Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, সোমবার, ১৫ অক্টোবর ২০১৮ , সময়- ৭:৩৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ময়মনসিংহ পৌরসভাকে সিটি কর্পোরেশন ঘোষণা, সর্বস্তরে আনন্দের বন্যা গ্রেনেড হামলার মামলার রায়ে আমরা সন্তুষ্ট কিন্তু কিছু আপত্তি আছে : শাহরিয়ার আলম ড. কামাল বিএনপিতে যোগ দিয়েছেন, আলহামদুলিল্লাহ : খালেদা জিয়া জাফরুল্লাহর বিরুদ্ধে সেনাকর্মকর্তার থানায় সাধারণ ডায়েরি, তদন্তে ডিবি কেন কমিশন সভা বর্জন করেছেন কমিশনার মাহবুব তালুকদার দেশের অন্যতম বৃহত্তম পুজো হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে সিকদার বাড়ি গণমাধ্যমকর্মীদের সাপ্তাহিক কর্মঘণ্টা হবে সর্বোচ্চ ৩৬ ঘণ্টা  ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন সংশোধনের দাবিতে সম্পাদকদের মানববন্ধন, পরিষদের সাত দফা দাবি  একটি কমিশন গঠনের প্রস্তাব রেখে ‘সম্প্রচার আইন, ২০১৮’ এর খসড়া অনুমোদন অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে রয়েছে র‌্যাব : বেনজীর আহমেদ

কানাডার কেবেকে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে

সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছি :  প্রধানমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১১ জুন ২০১৮ ১২:১৬ পিএম:
সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয় দিয়েছি :  প্রধানমন্ত্রী

জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও টেকসই প্রত্যাবাসনে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক চুক্তি বাস্তবায়নে মিয়ানমারের প্রতি চাপ প্রয়োগে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য জি-সেভেন নেতাদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। 

বাংলাদেশ সময় শনিবার কানাডার কেবেকে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্রপ্রধান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার প্রধানদের সম্মেলনে শেখ হাসিনা এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন। জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে মিয়ানমারে তাদের নিরাপদ প্রত্যাবাসনসহ চার দফা প্রস্তাব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গাদের বিরুদ্ধে নিপীড়ন ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের দায়ে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করে জবাবদিহিতা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করারও আহ্বান জানান। শেখ হাসিনা বলেন, রোহিঙ্গাদের সমস্যার মূল মিয়ানমারেই নিহিত এবং তাদেরকেই তার সমাধান করতে হবে। রোহিঙ্গাদের অবশ্যই তাদের নিজগৃহে ফিরে যেতে হবে, যারা সেখানে শত শত বছর ধরে বসবাস করে আসছে। তিনি বলেন, আমরা ইতোমধ্যে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসনের অধিকার নিশ্চিত করতে মিয়ানমারের সঙ্গে চুক্তি করেছি। এই প্রক্রিয়া যাতে স্থায়ী ও টেকসই হয় সেজন্য আমরা এতে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআরকে অন্তর্ভুক্ত করেছি।

প্রধানমন্ত্রী রোহিঙ্গা ইস্যু সমাধানে কফি আনান কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে মিয়ানমার সরকারকে উদ্যোগ নিতে হবে বলেও উল্লেখ করেন। জার্মানির চ্যান্সেলর অ্যাঙ্গেলা মেরকেল, কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিল-আইএমএফের প্রধান ক্রিস্টিন লগার্দও ছিলেন সেখানে।

রোহিঙ্গাদের বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রস্তাবগুলো হলো- 

এক. জোরপূর্বক বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও স্থায়ী প্রত্যাবর্তন নিশ্চিতে বাংলাদেশের সঙ্গে হওয়া দ্বিপক্ষীয় চুক্তি বাস্তবায়নে মিয়ানমারকে রাজি করাতে হবে। 

দুই. মিয়ানমারকে অবিলম্বে নিঃশর্তভাবে রাখাইন পরামর্শক কমিশনের সুপারিশগুলো বাস্তবায়ন করতে হবে। তিন. রাখাইনে নিপীড়নের ঘটনায় দোষীদের বিরুদ্ধে যথাযথ নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে প্রস্তাব গ্রহণের জন্য কাজ করতে হবে। 

চার. রোহিঙ্গাদের ওপর চালানো অমানবিক নিপীড়ন বা মানবাধিকার লঙ্ঘনের জন্য জবাবদিহি ও বিচার নিশ্চিত করতে পদক্ষেপ গ্রহণ।

এই সমস্যা সমাধানে পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, আমি এ কথাটি আগেও বলেছি, আবার বলছি রোহিঙ্গা সংকটের মূল কারণ মিয়ানমারে, মিয়ানমারকেই এর সমাধান খুঁজে বের করতে হবে। মিয়ানমারের নাগরিকরা যাতে তাদের নিজ মাতৃভূমিতে ফিরে যেতে পারে, যেখানে তারা শতাব্দীর পর শতাব্দী বসবাস করে আসছে।

প্রায় ১১ লাখ মিয়ানমারের নাগরিকের বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়ার কথা তুলে ধরে শেখ হাসিনা বলেন, নিজেদের দেশে জাতিগত নির্মূলের মুখোমুখি হয়ে রোহিঙ্গারা তাদের জীবন বাঁচাতে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছে। আমাদের জনগণ তাদের ঘরবাড়ি খুলে দিয়েছে এবং আন্তরিকতার সঙ্গে দুর্দশাগ্রস্ত রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে, তাদের সঙ্গে খাবার ভাগাভাগি করেছে।

রোহিঙ্গা শরণার্থীদের সামালে জাতিসংঘসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার সহায়তার কথাও উল্লেখ করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় আমাদের পাশে উদারভাবে দাঁড়িয়েছে। জাতিসংঘসহ বিভিন্ন সংস্থা রোহিঙ্গাদের জন্য মানবিক সহায়তা সরবরাহ করেছে। ১২২টি স্থানীয়, আর্ন্তজাতিক সংস্থা ও জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থা কক্সবাজারে রোহিঙ্গা ক্যাম্পে কাজ করছে। এজন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে ধন্যবাদও জানান বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, সীমাবদ্ধতা সত্ত্বেও নিজস্ব সম্পদ দিয়ে আমরা রোহিঙ্গাদের নিরাপদ আশ্রয়, চিকিৎসাসহ অন্যান্য মৌলিক সেবা দিয়ে যাচ্ছি। বর্ষা ও সাইক্লোনের এ মৌসুমে বাড়তি সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নিয়েছি।

এক লাখ রোহিঙ্গাকে ভাষানচরে স্থানান্তরের পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এই জায়গাটি বসবাসযোগ্য, নিরাপদ এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগ মোকাবিলার পর্যাপ্ত ব্যবস্থা থাকবে। সেখানে বসবাস এবং জীবনধারণের অধিকতর ভালো সুযোগ থাকবে।

বক্তব্যে জলবায়ুর বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় বাংলাদেশের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং কৃষি, স্বাস্থ্য ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় কারিগরি সহায়তার প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।

ব্লু ইকোনোমির জন্য বিশ্ব সম্প্রদায়ের নেতৃত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা: একই অনুষ্ঠানে ব্লু ইকোনোমির (সমুদ্র অর্থনীতি) মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে জনজীবনে পরিবর্তন আনতে জি- সেভেনভুক্ত দেশগুলোর কাছে নেতৃত্বশীল ভূমিকা প্রত্যাশা করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর টেকসই ব্যবস্থাপনা এবং সমুদ্র ও উপকূলীয় অঞ্চলের প্রতিবেশ সুরক্ষার জন্য জি ৭ দেশগুলোর সঙ্গে অংশীদারিত্ব উন্নয়নের আহ্বান জানান।

জি-সেভেন এর আউটরিচ বৈঠকে বিশ্ব মহাসাগর বিষয়াবলি শীর্ষক এক ইন্টারভেনশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘নীল জল আমাদের জনগণের কাছে একটি ‘ঐতিহ্য’। সময়ের দাবি অনুযায়ী আমরা আমাদের উপসাগরকে সংরক্ষণ এবং সুরক্ষার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’

ভারত এবং মিয়ানমারের সঙ্গে সমুদ্র সীমানা বিরোধের শান্তিপূর্ণ মীমাংসার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এখন উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ্য করছি বর্জ্য নিক্ষেপ এবং সাগরের জল অম্লীয় হয়ে যাওয়াসহ জলবায়ুর বিরূপ প্রভাবের কারণে সমুদ্র পৃষ্ঠের উষ্ণতা বেড়েই চলেছে।

শেখ হাসিনা বলেন, বাংলাদেশের ৭৫টি উপকূলীয় দ্বীপ ডুবে যাওয়ার পর্যায়ে রয়েছে এবং নদীগুলোতে সাগরের লবণাক্ত পানি ঢুকে পড়ায় হুমকির মুখে পড়েছে। উপকূলীয় অঞ্চলে বসবাসকারী প্রায় দুই কোটি লোকের বাস্তুভিটা স্থানান্তরের ঝুঁকিতে রয়েছে। তাদের জীবিকার সুযোগ সীমিত এবং মহাসাগরীয় চ্যালেঞ্জ ও জলবায়ুর পরিবর্তনের সঙ্গে তাদের খাপ খাইয়ে চলার ক্ষমতা খুবই সীমিত।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা সর্বত্র শান্তি, স্থিতিশীলতা ও জনগণের স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করতে টেকসই উন্নয়নের ওপর ভিত্তি করে সামুদ্রিক নীতি গ্রহণ করেছি। প্রধানমন্ত্রী জি- সেভেনভুক্ত সব দেশকে সমুদ্রভিত্তিক পারস্পরিক বিশ্বাস এবং সম্মান এবং সুবিধার অংশীদারিত্বের নীতির ভিত্তিতে এবং তাদের উদ্ভাবন ও সক্ষমতাকে সমুদ্র সম্পদের টেকসই উন্নয়নের সুরক্ষা প্রদান, সংরক্ষণ এবং কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

অভিযোজিত প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং মূল প্রযুক্তি হস্তান্তরকে গুরুত্বপূর্ণ উল্লেখ করে তিনি বলেন, এজন্য সামুদ্রিক জৈবপ্রযুক্তির দিকে আমাদের দৃষ্টি দিতে হবে।

মহাসাগরে প্লাস্টিক বর্জ্য নিক্ষেপ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়ে তিনি প্লাস্টিকের পরিবর্তে শিল্পে পাট জাতীয় প্রাকৃতিক তন্তুর ব্যবহার বৃদ্ধির আহ্বান জানিয়ে বলেন, বিশ্ব এক্ষেত্রে স্বল্প ব্যয়ে পচনশীল জৈব প্রযুক্তিকে বিকল্প হিসেবে দেখতে পারে। জলবায়ুবিষয়ক ইন্টারভেনশনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, প্যারিস চুক্তির পূর্ণ বাস্তবায়ন বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ, দেশটির জলবায়ু পরিবর্তনজনিত অভিযোজনে সহায়তা প্রয়োজন। তিনি বলেন, বাংলাদেশকে জলবায়ু অর্থ সংস্থানের উন্নয়নে যুক্ত করা এবং সহায়তা বাড়ানো উচিত। তিনি বলেন, বাংলাদেশের মতো দেশের কৃষি, জনস্বাস্থ্য, দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা, প্রযুক্তি উন্নয়ন এবং স্থানান্তর প্রভৃতি খাতে সহায়তা প্রয়োজন।

তিনি জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাবের সঙ্গে মানিয়ে নিতে দরিদ্র ও সর্বাধিক ঝুঁকির মুখে থাকা দেশগুলোর সমর্থনের জন্য কানাডীয় সরকারের অঙ্গীকারের প্রশংসা করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের বিষয়টিকে মোকাবিলা করার জন্য উন্নয়নশীল দেশগুলোকে সাহায্য করার জন্য কানাডা আগামী ৫ বছরে দুই দশমিক ৬৫ বিলিয়ন মার্কিন ডলার দেবে। আর গ্রিন ক্লাইমেট ফান্ডের জন্য দেবে (জিসিএফ) তিনশ মিলিয়ন ডলার। তিনি বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় জি-৭ ভুক্ত দেশগুলোর কাছে অর্থনৈতিক এবং প্রযুক্তিগত উভয় ধরনের সহযোগিতারই আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানালেন কানাডার প্রধানমন্ত্রী ট্রুডো: জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনস্থল কেবেকের লা মালবের লে মানোর রিশেলো হোটেলে পৌঁছালে শেখ হাসিনাকে স্বাগত জানান কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডো। এ সময় দুই প্রধানমন্ত্রী কুশল বিনিময় করেন এবং আনুষ্ঠানিক ফটোসেশনে অংশ নেন।

কানাডার প্রধানমন্ত্রীর আমন্ত্রণে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে শুক্রবার দুপুরে কেবেকে পৌঁছান শেখ হাসিনা। সন্ধ্যায় জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দিতে আসা নেতাদের সম্মানে কানাডার গভর্নর জেনারেলের দেওয়া নৈশভোজে অংশ নেন তিনি। কেবেকে হোটেল শ্যাতো ফঁতেনেক-এ অবস্থান করছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী।

বিশ্ব অর্থনীতির সাত পরাশক্তির জোট জি-সেভেনের সম্মেলনের পাশাপাশি আঞ্চলিক উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অগ্রগতির বিষয়ে আলোচনার জন্য জোটের বাইরে থেকে বিভিন্ন দেশকে আলাদা বৈঠকে আমন্ত্রণ জানানো হয়। একেই বলা হয় জি-সেভেন আউটরিচ মিটিং।

সম্মেলনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও আর্জেন্টিনার প্রেসিডেন্ট এবং জি-টুয়ান্টির সভাপতি মাউরিকো ম্যাকরি, হাইতির প্রেসিডেন্ট ও ক্যারিবিয়ান কমিউনিটির সভাপতি জোভেনেল মইসি, জ্যামাইকার প্রধানমন্ত্রী এ্যান্ড্রিউ হোলনেস, কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উহরো কেনিয়াত্তা, মার্শাল আইল্যান্ডের প্রেসিডেন্ট হিলদা হেইনি, নওয়ের প্রধানমন্ত্রী এরনা সোলবার্গ, রুয়ান্ডার প্রেসিডেন্ট ও আফ্রিকান ইউনিয়নের সভাপতি পল ক্যাগামি, সেনেগালের প্রেসিডেন্ট ম্যাকি সাল, সিসিলির প্রেসিডেন্ট ড্যানি ফেউরি, দক্ষিণ আফ্রিকার প্রেসিডেন্ট সিরিল রামাপোসা, ভিয়েতনামের প্রেসিডেন্ট নগুয়েন জুয়ান পুউচ, ইন্টারন্যাশনাল মনিটরি ফান্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ক্রিস্টিন ল্যাগারডি, ইকোনমিক কো-অপারেশন ও ডেভেলপমেন্ট সংস্থার মহাসচিব জোসে এ্যাঞ্জেল গুরিয়া, জাতিসংঘের মহাসচিব এন্টিনিউ গুতেরেস এবং বিশ্বব্যাংকের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ক্রিস্টালিনা গিউরগিভা সম্মেলনে যোগ দেন।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এর আগে ২০১৬ সালে জাপানে এবং ২০০১ সালে ইতালিতে জি-সেভেন আউটরিচ সম্মেলনে যোগ দেন। কানাডা ছাড়া জি-সেভেনের বাকি ছয় সদস্য দেশ হলো- ফ্রান্স, জার্মানি, জাপান, ইতালি, যুক্তরাজ্য ও যুক্তরাষ্ট্র।

সফরের তৃতীয় দিন রবিবার মধ্যরাতে কানাডার প্রধানমন্ত্রী জাস্টিন ট্রুডোর সঙ্গে বৈঠকের পর টরন্টো যাবেন শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে মতবিনিময় অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

টরন্টো থেকে প্রধানমন্ত্রী দেশের উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে সোমবার সকালে কানাডার মিয়ানমারবিষয়ক দূত বব রে, কানাডার সাসকাচোয়ান প্রদেশের উপপ্রধানমন্ত্রী জেরেমি হ্যারিসন এবং কমার্শিয়াল কো-অপারেশন অব কানাডার প্রেসিডেন্ট মার্টিন জাবলোকি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন।

কানাডার স্থানীয় সময় সোমবার দুপুরে টরন্টো থেকে দেশের পথে রওনা হবেন প্রধানমন্ত্রী। দুবাইয়ে যাত্রাবিরতি করে মঙ্গলবার মধ্য রাতে তার ঢাকা পৌঁছানোর কথা রয়েছে।

 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top