Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৮:২২ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন সালমান আরেকটি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা : কারণ এবং প্রতিকার কী ? পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর ভারত প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেলেন জয়  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৫ আমি কখনও সংলাপের কথা বলিনি : ওবায়দুল কাদের কাদের'কে স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে মাফ চাওয়ার আহ্বান  বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান সংরক্ষিত নারী আসনে আ'লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু  পদ্মা সেতুর পাশেই হবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

ঈদ আনন্দের না কি বেদনার ! 


মোজাম্মেল হক নিয়োগী

আপডেট সময়: ২ সেপ্টেম্বর ২০১৮ ১২:৫০ পিএম:
ঈদ আনন্দের না কি বেদনার ! 

ফেসবুক স্ট্যাটাস : প্রতি বছর ঈদের সময় সড়ক দুর্ঘটনায় শত শত মানুষ মারা যায়। আর আহত হয় হাজার হাজার মানুষ। যারা মরে যায় তারা বেঁচে যায়। এদেশে মনে হয় মরে যাওয়ার চেয়ে ‘সুন্দর বেঁচে যাওয়া’ আর কিছু নেই। আর যারা আহত হয় তারা সারা জীবনে বাঁধে কষ্টের সাতকাহন। তাদের কান্না থাকে আমৃত্যু। এই বেঁচে থাকা কতটা দুর্বিষহ কেবল ভুক্তভোগীরাই বলতে পারবে। 
কেন এমন হয়? কী এর প্রতিরোধ?

ঈদের সময় অতিরিক্ত ভাড়া বা উপার্জনের জন্য চালকদের নির্ধারিত কোনো সিডিউল থাকে না। দিন রাত গাড়ি চালায়। অবসাদগ্রস্ততা, অনিদ্রা, অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের জন্য মালিক পক্ষের চাপ, অতিরিক্ত ট্র্যাফিক জ্যাম সড়কে শুরু হয় মৃত্যুর মিছিল। মানুষ আনন্দ উপভোগ করতে নাড়ির টানে বাড়িতে যাওয়ার পথে লাশ হয়ে যায়। আনন্দগুলো কষ্টে নীল হয়ে যায়। কিন্তু আর কত কাল?

রাষ্ট্রের কি কোনে দায় নেই? একই সঙ্গে ঢাকাকেন্দ্রিক জীবনের কি অবসান হওয়া উচিত নয়? ঢাকাকে সম্প্রসারণ করার বড় বড় প্রকল্প রূপরেখা হচ্ছে। ঢাকার কার্যক্রমকে বিকেন্দ্রিক করার জন্য রাষ্ট্রের কী চিন্তা? এতো জনসংখ্যার ভার এই শহর কতটা বহন করতে পারছে? যে হারে জনসংখ্যা বাড়ছে তাতে এই শহর কতটা ভার বহন করতে পারবে? ভার বহন করতে করতে মানুষেরা কি ভাঁড়ে পরিণত হচ্ছে কি না? 
বর্তমানে অনেক নাগরিক সুবিধা গ্রামেও পাওয়া যাচ্ছে। এরপরও ঢাকায় ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাপে নাগরিক জীবন অসহনীয় পর্যায়ে রয়েছে। 
সুবিধাজনক ট্রেনের ব্যবস্থা থাকলে অনেক মানুষ ঢাকার অদূরের বিভিন্ন এলাকা থেকে অফিস করতে পারত; যেমনটি কলকাতায় দেখায় যায়। ময়মনসিংহ, ভৈরব, নরসিংদি, ভালুকা, গফরগাঁও, জয়দেবপুর ইত্যাদি এলাকা থেকে সকালে বিকেলে শুধু অফিস যাত্রীদের জন্য বিশেষ ট্রেনের সুবিধা থাকলে ঢাকার ওপর চাপ কমতে পারত বলে মনে হয়। নিষ্ঠুর সিন্ডিকেটের কাছে পরিবহন সেক্টর বন্দি, যাদের হাতে রাজনীতিরও পাশা খেলার গুটি। কীভাবে পরিবর্তন আসবে? 

গ্রামেগঞ্জের অযুত-নিযুত বেকাররা এখন ট্যাক্সি, লেগুনা, টমটম ইত্যাদি চালিয়ে জীবিকা নির্বাহ করছে। তারাও স্থানীয় সিন্ডিকেটের হাতে বন্দি। স্থানীয় প্রযুক্তির যানবাহনের কোনো নীতিমালাও নেই। আমরা সবাই রাজা, আমাদের এই রাজার রাজত্বে। 

মানুষের অকালে মৃত্যু আর পঙ্গুত্ব বরণের পথকে রোধ করার জন্য আগামী দিনে পরিবহন সেক্টরকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া কি কর্তব্য নয়?

ফেসবুক স্ট্যাটাস লিঙ্ক 


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top