Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১১ ডিসেম্বর ২০১৮ , সময়- ২:৪১ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
‘বিএনপির ৯০ ভাগ প্রার্থী দুর্নীতিবাজ এবং সন্ত্রাসী’ : ওমর ফারুক চৌধুরী ভোটের মাঠে লড়বেন ১,৮৪১ জন প্রার্থী, স্বতন্ত্র ৯৬ শেখ হাসিনার হ্যাট্রিক নাকি ক্ষমতায় আসছে বিরোধীরা ? বিশ্লেষণে আন্তর্জাতিক মহল প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সৎ নেতা হিসাবে আন্তর্জাতিকভাবে পরিচিত  ‘তারুণ্যের প্রথম ভোট উন্নয়নের স্বার্থে হোক, শন্তির পক্ষে হোক’ জামিনে মুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক হাসনা হেনা ময়মনসিংহ মুক্ত দিবস আজ খালেদা জিয়ার প্রার্থিতা নিয়ে রিটের আদেশ আগামীকাল  মনোনয়নপত্র ফিরে পাচ্ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিরো আলম নির্বাচনী প্রচার শুরু করবেন শেখ হাসিনা, ১২ ডিসেম্বর

প্রধানমন্ত্রীর উপহার কেন ফেরত দিলেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী  


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৫ জুলাই ২০১৮ ২:৩৩ এএম:
প্রধানমন্ত্রীর উপহার কেন ফেরত দিলেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী  

আমার নিজের পুরোনো গাড়িটিই ব্যবহার করতে সাচ্ছন্দ্য বোধ করছি, তাই বিনয়ের সাথে আমি প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া গাড়িটি ফিরিয়ে দিয়েছি।

মন্ত্রণালয় পরিচালনায় দক্ষতার পরিচয় দেওয়ার পুরস্কার হিসেবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেওয়া একটি বিএমডব্লিউ মডেলের গাড়ি না নিয়ে আলোচনায় এসেছেন এই মন্ত্রী। প্রধানমন্ত্রী তাকে সহ মোট পাঁচ জন সিনিয়র মন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ নেতাকে এই মডেলের একটি করে গাড়ি উপহার দিয়েছিলেন। অন্যরা হচ্ছেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত, শিল্পমন্ত্রী আমির হোসেন আমু, বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ ও পূর্তমন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। প্রত্যেককেই নিজ নিজ মন্ত্রণালয় দক্ষতার সঙ্গে পরিচালনার জন্যই এই উপহার দেন প্রধানমন্ত্রী। বাকি চার মন্ত্রী সানন্দে প্রধানমন্ত্রীর উপহার গ্রহণ করেন, তবে বিনয়ের সঙ্গে তা ফেরত দেন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী।

এই ফেরত দেওয়াতে মহত্মের কিছু নেই বলেই প্রতিক্রিয়ায় জানান তিনি। শনিবার রাতে টেলিফোনে তিনি আরও বলেন, এটি বেশ দামি গাড়ি, আমি অপেক্ষাকৃত কম দামের গাড়িতে চড়ে অভ্যস্ত এবং তাতেই ভালো আছি। তিনি এও বলেন, এত দামি গাড়ি পরিচালনা করার অর্থ তার কাছে নেই।

মতিয়া চৌধুরী আরও বলেন, আমি মন্ত্রী আছি, কাল মন্ত্রী নাও থাকতে পারি, তখন এই দামি গাড়ি চালানো অসম্ভব হয়ে পড়বে। তিনি বলেন, বিষয়টিকে গ্লোরিফাই করার কিছু নেই, প্রধানমন্ত্রী তার বদান্যতা দেখিয়ে আমাকে এই গাড়িটি দিয়েছিলেন, আমি প্রয়োজন নেই বলেই ফিরিয়ে দিয়েছি। আমি মনে করেছি অন্য কোনও মন্ত্রীকে তিনি এটি দিতে পারবেন।

গাড়ি পরিচালনার খরচ মন্ত্রণালয় থেকেই বহন করা হবে, তাহলে আপত্তি কেন? এমন প্রশ্নে মতিয়া চৌধুরী বলেন, কয়েক দিনের জন্য সুখ বাড়িয়ে কোনও উপকার নেই। সুখ এক ধরনের আসক্তি।

মন্ত্রণালয় থেকেই তার কাছে গাড়িটি পাওয়ার অফার আসে বলে জানান মতিয়া চৌধুরী। তিনি আরও বলেন, আমাদের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা নিজেও সাদাসিধে জীবন-যাপন করেন, আমিও সাদাসিধে জীবনেই অভ্যস্ত। আমার বেশি কিছু পাওয়ার নেই।

স্বামী প্রয়াত বজলুর রহমানের কথা উল্লেখ করে মতিয়া চৌধুরী বলেন, তার রেখে যাওয়া গাড়িতেই আমি চলছি, কোনও সমস্যা হচ্ছে না। কারাগারে দুটি কম্বল পেয়েও জীবনের অনেক দিন কাটাতে হয়েছে, স্মরণ করেন মতিয়া চৌধুরী।

উল্লেখ্য, ওআইসি সম্মেলনের সময়ে গাড়িগুলো আনা হয়েছিলো যা অব্যবহৃত পড়ে ছিলো। সিনিয়র মন্ত্রী ও নেতাদের কাজে খুশি হয়েই এগুলো তাদের উপহার হিসেবে দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top