঘটনা ঘটেছে চারটি জায়গায়, পর্যবেক্ষককে কেন্দ্রে ঢুকতে না দেয়ার ঘটনা ঘটেছে চারটি। তবে পোলিং এজেন্ট বের করে দেয়ার কান ঘটনা তাদের পর্যবেক্ষণে ধরা পড়েনি।  

এ প্রসঙ্গে ইডব্লিউজি'র পরিচালক মো. আবদুল আলিম রেডিও তেহরানকে বলেন, গতকাল খুলনার নির্বাচন বেশকিছু অনিয়ম-সহিংসতার ঘটলেও সেটা সার্বিকভাবে ফলাফলকে প্রভাবিত করতে পারেনি। তবে সাম্পতিক কয়েকটি সিটি নির্বাচনের তুলনায় খুলনার নির্বাচন খারাপ হয়েছে। তাই বলে এ নির্বাচনকে অগ্রহণযোগ্য বলা যাবে না।

গতকাল অনুষ্ঠিত খুলনা সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থী তালুকদার আবদুল খালেক ১ লাখ ৭৬ হাজার ৯০২ ভোট পেয়ে মেয়র পদে বেসরকারিভাবে জয়ী হয়েছেন।

তবে, ভোট ডাকাতির অভিযোগ এনে খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রত্যাখ্যান করেছে বিএনপি। 

বুধবার দুপুর ১২টায় নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী এ অভিযোগ আনেন। এ সময় প্রধান নির্বাচন কমিশনারের পদত্যাগ দাবি করে দলটি।

রিজভী বলেন, খুলনা সিটি নির্বাচনে নজিরবিহীন ভোট ডাকাতি হয়েছে। পুলিশ ও নির্বাচন কমিশনের ছত্রছায়ায় আওয়ামী লীগের সশস্ত্র ক্যাডাররা প্রকাশ্যে ব্যালট পেপারে সিল মেরেছে। তাছাড়া, বিএনপির পরাজিত মেয়র প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনকে ‘ভোট ডাকাতির নতুন সংস্করণ’ বলে অভিহিত করেছেন।  

বুধবার বেলা ১১টায় নগরের কে ডি ঘোষ রোডে বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে মঞ্জু বলেন, “আমি নির্বাচনের প্রচারণার সময় যেসব কথা বলেছিলাম তা সত্য প্রমাণিত হয়েছে। এই সরকার ভোট ডাকাতির সরকার। ভোটারবিহীন নির্বাচনের সরকার। এই সরকার যেনতেন প্রকারে জিততে চায়। তারা হারতে চায় না। যা গতকাল খুলনা ও দেশবাসী দেখেছে।”

ওদিকে, স্বাস্থ্যমন্ত্রী ও ১৪ দলের মুখপাত্র মোহাম্মদ নাসিম বলেছেন, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিজয়, গণতন্ত্রের বিজয় হয়েছে। জনগণের ভোটের অধিকার প্রয়োগের বিজয় হয়েছে।

গতকাল সকালে রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে মোহাম্মদ নাসিম কলেন, খুলনা সিটি করপোরেশন নির্বাচনে সুষ্ঠু নির্বাচন হবে কি না, তা নিয়ে অনেক আশঙ্কা ছিল। সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের শক্তির বিজয় হয়েছে।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top