Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:০৫ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
ভোটের মাঠে লড়বেন ১,৮৪১ জন প্রার্থী, স্বতন্ত্র ৯৬ শেখ হাসিনার হ্যাট্রিক নাকি ক্ষমতায় আসছে বিরোধীরা ? বিশ্লেষণে আন্তর্জাতিক মহল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৎ নেতা হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত  ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট উন্নয়নের স্বার্থে হোক, শন্তির পক্ষে হোক’ জামিনে মুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক হাসনা হেনা ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস আজ খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর সিঙ্গাপুর যাচ্ছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ

উখিয়া টেকনাফে ৫ লাখ স্থানীয়দের বিপরীতে ১১লক্ষাধিক রোহিঙ্গা হওয়ায় উদ্বেগ


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৫ জুলাই ২০১৮ ২:১৬ এএম:
উখিয়া টেকনাফে ৫ লাখ স্থানীয়দের বিপরীতে ১১লক্ষাধিক রোহিঙ্গা হওয়ায় উদ্বেগ

মিয়ানমার থেকে প্রাণে বাঁচতে পালিয়ে আসা রোহিঙ্গাদের জন্য ভৌগলিক সীমানা দুয়ার খুলে দিয়েছিল বাংলাদেশ। আর হৃদয় দুয়ার খুলে দিয়েছিল স্থানীয় অধিবাসীরা। 

এতে করে পৃথিবীর সবচেয়ে সংকটাপন্ন এই রোহিঙ্গাদের আশ্রয় হয়েছে কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফে। তবে বছর না পেরোতেই রোহিঙ্গা স্রোতের বিরূপ প্রভাব লেগেছে কক্সবাজারের আর্থসামাজিক বাস্তবতায়। সরাসরি ক্ষতির মুখে পড়েছে অন্তত লক্ষাধিক স্থানীয় অধিবাসী এবং কক্সবাজারের বনভূমি ও জীববৈচিত্র্য।এতেকরে রোহিঙ্গাদের প্রতি কিছুটা সহানুভূতি কমছে কক্সবাজারের মানুষের। অনেক্ষেত্রে বেড়েছে অসন্তোষ।তবে রোহিঙ্গা আগমণে অনেকের নতুন কর্মসংস্থান হয়েছে, ব্যবসা বাণিজ্যের নতুন দুয়ার খুলেছে। যদিওবা এসব সুযোগ খুব বেশি নয়- সরকার ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় নতুন করে ভাবছেন স্থানীয়দের জন্য। রোহিঙ্গাদের জন্য বরাদ্দকৃত অনুদানের ২৫শতাংশ স্থানীয়দের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে। তবে উখিয়া টেকনাফে প্রায় ৫ লাখ স্থানীয়দের বিপরীতে ১১লক্ষাধিক রোহিঙ্গা হওয়ায় উদ্বেগ বেড়েছে। 

তাই স্থানীয়রা চায় রোহিঙ্গাদের নিরাপদ, সম্মানজনক ও সেচ্ছামূলক প্রত্যাবাসন। রোহিঙ্গাদের নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন কক্সবাজারের উখিয়া উপজেলার হলুদিয়াপালং ইউনিয়নের বাসিন্দা তোফায়েল আহমেদ। তিনি তুলে ধরেছেন রোহিঙ্গাদের বিষয়ে তাঁর ব্যক্তিগত ও স্থানীয়দের অবস্থান।

প্রশাসনও স্থানীয়দের বিষয়টিকে খুবই গুরুত্বের সাথে নিয়েছেন। কেবল উখিয়া-টেকনাফের মানুষ নয়; রোহিঙ্গাদের কারণে পুরো কক্সবাজারের মানুষ ক্ষতিগ্রস্থ। জেলাবাসীর জন্য বিশেষ নজর দিচ্ছেন বলে কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন বিষয়টা অনেকটা জটিল একটি প্রক্রিয়া বলে জানিয়েছেন শরণার্থী ত্রাণ ও প্রত্যাবাসন কমিশনার মোহাম্মদ আবুল কালাম। তাঁর মতে প্রত্যাবাসন না হওয়া পর্যন্ত রোহিঙ্গা ব্যবস্থাপনা খুবই সতর্কতার সাথে করতে হবে। স্থানীয়দের বিষয়টিও দেখতে হবে। রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে বিশ্ব দরবারে উচ্চকিত প্রশংসা কুড়িয়েছে বাংলাদেশ। আর রোহিঙ্গা সমস্যা সমাধানে বাংলাদেশের পাশে থাকবে বিশ্ব সম্প্রদায়। এমনটাই প্রত্যাশা সকলের।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top