Projonmo Kantho logo
About Us | Contuct Us | Privacy Policy
ঢাকা, বুধবার, ১৬ জানুয়ারী ২০১৯ , সময়- ৮:০৯ পূর্বাহ্ন
Total Visitor: Projonmo Kantho Media Ltd.
শিরোনাম
শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা হলেন সালমান আরেকটি শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা : কারণ এবং প্রতিকার কী ? পররাষ্ট্রমন্ত্রীর প্রথম বিদেশ সফর ভারত প্রধানমন্ত্রীর তথ্য উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ পেলেন জয়  ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সড়ক দুর্ঘটনায় মৃত্যু ৫ আমি কখনও সংলাপের কথা বলিনি : ওবায়দুল কাদের কাদের'কে স্টেডিয়ামে প্রকাশ্যে মাফ চাওয়ার আহ্বান  বাংলাদেশে তথ্য প্রযুক্তি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী জাপান সংরক্ষিত নারী আসনে আ'লীগের মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু  পদ্মা সেতুর পাশেই হবে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর

আগামী ২৫ বছরের মধ্যে মঙ্গলে মানুষ পাঠাবে নাসা !


প্রজন্মকণ্ঠ অনলাইন রিপোর্ট

আপডেট সময়: ১৫ নভেম্বর ২০১৮ ৮:০৬ পিএম:
আগামী ২৫ বছরের মধ্যে মঙ্গলে মানুষ পাঠাবে নাসা !

লালগ্রহ নিয়ে মানুষের আগ্রহের সীমা-পরিসীমা নেই। আর থাকাটাই স্বাভাবিক। কারণ জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা দীর্ঘদিন ধরে বলে আসছেন, পৃথিবীর পর যদি কোনও গ্রহে প্রাণের অস্তিত্বের সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি থাকে তাহলে সেটা মঙ্গল। এমনকি মঙ্গলে একসময় জল ও অক্সিজেনের অস্বিত্ব ছিল বলেও ধারণা জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একাংশের। তাঁরা মনে করেন প্রাণের স্পন্দন থাকার সবরকম উপকরণই মজুদ আছে মঙ্গলে। আর সেকারণেই মঙ্গলকে পৃথিবীর যমজ গ্রহ বলে। আর এই যমজ গ্রহে মানুষ পাঠানো নিয়ে গবেষণার অন্ত নেই। কিন্তু কতদিনে মঙ্গলে মানুষ পাঠানো সম্ভব? নাসা জানিয়ে দিল অন্তত ২৫ বছরের মধ্যে তা সম্ভব নয়। অনেক জটিল বাধা রয়েছে এই পথে। তবে গবেষকরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন, আশা করা যায়া আগামী ২৫ বছরের মধ্যেই মঙ্গলের মাটিতে পা রাখবে মানুষ।

নাসার বিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন এখন চাঁদে মানুষ পাঠানোর মূল অন্তরায় শারীরিক সমস্যা এবং দূরত্ব। বর্তমান যা প্রযুক্তি আছে এই প্রযুক্তিতে মানুষ পাঠাতে গেলে মহাকাশচারীদের হাড়ে চিড় ধরতে পারে, মহাজাগতিক রশ্মিতে ক্ষতি হতে পারে, এমনকী দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে যেতে পারে। তাছাড়া পৃথিবী থেকে মঙ্গলের দূরত্ব প্রায় ১৪ কোটি মাইল। বর্তমান রকেট প্রযুক্তি অনুযায়ী মঙ্গলে পৌঁছাতে একজন মহাকাশচারীর সময় লাগবে অন্তত ৯ মাস। এত দীর্ঘ সময় মহাশূন্যে ভেসে থাকা মানুষের শরীরের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। বিজ্ঞানীরা মনে করছেন, অত দীর্ঘ সময় মহাকর্ষের বাইরে থাকলে শিরা-উপশিরা এবং রেটিনার অপূরণীয় ক্ষতি হয়ে যেতে পারে।

টম জোনস নামে নাসার প্রাক্তন এক জ্যোতির্বিজ্ঞানী বলছেন, অনেক জটিলতা আছে তবে আমাদের এখন কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রযুক্তির উপর কাজ করতে হবে। আর তা বর্তমান বাজেটে সম্ভব নয়। বাজেট বাড়ানো হলে আশা করা যায় ২৫ বছরের মধ্যেই আমরা এই সমস্যাগুলির সমাধান করতে পারব।


আপনার মন্তব্য লিখুন...

এই ওয়েবসাইটের কোনো লেখা বা ছবি অনুমতি ছাড়া নকল করা বা অন্য কোথাও প্রকাশ করা সম্পূর্ন বেআইনি
Top