Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, মঙ্গলবার, ১৮ সেপ্টেম্বর ২০১৮ , সময়- ১০:১৩ অপরাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
খালেদা জিয়ার চিকিৎসা বিতর্ক কেন ? বিএনপি প্রতিনিধিদলের সঙ্গে সাক্ষাত শেষে যা বললেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী | প্রজন্মকণ্ঠ পছন্দের হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য আবেদন খালেদা জিয়ার | প্রজন্মকণ্ঠ খালেদা জিয়া কারাগারের বাইরে থাকার সময়ও জনগণ তার ডাকে সাড়া দেয়নি : ওবায়দুল কাদের বিএনপি-জামায়াত ক্লিনহার্ট অপারেশন চালিয়ে আ'লীগের অসংখ্য নেতাকর্মীকে নির্যাতনের শিকার করেছিল : প্রধানমন্ত্রী  ধর্মমন্ত্রী ও ভূমিমন্ত্রীর  কড়া সমালোচনা করলেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা খালেদা জিয়ার মুক্তির দাবিতে রিজভীর নেতৃত্বে মিছিল করেছে বিএনপি আ'লীগের প্রতিনিধিদলের উত্তরবঙ্গ সফর শুরু । প্রজন্মকণ্ঠ   বিজিবি-বিএসএফ সম্মেলন : সীমান্ত হত্যা শূন্যের কোটায় নামিয়ে আনার অঙ্গীকার | প্রজন্মকণ্ঠ  সেমিফাইনাল নিশ্চিত করতে মাঠে নামছে স্বাগতিক বাংলাদেশ, আগামীকাল | প্রজন্মকণ্ঠ

মায়া চৌধুরীর ১৩ বছর সাজার রায় বহাল থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত ৭ অক্টোবর


নিজস্ব প্রতিবেদক, প্রজন্মকণ্ঠ

আপডেট সময়: ১৪ আগস্ট ২০১৮ ৭:১৯ পিএম:
মায়া চৌধুরীর ১৩ বছর সাজার রায় বহাল থাকবে কি না, সিদ্ধান্ত ৭ অক্টোবর

দুর্নীতির অভিযোগে এক দশক আগে জরুরি অবস্থার মধ্যে আওয়ামী লীগ নেতা মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়াকে জজ আদালতের দেওয়া ১৩ বছর সাজার রায় বহাল থাকবে কি না- সেই সিদ্ধান্ত ৭ অক্টোবর জানাবে হাই কোর্ট।

বর্তমান সরকারের দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী মায়ার আপিলের ওপর পুনঃ শুনানি শেষে মঙ্গলবার বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি কে এম হাফিজুল আলমের হাই কোর্ট বেঞ্চ রায়ের এই দিন ঠিক করে দেয়।

আদালতে দুর্নীতি দমন কমিশনের পক্ষে শুনানি করেন খুরশীদ আলম খান। মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়ার পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী আবদুল বাসেত মজুমদার, ড. বশির আহমেদ ও সাঈদ আহমেদ রাজা। আর রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল রোনা নাহরীন ও এ কে এম আমিন উদ্দিন মানিক।

খুরশীদ আলম খান পরে সাংবাদিকদের বলেন, শুনানি শেষ হয়েছে। রায়ের জন্য ৭ অক্টোবর দিন ধার্য করেছেন হাই কোর্ট।

২৯ লাখ টাকার অবৈধ সম্পদের মালিক হওয়ার অভিযোগে ২০০৭ সালের ১৩ জুন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক নূরুল আলম সূত্রাপুর থানায় এ মামলা করেন।

জরুরি অবস্থার মধ্যেই ২০০৮ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত এই আওয়ামী লীগ নেতাকে ১৩ বছর কারাদণ্ড দেয়; সেই সঙ্গে তাকে পাঁচ কোটি টাকা জরিমানাও করা হয়।

নির্বাচনে জিতে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালের ২৭ অক্টোবর হাই কোর্টে আপিলের রায়ে মায়াকে খালাস দেওয়া হয়। দুদক পরে হাই কোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে লিভটু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে আবেদন) করে। সে আবেদনে ২০১৫ সালের ১৪ জুন হাই কোর্টের খালাসের রায় বাতিল করেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি এস কে সিনহার নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের আপিল বেঞ্চ।

সেইসঙ্গে হাই কোর্টে নতুন করে আপিল শুনানির নির্দেশ দেয় সর্বোচ্চ আদালত। মায়া আপিল বিভাগের আদেশ পুনর্বিবেচনার আবেদন করলেও বিচারকদের সিদ্ধান্ত বদলায়নি। 

এরপর আপিল বিভাগের নির্দেশনা অনুযায়ী হাই কোর্টে মায়ার আপিলের ওপর নতুন করে শুনানি শুরু হয়। মঙ্গলবার সেই শুনানি শেষে বিষয়টি আবার রায়ের পর্যায়ে এল।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top