Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৮:০৮ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন সালমান আরেকটি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা : কারণ এবং প্রতিকার কী ? পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর ভারত প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেলেন জয়  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৫ আমি কখনও সংলাপের কথা বলিনি : ওবায়দুল কাদের কাদের'কে স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে মাফ চাওয়ার আহ্বান  বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান সংরক্ষিত নারী আসনে আ'লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু  পদ্মা সেতুর পাশেই হবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

সাংবাদিক জামাল খাশোগ্গির অন্তর্ধান নিয়ে ক্রমশ পারদ চড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ১৫ অক্টোবর ২০১৮ ১১:১০ পিএম:
সাংবাদিক জামাল খাশোগ্গির অন্তর্ধান নিয়ে ক্রমশ পারদ চড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে

সাংবাদিক জামাল খাশোগ্গির অন্তর্ধান নিয়ে ক্রমশ পারদ চড়ছে আন্তর্জাতিক মহলে। বিশ্বমঞ্চে কার্যত একঘরে সৌদি আরব। এমনকী, রিয়াধের বিরুদ্ধে নিষেধাজ্ঞার হুমকি দিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। রবিবার, আমেরিকাকে পালটা হুঁশিয়ারি দিয়ে রিয়াধ সাফ জানিয়েছে, তাদের উপর অবরোধ চাপলে তা সর্বশক্তি দিয়ে প্রতিরোধ করা হবে।

তাৎপর্যপূর্ণভাবে আমেরিকার বিশ্বস্ত মিত্র দেশ সৌদি আমেরিকা। যেখানে মার্কিন সেনার ঘাঁটিও রয়েছে। কিন্তু খাশোগ্গির অন্তর্ধানে দু’দেশের মধ্যে সম্পর্কে চিড় ধরার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। এদিকে, মার্কিন নিষেধাজ্ঞার হুমকিতে প্রভাব পরেছে সৌদি শেয়ার মার্কেটে। চলতি অর্থবর্ষে এপর্যন্ত সর্বনিম্ন স্তরে ঠেকেছে স্টক এক্সচেঞ্জের সূচক। সৌদি সাংবাদিক খাশোগ্গিকে শেষবার ইস্তানবুলের সৌদি দূতাবাসে প্রবেশ করতে দেখা যায়। তারপর থেকেই তাঁর খোঁজ পাওয়া যাচ্ছে না। সৌদি যুবরাজ মহম্মদ বন সলমনের সমালোচক হিসেবেই পরিচিত খাশোগ্গি। অভিযোগ, ইস্তানবুলের সৌদি দূতাবাস চত্বরেই খুন করা হয়েছে। তুরস্কের দাবি, ওই সাংবাদিককে খুন করেছে সৌদি আরবের গুপ্তঘাতক বাহিনী। হত্যার পর খাশোগ্গির লাশ গুম করে ফেলেছে ১৫ জনের ঘাতক বাহিনীটি। সমস্ত ঘটনাটির ভিডিও রয়েছে তাদের কাছে। তবে কীভাবে তারা এই ভিডিও পেয়েছে তা স্পষ্ট করেননি তুরস্কের আধিকারিকরা।                               

এদিকে খাশোগ্গির অন্তর্ধানের পর থেকেই তোলপাড় পরেছে বিশ্বে। তথ্যপ্রযুক্তি, সংবাদমাধ্যম থেকে শুরু করে ইউরোপের বিভিন্ন সংস্থা দূরত্ব বাড়াতে শুরু করেছে সৌদি আরবের সঙ্গে। তবে সব থেকে উল্লেখ্য হচ্ছে মার্কিন প্রতিক্রিয়া। আমেরিকার গুরুত্বপূর্ণ সামরিক সহযোগী সৌদি আরব। ইরানকে চাপে রাখতে সৌদিতেই ঘাঁটি রয়েছে মার্কিন সেনার। এছাড়াও এফ-১৬ যুদ্ধবিমানের মতো অত্যাধুনিক হাতিয়ার আমেরিকাই দিয়েছে রিয়াধকে। প্রাক্তন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জর্জ বুশ থেকে শুরু করে ওবামা পর্যন্ত সুসম্পর্ক রেখেছেন সৌদি রাজ পরিবারের সঙ্গে। তাই প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের হুমকিতে মধ্যপ্রাচ্যে নয়া সমীকরণ তৈরি হতে চলেছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।      


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top