Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, রবিবার, ২২ জুলাই ২০১৮ , সময়- ২:৪৬ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ব্রিটিশ এমপি রুশনারা আলী ঢাকায় সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংবর্ধনার দরকার নেই, জনগণ সুখে থাকলেই আমি খুশি : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যুদ্ধাপরাধের মামলায় ৩৪তম রায়ের অপেক্ষা প্রধানমন্ত্রীকে গণসংবর্ধনা : সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অভিমুখে জনস্রোত নেতৃত্ব নিয়ে দ্বন্দ্ব আরও প্রকট : ভেস্তে যেতে বসেছে যুক্তফ্রন্টের উদ্যোগ শেখের বেটি মোক নয়া ঘর দেল বাহে, মোক দেখার কাইয়ো ছিল না ‘স্বপ্ন’ প্রকল্পটির সুফল পাচ্ছে সাতক্ষীরা ও কুড়িগ্রাম জেলার ৮,৯২৮ দরিদ্র নারী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে গণসংবর্ধনা দিতে প্রস্তুত আওয়ামী লীগ ১৯৭১ সালে যুদ্ধ করে দিল্লির গোলামি করতে বাংলাদেশ স্বাধীন হয়নি : গয়েশ্বর

পর্যায়ক্রমে সব কয়টি জেলাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১১ জুলাই ২০১৮ ২:১৪ এএম:
পর্যায়ক্রমে সব কয়টি জেলাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন করা হবে : প্রধানমন্ত্রী

দেশের যেসব জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নেই, পর্যায়ক্রমে সেসব জেলাতে বিশ্ববিদ্যালয়ে স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। মঙ্গলবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি মিলনায়তনে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন শেখ হাসিনা এ ঘোষণা দেন। সভা শেষে অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান এ কথা সাংবাদিকদের জানান। মান্নান বলেন, প্রধানমন্ত্রী আজ বৈঠকে বলেছেন যে সমস্ত জেলায় বিশ্ববিদ্যালয় নেই সেসব জেলায় পর্যায়ক্রমে বিশ্ববিদ্যালয় করা হবে।’ বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে গবেষণার ওপর জোর দেয়ার পরামর্শও দেন তিনি।

অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জানান, ময়মনসিংহের কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নে একটি প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়। এই প্রকল্প অনুমোদনকালে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন। সভায় দেশের খাদ্য গুদামগুলোর সংস্কার ও উন্নয়নে একটি প্রকল্প নেয়া হয়। তেজগাঁওয়ের সরকারি খাদ্যগুদাম দেখে প্রধানমন্ত্রী অবাক হয়েছেন বলেও জানিয়েছেন অর্থ ও পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী এম এ মান্নান। তিনি বলেন, তেজগাঁওয়ের খাদ্য গুদামে ময়লা, ভাঙা, পানি পড়ে। দেশের প্রত্যেকটি সরকারি খাদ্যগুদামের অবকাঠামোও উন্নয়ন করারও পরামর্শ দেন তিনি।

একনেক সভায় ‘সারা দেশে পুরনো খাদ্য গুদাম ও আনুষাঙ্গিক সুবধাদির মেরামত এবং নতুন অবকাঠামো নির্মাণ’ প্রকল্পের ব্যয় ধরা হয় ৩১৬ কোটি ৮৮ লাখ টাকা; যার পুরোটাই সরকারি অর্থায়নে হবে। মান্নান এ বিষয়ে বলেন, আমরা খাদ্যে প্রায় স্বয়ংসম্পূর্ণ। এটা ধরে রাখতে হবে। আর এর জন্য আমাদের বিতরণ ও মজুত করার ব্যবস্থা উন্নত করতে হবে। আর এর জন্য এ প্রকল্পটি অনুমোদন দেয়া হয়েছে। সভায় চায়না ফ্রেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণ প্রকল্প অনুমোদন হয়।

এম এ মান্নান এক প্রশ্নের জবাবে বলেন,পূর্বাচলে নির্মাণাধীন বাংলাদেশ-চায়না ফেন্ডশিপ এক্সিবিশন সেন্টার নির্মাণ শেষ হলেই সেখানে বাণিজ্য মেলা হবে। এ প্রকল্প প্রধানমন্ত্রী দ্রুত শেষ করতে বলেছেন। প্রকল্পটির মেয়াদ যদিও ২০২০ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত রয়েছে, তবে ২০১৯ সালেই চীন সরকার এটা নির্মাণ করে দিতে চেয়েছে। সকল অবকাঠামো চীনে নির্মিত হবে শুধু পূর্বাচলে এগুলো ফিটিং করা হবে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, সভায় ৬টি (নতুন ও সংশোধিত) প্রকল্প অনুমোদন দেয়া হয়েছে। এতে মোট ব্যয় হবে ২ হাজার ৯২০ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। এর মধ্যে সরকারি অর্থায়ন করা হবে ২ হাজার ৭০ কোটি ১৪ লাখ টাকা, সংস্থার নিজস্ব অর্থায়নে ব্যয় করা হবে ২২৪ কোটি ৫৫ লাখ টাকা এবং প্রকল্প সাহায্য ৬২৫ কোটি ৭০ লাখ টাকা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top